নিজস্ব প্রতিনিধি, দিল্লি - বিশ্বজুড়ে তীব্র জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে। এর জেরে এবার বড়সড় কাটছাঁটের মুখে দেশের বিমান পরিষেবা। আগামী মাস থেকেই অভ্যন্তরীণ রুটের বিমান সংখ্যা এক ধাক্কায় অনেকটা কমিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিমান সংস্থাগুলির এই আকস্মিক সিদ্ধান্তে গ্রীষ্মের ছুটির মরশুমে যাত্রী ভোগান্তি চরম আকার ধারণ করতে পারে। পাশাপাশি ভাড়াও আকাশছোঁয়া হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধকালীন পরিস্থিতির জেরে আন্তর্জাতিক বাজারে বিমান জ্বালানির (ATF) সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে। এই কারণেই মূলত বর্তমান সংকট তৈরি হয়েছে। কলকাতায় প্রতি কিলোলিটার এটিএফের মূল্য এখন আকাশছোঁয়া। এই পরিস্থিতিতে লোকসান এড়াতে বেশ কিছু পরিষেবা আপাতত স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যে সমস্ত রুটে লাভের মুখ দেখা যাচ্ছিল না, সেগুলিই বাতিল করা হচ্ছে। ভারতের শীর্ষ দুই উড্ডয়ন সংস্থা ইন্ডিগো ও এয়ার ইন্ডিয়া এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। জুন থেকে শুরু করে আগামী আগস্ট মাস পর্যন্ত প্রতিদিন অন্তত ২৫০টি দেশীয় বিমান পরিষেবা বাতিল করা হবে।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এয়ার ইন্ডিয়া দেশে প্রতিদিন প্রায় ৫০০টি ডোমেস্টিক ফ্লাইট চালায়। তার মধ্যে তারা প্রায় ২২ শতাংশ অর্থাৎ ১১০টি উড্ডয়ন বন্ধ রাখছে। অন্যদিকে, দৈনিক ২২০০টি ফ্লাইট চালানো ইন্ডিগোও তাদের পরিষেবা ৫ থেকে ৭ শতাংশ কমিয়ে দিচ্ছে। তারাও প্রতিদিন ১১০টি বিমান পরিষেবা বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর ফলে কলকাতা, মুম্বই, দিল্লি, বেঙ্গালুরুর মতো অত্যন্ত ব্যস্ত ও বড় শহরগুলির যাত্রীরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। দিল্লি-গোয়া, মুম্বই-জয়পুর, বেঙ্গালুরু-হায়দরাবাদ, কোচি রুটের মতো একাধিক গুরুত্বপূর্ণ এয়ার রুট এই কাটছাঁটের তালিকায় পড়েছে। তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়া মাত্রই বিমান সংখ্যা পুনরায় আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা হবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
এই নজিরবিহীন পরিস্থিতি নিয়ে বিমান চলাচল বিশেষজ্ঞ ও ট্রাভেল এজেন্টদের একাংশ গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাঁরা জানিয়েছেন, ব্যস্ততম সময়ে একসঙ্গে এত বিমান বাতিল হওয়া অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। এর ফলে মুম্বই, দিল্লি বা কলকাতার মতো মেট্রো শহরগুলির সাধারণ যাত্রীরা চূড়ান্ত ভোগান্তির মুখে পড়বেন। লোকসান সামাল দিতে বিমান সংস্থাগুলি এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর জেরে টিকিটের দাম সাধারণের নাগালের বাইরে চলে যেতে পারে। তাই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অবিলম্বে বেসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রকের এই বিষয়ে হস্তক্ষেপ করা উচিত।
মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে
তারেক রহমানকে চিঠি লিখে দুই দেশের বন্ধুত্ব ও একসঙ্গে কাজ করার কথা জানালেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী
লেবাননে ভারতের মুখ উজ্জ্বল, ইউএন-এর সেরা শান্তিরক্ষকের সম্মান পেলেন মেজর অভিলাষা বারাক
রিপোর্ট নেগেটিভ হলেও মহিলার স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণ অব্যাহত, সতর্কতা জারি সব বিমানবন্দরে
বকরি ইদের আগে কুরবানির ঘটনায় মুসলিম ও হিন্দু গোষ্ঠীর সংঘর্ষ
দুপুর ১২ টা থেকে বিকেল ৪ টে পর্যন্ত সকলকে বাড়িতে থাকার পরামর্শ মোদির
SIR প্রক্রিয়ায় করা মামলায় শীর্ষ আদালতে ধাক্কা তৃণমূলের
স্বস্তি মিলল না বাজারে, আবারও চড়ল সোনার দাম
সৌদি আরবের সাহায্যে এগিয়ে এল পাকিস্তান, চুক্তি মেনে রিয়াদে মোতায়েন হলো পাক সেনা
খাওয়াদাওয়ার মাঝেই রক্তগঙ্গা! তুরস্কের রেস্তরাঁয় বন্দুকবাজের হামলায় নিহত ৪, আহত ৮
ইরানে বিষ্ণু মন্দিরের ইতিহাস জানালেন অমিতাভ বচ্চন
‘ইন্টারনেটের তারেও এবার ভাড়া দেব’! ট্রাম্পের চিনের সফরের পরেই মার্কিন টেক জায়ান্...
জেলেনস্কির বদলা! ৫০০ ড্রোনের ধাক্কায় কাঁপল মস্কো, এক বছরের বড় হামলায় বিপর্যস্ত র...