নিজস্ব প্রতিনিধি , নদীয়া - ধানতলায় রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হলেন এক কৃষক। জল না পাওয়ায় গোটা ফুলের জমি শুকিয়ে মরছে এমন বিস্ফোরক অভিযোগ ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য। তৃণমূল করার ‘অপরাধে’ ডিপ্টিকল কমিটি ইচ্ছে করে জল বন্ধ করে দিয়েছে বলে অভিযোগ জমির মালিকের। ক্ষতির অংক ছড়িয়েছে কয়েক লক্ষ টাকা।
সূত্রের খবর, ধানতলার পূর্ব ন-পরায় কান্নায় ভেঙে পড়েছেন ফুলচাষি দীপক দাস। তার রজনীগন্ধা ও গাঁদার গোটা ক্ষেত রোদের তাপে শুকিয়ে ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। কৃষকের দাবি, এই ভয়াবহ ক্ষতির মূলে রয়েছে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা। জমির মালিক দীপক দাসের অভিযোগ, ' আমার নিজের জমির যাওয়ার নিচে একটা জমি আছে ওটাও আমারই। আগে আমন জমি ছিল বলে ওটাতে জল দিলে আমার সম্পূর্ণ জমি ভেসে যেতো। তাই পরে আমি আমার জমির নালা আলাদা করে নেই। তখন আমার নামে কমিটির কাছে নালিশ করে। কমিটির লোক এসে তদন্ত করে দেখে বলে আমার জমির জল বন্ধ হবে না।'

জমি মালিকের আরও অভিযোগ, ' কিন্তু পরে আমাকে কমিটির থেকে জানানো হয় যে জল বন্ধ করে দিয়েছে। অন্য সব জমিতে জল দিচ্ছে কিন্তু আমার জমিতে দিচ্ছে না। আমি তৃণমূল পার্টি করি বলে আমার জমিতে জল দেওয়া বন্ধ করে দিয়েছে। আমি অনেকবার অভিযোগ জানিয়েছে কমিটিতে কিন্তু কোনো কাজ হয়নি। শেষে BDO কে জানিয়েছি ওনারা ব্যবস্থা নিচ্ছে বলেছেন।'
ফুলচাষের মৌসুমে রজনীগন্ধা ও গাঁদার বাজারদর সবচেয়ে বেশি থাকে। ঠিক এই সময় জল না পেয়ে শুকিয়ে গেছে শত শত গাছ। ফলে দীপকবাবুর আর্থিক ক্ষতি কয়েক লক্ষ টাকায় দাঁড়িয়েছে। তার কথায়, ' ফুল ছিল আমার একমাত্র ভরসা। এখন মাঠে দাঁড়িয়ে শুধু শুকোনো গাছ দেখছি। আমার সংসার কিভাবে চলবে। আমি সরকারি পরিষেবাও পাই।'
ঘটনায় স্থানীয় কৃষক মহলে ক্ষোভ ছড়িয়েছে। রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে সেচ নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ নতুন নয়, তবে এই ঘটনায় তা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। অভিযোগের ভিত্তিতে এখন কৃষক তাকিয়ে রয়েছেন প্রশাসনের দিকে কর্তৃপক্ষ কি পদক্ষেপ নেবে, তা নিয়েই জল্পনা।
শাসক দলের পাশাপাশি বামেদেরকে নিশানা অমিত শাহের
গোর্খাল্যান্ড না হলে উত্তরবঙ্গকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল করার দাবি গোর্খাবাসীদের
ভারত সরকারের দিকে চেয়ে সুলেখার পরিবার
বাঁকুড়ার পুলিশ সুপারের দফতরের সামনে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি বিধায়করা
লালগোলা–বহরমপুর রাজ্যসড়ক অবরোধ করে প্রতিবাদে নামে তৃণমূল কংগ্রেস
ঘটনায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ
মৃতদের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্যের আশ্বাস সরকারের
রাজ্য সরকারকে তীব্র আক্রমণ নাড্ডার
অনুপ্রবেশ সহ একাধিক ইস্যুতে তৃণমূলকে নিশানা নীতিন নবীনের
ছেলের চিন্তায় নাওয়া খাওয়া ভুলেছে গোটা পরিবার
হাসপাতালের বাইরে কান্নায় ফেটে পড়েছে পরিবারের সদস্যরা
প্রায় ৮ বছর আগে ইরানে গেছিল পরিবারের ৫ সদস্য
শুনানিতেও ডাকা হয়েছিল বিধায়ককে
নতুন দলের নাম হচ্ছে আম জনতা পার্টি
অনিশ্চয়তায় দিন গুনছে গোটা পরিবার
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর