নিজস্ব প্রতিনিধি , কাঠমান্ডু - হড়পা বানের পর এবার নতুন সঙ্কটে নেপাল। মৃতের সংখ্যা প্রায় ৫০০ ছুঁতে চলেছে। একের পর এক দেহ উদ্ধার হলেও সেগুলি রাখার মতো জায়গা মিলছে না মর্গ ও হাসপাতালগুলিতে। অশনাক্ত দেহ দীর্ঘদিন সংরক্ষণ করা সম্ভব না হওয়ায় গণসৎকারের কথাও ভাবতে শুরু করেছে সরকার।
গত বুধবার সকালে রাসুয়া জেলায় ভোটেকোশী নদীতে আচমকা হড়পা বান নামে। তিব্বত সীমান্তের কাছে থাকা ওই জেলার একের পর এক গ্রাম জলের স্রোত ও কাদায় ভেসে যায়। তারপর থেকেই চলছে উদ্ধার অভিযান। প্রতিদিনই উদ্ধার হচ্ছে বহু দেহ। কিন্তু সেগুলি রাখার জায়গা নিয়ে বিপাকে পড়েছেন কর্তৃপক্ষ। ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকটি মর্গ পূর্ণ হয়েছে। কোথাও কোথাও অস্থায়ী ব্যবস্থায় মৃতদেহ রাখা হচ্ছে। কিন্তু সেই ব্যবস্থাও দীর্ঘস্থায়ী নয়। শুক্রবার সকালে নেপালের সংবাদমাধ্যম 'কাঠমান্ডু পোস্ট' জানায়, এখনও পর্যন্ত ৪৭৫ জনের মৃত্যু নিশ্চিত হয়েছে।
বিপর্যয়ের জলের তোড়ে অনেক দেহ কয়েক কিলোমিটার দূরে ভেসে গিয়েছে। ফলে মৃতদের পরিজনরা শনাক্ত করতে চাইলে তাঁদের দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে হচ্ছে। তাতেও সময় লাগছে। পোখারা অ্যাকাডেমি অফ হেল্থ সায়েন্সের অধিকর্তা সুশীল আরিয়াল জানান, বর্তমানে মর্গগুলিতে ২ থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় দেহ সংরক্ষণ করা হচ্ছে। সর্বোচ্চ ১০ থেকে ১৪ দিন পর্যন্ত সেগুলি রাখা সম্ভব। এর পরে আর সংরক্ষণ করা যাবে না। এই সময়ের মধ্যে পরিবারের কেউ এসে দেহ শনাক্ত করতে না পারলে সৎকার করতে হবে।
পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে অশনাক্ত দেহগুলির গণসৎকার শুরু করতে পারে নেপাল সরকার। যদিও এখনও এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। তবে বিকল্প ব্যবস্থা ক্রমশ কমে আসছে। ইতিমধ্যেই বহু দেহের সৎকার হয়ে করা হয়েছে। কিন্তু অশনাক্ত দেহের সংখ্যাই বেশি। এখনও প্রায় ১৫০০ মানুষের কোনও সন্ধান নেই। এই পরিস্থিতি নিয়ে বৃহস্পতিবার চিতোয়ান জেলার সরকারি আধিকারিকরা বৈঠক করেন।
জেলার সমস্ত মর্গ মিলিয়ে একসঙ্গে মাত্র ৩০ থেকে ৫০টি দেহ রাখা যায়। ইতিমধ্যেই সেই জায়গা পূর্ণ হয়েছে। তার মধ্যেই ওই জেলায় নতুন করে ১৩৭টি দেহ উদ্ধার হয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে কয়েকটি পরিত্যক্ত ভবন চিহ্নিত করেছেন আধিকারিকরা। সেখানে অস্থায়ী ভাবে আরও ২৫০টি দেহ রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে। কোনও মর্গে জায়গা না থাকলে দেহ অন্য জেলাতেও পাঠানো হচ্ছে। অশনাক্ত দেহ সৎকার করতে হলে ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রতিটি দেহের ছবি ও ভিডিয়ো সংগ্রহ করা হবে।
পাশাপাশি ডিএনএ নমুনাও রাখা হবে। পরে কোনও পরিবার নিখোঁজ সদস্যের খোঁজে এলে যাতে পরিচয় শনাক্ত করা যায়, সেই কারণেই এই ব্যবস্থা। কিন্তু দেহ সংরক্ষণের প্রয়োজনীয় রাসায়নিক ও শুকনো বরফ জোগাড় করতেও সমস্যায় পড়েছে নেপাল। অন্যদিকে নিখোঁজদের পরিজনেরা মর্গে মর্গে ঘুরছেন। হাতে থাকছে পরিচিতের ছবি। সেই ছবি দেখিয়ে প্রিয়জনের সন্ধান করছেন তাঁরা। এর মধ্যেই নেপালে ফের হড়পা বানের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ফলে মৃতদেহ সংরক্ষণ, শনাক্তকরণ, উদ্ধার- ৩ ক্ষেত্রেই নতুন করে চাপ বাড়ছে প্রশাসনের উপর।
পুণের অনুষ্ঠানে পিতৃতন্ত্র নিয়ে রাহুলের মন্তব্য, বক্তব্য বিকৃত করার অভিযোগ নাজিয়ার
সম্পর্ক ভাঙার পর মানসিকভাবে ঘুরে দাঁড়ানোর সময় দেওয়া হল কর্মীদের
কাংপোকপিতে গুলি চালিয়ে হত্যার অভিযোগ, শান্তি ফেরানো নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ
পুলিশের হাতে ধরা পড়ে অভিযুক্ত যুবক
পরিবেশ সচেতনতা আর গোরক্ষা বার্তার মেলবন্ধন
শরীরের আরও একাধিক অংশে গুরুতর আঘাত রয়েছে
হড়পা বানে নিখোঁজ শত শত যাত্রী
৩১ জনের মৃত্যু, নিখোঁজ ১০৫ ভারতীয়-সহ ৪০০ কৈলাসযাত্রী
দল ভাঙলেও মেঘালয়ে এখনও বিরোধী তকমা, উপনির্বাচনে প্রার্থীও দিতে পারেনি তৃণমূল
লরির পিছনে সজোরে ধাক্কা বাসের, নিহতদের মধ্যে ৫ জন মহিলা
PIMS হাসপাতালের নার্সারিতে আগুন, ১৬ শিশুর মধ্যে মাত্র ১ জনকে জীবিত উদ্ধার
১৫ দিনে প্রায় ৪০ শতাংশ বেড়েছে দাম, বিদেশ থেকে চিনি আনার অনুমতিও কেন্দ্রের
মানচিত্রে নতুন পরিচয়, ২১টি এলাকা-সহ ৪ গিরিপথ ও হ্রদও তালিকায়
সেনেটে পাস রাশিয়া-বিরোধী বিল, চিন-ভারত-জাপান-সহ একাধিক দেশকে ঘিরে বাড়ছে চাপ
জেদ্দায় যৌথ সমঝোতার জল্পনা, ভারত-পাক সংঘাত হলে বদলাতে পারে কূটনৈতিক হিসাব
কমবয়সিদের নিরাপত্তায় আদালতের রায়
দুই ভারতীয় নৌকর্মীর মৃত্যু, হরমুজ প্রণালী দিয়ে উদ্বেগ কেন্দ্রের