নিজস্ব প্রতিনিধি , দিল্লি - নির্মম - নিষ্ঠুর এক ঘটনার সাক্ষী রাজধানী। ঠাকুমার চোখের সামনে মৃত্যু ৬ বছরের নাতনির। টোটো উল্টে গুরুতর জখম হয়েছিল নাতনি। অনুরোধ করেও কারোর থেকে সাহায্য পাননি। পরে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও বাঁচানো সম্ভব হয়নি। ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে দিল্লিতে। রাজধানীর বাসিন্দাদের মানসিকতা নিয়ে রীতিমত প্রশ্ন উঠছে। ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে পরিবারে।
সূত্রের খবর , ঘটনাটি দিল্লির জনকপুরী এলাকার। ৫৭ বছরের মার্সি জেভিয়ার সঙ্গে টোটো করে যাচ্ছিলেন নাতনি। আচমকা গাড়ির ধাক্কায় রাস্তায় ছিটকে পড়েন। সাময়িক ভাবে অচৈতন্য হয়ে পড়েন তিনি। জ্ঞান ফিরতেই নাতির খোঁজ করেন। আহত হয়েছেন বৃদ্ধাও। এরপর সাহায্যের জন্য আবেদন জানালেও কেউ এগিয়ে আসেনি। পরে একজনের শিশুটিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় তাঁর।
নাতনির মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ ঠাকুমা। তিনি জানিয়েছেন , "ধাক্কা খাওয়ার পর আমিও আহত হই। সাময়িকভাবে অজ্ঞান হয়ে যাই। চোখ খুলতেই দেখি আমার পাশেই রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছে নাতনি। কাছেই দাঁড়িয়ে আমাদের দেখছিল একজন গাড়ি চালক। তাঁকে হাসপাতালে পৌঁছে দেওয়ার জন্য অনুরোধ করি। উলটে গাড়ি নিয়ে পালিয়ে যান। খেয়াল নেই ওই গাড়িটিই আমাদের ধাক্কা মেরেছিল কিনা।"
মৃত শিশুর মা ওই হাসপাতালেই কাজ করেন। কাঁদতে কাঁদতে তিনি বলেছেন , "মায়ের থেকে শুনেছি, দুর্ঘটনার পর ঘটনাস্থলে অনেক মানুষ জরো হয়েছিলেন।কেউ সাহায্য করেননি। শেষ পর্যন্ত খবর পেয়ে আমাদের হাসপাতাল থেকে একজন নার্স ঘটনাস্থলে ছুটে যান। তিনিই হাসপাতালে নিয়ে আসে মেয়েকে। যদিও অনেক দেরি হয়ে গিয়েছিল। চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়েছে ওর।"
বেজায় জটিল মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি
ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ
বেজায় জটিল মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি
চরম দুর্ভোগে যাত্রীরা
সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল ভিডিও
যুদ্ধের কালো মেঘ মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে
ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য থানেতে
ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ
অভিযুক্ত যুবতীর খোঁজে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ
সামনেই রাজ্যসভা নির্বাচন
এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে সতর্কবার্তা
বেজায় চটেছেন যাত্রীরা
ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ
বিচারকের বাসভবনে শুনানি
সংবাদিক বৈঠক করেন দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর