নিজস্ব প্রতিনিধি , কলকাতা - বর্ষা এখনও পুরোপুরি কাটেনি, তার মধ্যেই রাজ্যে বাড়ছে ডেঙ্গি নিয়ে উদ্বেগ। চলতি বছরে আক্রান্তের সংখ্যা গত বছরের তুলনায় আপাতত কম হলেও, বিভিন্ন জেলায় নতুন করে সংক্রমণের হদিশ মিলছে। তার ওপর মাঠে ডেঙ্গি নিয়ন্ত্রণের কাজে যুক্ত স্বাস্থ্যকর্মীদের একাংশ অন্য কাজে ব্যস্ত থাকায় পরিস্থিতি কতটা সামাল দেওয়া যাবে, তা নিয়েই প্রশ্ন উঠছে।
স্বাস্থ্য ভবন সূত্রে জানা গেছে, এখনও পর্যন্ত রাজ্যে ডেঙ্গিতে মৃত্যু হয়েছে ৭ জনের। ডেঙ্গি পজিটিভ অবস্থায় মৃত্যুর হিসাব ধরলে সংখ্যাটি দাঁড়াচ্ছে ১০। অগস্টের ১৯ তারিখ পর্যন্ত রাজ্যে আক্রান্তের সংখ্যা ৪,০৩৫। আক্রান্তের হার ০.৭ শতাংশ। গত বছর একই সময়ে আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৬,৪৮৮ জন। আক্রান্তের হার ছিল ১ শতাংশ। তবে আক্রান্তের হার কমলেও এবছর ডেঙ্গি পরীক্ষা তুলনামূলক ভাবে কম হয়েছে। ফলে শুধুমাত্র পরিসংখ্যানের ভিত্তিতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে ধরে নিতে নারাজ জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। ২০২৫ সালে ডেঙ্গিতে মৃত্যু হয়েছিল ১৯ জনের।
এ বছর ইতিমধ্যেই জলপাইগুড়ির মাল ও মাটিয়ালি, মুর্শিদাবাদের জলঙ্গি ও রঘুনাথগঞ্জ-২, পূর্ব বর্ধমানের ভাতার ও পূর্বস্থলি-১, দক্ষিণ ২৪ পরগণার ভাঙড়-১ ও ভাঙড়-২, নদীয়ার তেহট্ট-১ ও চাকদহের মতো এলাকায় ডেঙ্গির প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। অগস্টের দ্বিতীয় সপ্তাহ পর্যন্ত আক্রান্তের সংখ্যায় কলকাতা শীর্ষে রয়েছে। এরপর রয়েছে ভাঙড়-২, হাওড়া, পূর্বস্থলি-১ এবং আসানসোল। বিশেষজ্ঞদের মতে, ডেঙ্গি নিয়ন্ত্রণে শুধু স্বাস্থ্য দফতরের উদ্যোগ যথেষ্ট নয়। পুরসভা সহ পঞ্চায়েত স্তরেও লাগাতার নজরদারি প্রয়োজন। কারণ বাড়ি বাড়ি গিয়ে জমা জল, পরিত্যক্ত পাত্র, ডাবের খোলা, টায়ার কিংবা আবর্জনায় মশার লার্ভা রয়েছে কি না, তা খুঁজে বের করাই ডেঙ্গি নিয়ন্ত্রণের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।
কিন্তু বর্তমানে রাজ্যের বহু পুরসভা ও পঞ্চায়েতে নির্বাচিত বোর্ড না থাকায় সেই কাজে সমন্বয়ের অভাব তৈরি হচ্ছে বলে অভিযোগ। স্বাস্থ্য দফতরের কর্মীদের একাংশ আবার ‘আয়ুষ্মান ভারত’-এর তথ্য সংগ্রহ সহ ডেটা এন্ট্রির কাজে ব্যস্ত। ফলে ডেঙ্গি নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত বাড়ি বাড়ি নজরদারি কতটা হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্ট অনুযায়ী, এ বছরও ডেঙ্গি ভাইরাসের ৪ টি সেরোটাইপের মধ্যে ডেন-২- সেরোটাইপের আধিক্য বেশি। বিশেষ করে দ্বিতীয়বার ডেঙ্গিতে আক্রান্তদের ক্ষেত্রে এই সেরোটাইপ বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে বলে সতর্ক করছেন বিশেষজ্ঞরা। স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়ও স্বীকার করেছেন, আগামী ৩ মাস ডেঙ্গি মোকাবিলা স্বাস্থ্য দফতরের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ। তার দাবি, স্বাস্থ্য ভবন পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে। পুরসভা, পঞ্চায়েত ও স্থানীয় স্তরে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
তবে চিকিৎসক ও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের একাংশের বক্তব্য, এখনই জমা জল পরিষ্কার, লার্ভা নিধন এবং বাড়ি বাড়ি নজরদারিতে জোর না দিলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে। এল নিনোর প্রভাবে এ বছর শীত দেরিতে আসার সম্ভাবনা থাকায় নভেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গির প্রকোপ থাকার আশঙ্কাও রয়েছে। ফলে আক্রান্তের সংখ্যা আপাতত কম হলেও আত্মতুষ্টির কোনও জায়গা নেই। বর্ষার শেষ পর্যায়ে ডেঙ্গির মোকাবিলায় প্রশাসন কতটা সক্রিয়ভাবে মাঠে নামে, তার ওপরই অনেকটা নির্ভর করছে আগামী দিনের পরিস্থিতি।
ম্যানগ্রোভ বাঁচাতে উদ্যোগী খুদেরা
আশীষ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে যান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী
নির্মীয়মাণ প্রতিমা রাস্তায় ফেলে ভাঙার অভিযোগ
এবার প্রশিক্ষণে কাজে লাগবে এই অভিনব উদ্যোগ
অসম-বাংলা সীমান্তে নাকা চেকিংয়ে বিপুল নগদ উদ্ধার, আটক বাসের চালক সহ খালাসি
নাতির হাতেই প্রৌঢ় ব্যবসায়ী খুনের অভিযোগ
পুজোর আগেই এই উদ্যোগ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে এগোচ্ছে প্রশাসন, বন দফতর
রায়গঞ্জে রহস্যজনক মৃত্যু কৃষকের, প্রকৃত কারণ জানতে ময়নাতদন্তের রিপোর্টের অপেক্ষা
বিশাখাপত্তনম থেকে ফেরার পথে মর্মান্তিক পরিণতি, পাঁশকুড়ার স্কুলে শোকের ছায়া
রাত হলেই নাকি বাড়ির চালে পড়ে ঢিল, শোনা যায় গাছ ভাঙার আওয়াজ! ‘ভূতুড়ে গ্রাম’-এর তকমা ঘিরে চাঞ্চল্য
বন দফতরের অভিযোগে গ্রেফতার অভিষেক ঘোষ
অভিযুক্ত যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ
আয়ুষ্মান প্রকল্পে বিনামূল্যে সফল হেমি-আর্থ্রোপ্লাস্টি
শুক্রবার রাতে লিলুয়া স্টেশনে নামার সময় আচমকাই বন্ধ হয়ে যায় লিফট, ভিতরে আটকে পড়েন ৯ যাত্রী
অভিযানে বেশ কয়েকটি খাবারে নিষিদ্ধ রং ব্যবহারের প্রমাণ মেলায় সেগুলি নষ্ট করে দেওয়া হয়
মানচিত্রে নতুন পরিচয়, ২১টি এলাকা-সহ ৪ গিরিপথ ও হ্রদও তালিকায়
সেনেটে পাস রাশিয়া-বিরোধী বিল, চিন-ভারত-জাপান-সহ একাধিক দেশকে ঘিরে বাড়ছে চাপ
জেদ্দায় যৌথ সমঝোতার জল্পনা, ভারত-পাক সংঘাত হলে বদলাতে পারে কূটনৈতিক হিসাব
কমবয়সিদের নিরাপত্তায় আদালতের রায়
দুই ভারতীয় নৌকর্মীর মৃত্যু, হরমুজ প্রণালী দিয়ে উদ্বেগ কেন্দ্রের