নিজস্ব প্রতিনিধি , উত্তর ২৪ পরগণা - ভাগ্যের ফেরে ঠিকানা পাকিস্তান জেল। তিন বছর ধরে শত্রুপক্ষের ডেরায় বাংলার দুই মৎস্যজীবী। মাছ ধরতে গিয়ে অজান্তেই পাকিস্তানে চলে যায় তারা। এরপর তাদের আটক করে রাখা হয়। বিদেশ মন্ত্রকের কাছে সাহায্যের আর্জি জানিয়েও কোনো সুরাহা হয়নি। এমতাবস্থায় প্রবল চিন্তায় দিন কাটাচ্ছে পরিবার।
সূত্রের খবর , সাল ২০২৩। ঘটনাটি বসিরহাট মহকুমার ১ নম্বর ব্লকের। মৎস্যজীবীদের নাম লাল্টু বিশ্বাস ও সুজয় দাস। গুজরাটের পোর্টে ঠিকাদার হয়ে মাছ ধরতে গিয়ে ট্রলারে ঘুমিয়ে পড়েন। এরপর সেই ট্রলার পাকিস্তান সীমান্তে ঢুকতেই তাদের আটক করা হয়। এরপর তাদের ল্যান্ডি জেলে বন্দী করে রাখা হয়। একাধিকবার বিদেশ মন্ত্রককে ইমেল করে তাদের ফিরিয়ে আনার অনুরোধ জানানো হয়েছে। দেড় মাস আগে পাকিস্তানের জেল থেকে একটি ভিডিও কল আসে। যেখানে বৃদ্ধা মায়ের সামনে কান্নাকাটি করতে দেখা যায় তাদের। ঠিকমত খেতেও দেওয়া হয়না তাদের।

শনিবার প্রকাশিত ভোটার তালিকাতেও নাম রয়েছে সুজয় লাল্টুর।।তবে সেসব তো অনেক দূর। প্রথমত তারা কবে ঘরে ফিরবে কেউ জানেনা। দুই পরিবারই এখন অনিশ্চয়তায় দিন কাটাচ্ছে। শুধু তাই নয় , ফিরে এসে তারা আর দেশের নাগরিক হিসেবে ভোট দিতে পারবেন কিনা সেটাই চিন্তার। তবে এখন দুই পরিবারই চাইছে জীবিত হিসেবে ঘরে ফিরুক তাদের ছেলেরা।

লাল্টু দাসের দাদা বিকাশ দাস ও বলেছেন , "আমরা মৎসজীবী পরিবার। মাছ ধরেই পেট চলে আমাদের। তিন বছর আগে ভাই নামখানায় থেকে কেরল যায়। এরপর কাজ পায় গুজরাটের পোর্ট বন্দরে। ওখান থেকে ট্রলার ভেসে চলে গেলে আটকে রাখে পাকিস্তানিরা। ঠিকমত খাওয়া দাওয়া হচ্ছেনা। কেন্দ্র সরকার, রাজ্য সরকার , বিদেশ মন্ত্রক , লোকাল থানা কাদের জানাইনি আমরা? তবে কোনো যোগাযোগের রাস্তা পাচ্ছিনা। কিভাবে ওদের ফিরিয়ে আনব কিছু আমরা বুঝতে পারছিনা। তিন বছর ধরে না খেয়ে , না ঘুমিয়ে দিন কাটাতে হচ্ছে। যেটুকু বেঁচে থাকার জন্য দরকার ততটাই।"

সুজয় দাসের ভাই অজয় দাস জনিয়েছেন , "ভুল করে আমার দাদা পাকিস্তানে চলে গেছে। অনেকবার সরকারের কাছে সাহায্যের আর্জি জানিয়েও পাইনি। আমাদের পরিবারের সকলের অবস্থা ভীষণই খারাপ। নাওয়া খাওয়া কিছু নেই বললেই চলে। আমি চাই যত তাড়াতাড়ি সম্ভব আমার দাদা ও লাল্টু দাসকে ফিরিয়ে আনা হোক।"
রাজ্য সরকারকে তীব্র আক্রমণ নাড্ডার
অনুপ্রবেশ সহ একাধিক ইস্যুতে তৃণমূলকে নিশানা নীতিন নবীনের
ছেলের চিন্তায় নাওয়া খাওয়া ভুলেছে গোটা পরিবার
হাসপাতালের বাইরে কান্নায় ফেটে পড়েছে পরিবারের সদস্যরা
প্রায় ৮ বছর আগে ইরানে গেছিল পরিবারের ৫ সদস্য
শুনানিতেও ডাকা হয়েছিল বিধায়ককে
নতুন দলের নাম হচ্ছে আম জনতা পার্টি
কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ বিধায়কের
তালিকা প্রকাশ হতেই ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ
এক কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে
নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিচ্ছে শাসক শিবির
মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েছেন শিবপুরের BLO
আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে আহত
ভুক্তভোগীর চিৎকারে প্রতিবেশীরা জড়ো হলেও ততক্ষণে এলাকা ছেড়ে পালিয়েছে দুষ্কৃতীরা
SIR প্রক্রিয়া ঘিরে বিতর্ক তুঙ্গে
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর