নিজস্ব প্রতিনিধি , নদীয়া - দুর্গাপুজোর আনন্দের মাঝেই হঠাৎ ঝড় তুলল এক অদ্ভুত পোস্টার। তৃণমূল আর বিজেপি নেতাদের ছবি পাশাপাশি ছাপা, নিচে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেওয়া হয়েছে, “বলুন তো কে তৃণমূল, কে বিজেপি?” মুহূর্তেই এই পোস্টার ঘিরে মানুষের কৌতূহল তুঙ্গে।
সূত্রের খবর, নদীয়ার কৃষ্ণগঞ্জের সাধারণ মানুষের কাছে এটি একেবারে অচেনা দৃশ্য। তাই সকাল থেকেই পোস্টারের সামনে ভিড় জমে যাচ্ছে, কৌতূহল ভরে সকলে একে অপরকে প্রশ্ন করছেন, আসলে কারা কোন দলে! এই পোস্টার কে বা কারা লাগিয়েছে তা এখনও স্পষ্ট নয়। অনেকেই মনে করছেন, এটি হয়তো কোনো সাধারণ মানুষের উদ্যোগ। তবে রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন, এ কাজ ইচ্ছাকৃতভাবে করা হয়েছে, যাতে তৃণমূল ও বিজেপির একাধিক নেতার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক এবং দলবদলের প্রবণতা নিয়ে ব্যঙ্গ করা যায়।

এই পোস্টার ঘিরে রাজনৈতিক মহলেও শুরু হয়েছে জল্পনা। অন্যদিকে সিপিআইএম এর নদীয়ার জেলা কমিটির সদস্য সুপ্রভাত দাস জানান, “পোস্টারে কোনও তৃণমূল বা বিজেপি নেতাদের ছবি নেই। যাদের ছবি আছে তারা আসলে বিজেমূল। সুযোগ বুঝে দল পরিবর্তন করে। মানুষ আসতে আসতে সচেতন হচ্ছে। যারা এখনও জানেনা তাদের জানাতেই কেউ হয়তো এরকম পোস্টার বানিয়ে মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাইছে।” তাঁর বক্তব্য, “যা তৃণমূল, তাই বিজেপি। আসলে দুই দলই এক।

অন্যদিকে জেলা সম্পাদক অমিত প্রামাণিক জানান, “মানুষ তো বলবেই। আজ তৃণমূল, কাল বিজেপি। তাদের মনে হয়েছে দল পরিবর্তন করলে ক্ষমতায়ন হবে, তাই করেছে । এমন নেতাদের মানুষ আর নেতা বলে মনে করে না।” তবে তৃণমূলের পক্ষ থেকে এখনো পর্যন্ত কোনো প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এই ধরনের পোস্টার হয়তো কোনো সাধারণ মানুষের উদ্যোগ। তবে যে ভাবনা থেকে এটি করা হয়েছে, তা রাজনীতির জগতে বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ এই পোস্টার যেন সরাসরি প্রশ্ন তুলছে, রাজনৈতিক নেতাদের দলবদলের খেলায় আদৌ কি দলগুলোর মধ্যে তফাৎ রইল।একদিকে দুর্গাপুজোর আনন্দ, অন্যদিকে ব্যতিক্রমী এই রাজনৈতিক ব্যঙ্গ। দুই মিশে এখন মানুষের আলোচনার কেন্দ্রে শুধু একটাই প্রশ্ন, “কে তৃণমূল, কে বিজেপি?”
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়