নিজস্ব প্রতিনিধি , বাঁকুড়া - নির্বাচনের আবহে তপ্ত তালডাংরা। বিজেপির শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ কর্মসূচিতে হামলা ও গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ ঘিরে রবিবার সন্ধ্যায় উত্তপ্ত হয়ে ওঠে তালডাংরা। তৃণমূল - বিজেপি সংঘর্ষে রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় এলাকা। ঘটনায় তৃণমূলের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ।
রবিবার বিকাল থেকেই তালডাংরায় রাজনৈতিক উত্তেজনা চরমে পৌঁছায়। বিজেপির দাবি, শনিবার সন্ধ্যায় তালডাংরা ২ নম্বর মণ্ডল কার্যালয়ের সামনে তৃণমূল কর্মীদের জমায়েত ও গালিগালাজের প্রতিবাদে রবিবার তালডাংরা বাজারে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক দেওয়া হয়েছিল। সেই কর্মসূচিতে যোগ দিতে যাওয়ার সময় বিজেপি কর্মীদের গাড়িতে চড়াও হয়ে ভাঙচুর ও মারধর করা হয় বলে অভিযোগ।
ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পুলিশের বিরুদ্ধে নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ তুলে সন্ধ্যায় দলীয় কর্মীদের নিয়ে বাঁকুড়ার পুলিশ সুপারের দফতরের সামনে অবস্থান-বিক্ষোভে বসেন বিধায়ক নিলাদ্রী শেখর দানা। প্রায় আধঘণ্টা ধরে চলে বিক্ষোভ। দোষীদের গ্রেফতার ও কঠোর শাস্তির দাবিতে সরব হন বিজেপি নেতারা।
পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশের পক্ষ থেকে বিধায়ককে আশ্বাস দেওয়া হলে তিনি অবস্থান বিক্ষোভ তুলে নেন। বিজেপি বিধায়ক নিলাদ্রী শেখর জানান, ' তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা ইচ্ছা করে আমাদের দলীয় কার্যালয়ে হামলা চালিয়েছে। তৃণমূল বুঝে গেছে আগামী নির্বাচনে তালডাংরা এলাকা তৃণমূলের হাতছাড়া হচ্ছে আর সেই কারণেই আমাদের সরানোর চেষ্টা করছে। কিন্তু বিজেপি বিগত ১৫ বছর ধরে মার খাচ্ছে এবার বিজেপি শেষ থেকে ছাড়বে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে। আগামীর নির্বাচনে এই এলাকা থেকে তৃণমূলকে বিদায় করা হবে।'
বিজেপি বিধায়ক আরও বলেন, ' পুলিশ সবকিছু জানা সত্ত্বেও কোনরকম ব্যবস্থা নিচ্ছে না। আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয়। কিন্তু পুলিশ যদি মনে করে ঊর্ধি পড়ে মিথ্যাচার করবে তাহলে তিনি মূর্খের স্বর্গে বাস করছে। আমরা ভারতবর্ষে গণতন্ত্রকে বাঁচানোর জন্য লড়াই করি। আর সেই লড়াই আমরা চালিয়ে যাব।'
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়