নিজস্ব প্রতিনিধি, দিল্লি - মধ্যপ্রাচ্যের চরম যুদ্ধ পরিস্থিতির মাঝেই হরমুজ প্রণালীতে সামরিক ও কূটনৈতিক কৌশলের খবর সামনে এসেছে।আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলির একাধিক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, গত কয়েক সপ্তাহে মার্কিন সামরিক বাহিনীর সহায়তায় বহু বাণিজ্যিক জাহাজ গোপনে হরমুজ প্রণালী অতিক্রম করেছে। এর জেরে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, এই তালিকায় কি ভারতীয় পতাকাবাহী জাহাজও রয়েছে কি না।
বিভিন্ন আন্তর্জাতিক স্তরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিগত ৩ সপ্তাহে ইরানকে সম্পূর্ণ অন্ধকারে রেখে অন্তত ৭০টি পণ্যবাহী জাহাজ হরমুজ প্রণালীর সীমান্ত পার হয়ে গিয়েছে। এই সবকটি জাহাজই আমেরিকার সাহায্যে পার হয়েছে। সূত্রের খবর, পারস্য উপসাগরে প্রবেশ ও সেখান থেকে বের হওয়ার জন্য ওয়াশিংটন এক বিশেষ প্রযুক্তিগত কৌশলে এই বাণিজ্যিক তরীগুলোকে পথ দেখাচ্ছে। অভিযানের মূল চাবিকাঠি ছিল জাহাজগুলোর ‘ট্রান্সপন্ডার’ বন্ধ রাখা।
‘ট্রান্সপন্ডার’ হলো এক ধরনের স্বয়ংক্রিয় সংকেত আদান-প্রদানকারী বৈদ্যুতিন যন্ত্র। এটি বন্ধ থাকায় রাডারে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে ইরানি সেনা এই জাহাজগুলোর অবস্থান চিহ্নিত করতে পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে। মার্কিন প্রতিরক্ষা কর্তাদের মতে, তেহরানকে বোকা বানিয়ে এই কাজ করা অত্যন্ত কঠিন ও ঝুঁকিপূর্ণ। সামান্য ভুল হলেই ইরানি বাহিনী টের পেয়ে জাহাজগুলোতে গোলাবর্ষণ শুরু করে দিতে পারে।
তবে এই ৭০টি জাহাজের তালিকায় কোন কোন দেশ রয়েছে ও সেগুলো কোথা থেকে কোথায় গিয়েছে তা খোলসা করেনি পেন্টাগন। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, এই সময়ে একাধিক ভারতীয় জাহাজও ওই পথ ব্যবহার করেছে। তারা মার্কিন সেনার শরণাপন্ন হয়েছিল কি না সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। নরেন্দ্র মোদি সরকারও এই নিয়ে মুখ খোলেনি। তবে কিছুদিন আগে হরমুজে ভারতীয় পতাকাবাহী জাহাজের অবাধ যাতায়াতে এক গোপন কূটনীতির কথা ফাঁস করেছিল কেন্দ্র।
ভারতের জন্য এই জলপথ অত্যন্ত সংবেদনশীল। ভারত সরাসরি ইরান থেকে খুব বেশি তেল আমদানি করে না। তবে ভারতকে নিজের চাহিদার ৮৫ শতাংশের বেশি তেল বাইরে থেকে কিনতে হয়। এই আমদানির প্রায় ৫০ শতাংশই হরমুজ প্রণালী দিয়ে আসে। ইরাক, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি ও কুয়েতের মতো দেশ থেকে দিনে প্রায় ২৫ থেকে ২৭ লক্ষ ব্যারেল তেল আসে। শুধু তাই নয়, ভারতের তরল প্রাকৃতিক গ্যাস বা সিএনজি চাহিদার প্রায় ৬০ শতাংশও এই পথে আমদানি করা হয়। এই কারণে হরমুজ বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জলপথ। মার্কিন কর্তাদের ধারণা, সংশ্লিষ্ট জাহাজগুলো ওমানের কাছাকাছি কোনো রুট ব্যবহার করছে।
জাহাজ ও বন্দর মন্ত্রকের অধীন নৌপরিবহণ বিষয়ক পরিচালক ওপেশকুমার শর্মা বলেন, “হরমুজ প্রণালীতে ভারতীয় জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক রাখতে ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক স্তরে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। তবে নিরাপত্তা সংক্রান্ত কার্যপ্রণালী বা অগ্রাধিকার নির্ধারণের বিষয় নিয়ে আমি কোনও মন্তব্য করব না। আমাদের কাজ বিদেশমন্ত্রকের সঙ্গে সমন্বয় বজায় রাখা।”
সংসার নয়, বইয়ের ভাণ্ডারই হয়ে উঠেছে তাঁর আসল ঠিকানা
বাস্তবে ওয়ার্ক ফ্রম হোম ব্যবস্থার সবচেয়ে বড় সুবিধাভোগী কর্মী নয়
অভিষেকের ওপর হামলার ঘটনায় জাতীয় রাজনীতিতে প্রভাব ফেলেছে
মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে
তারেক রহমানকে চিঠি লিখে দুই দেশের বন্ধুত্ব ও একসঙ্গে কাজ করার কথা জানালেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী
লেবাননে ভারতের মুখ উজ্জ্বল, ইউএন-এর সেরা শান্তিরক্ষকের সম্মান পেলেন মেজর অভিলাষা বারাক
রিপোর্ট নেগেটিভ হলেও মহিলার স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণ অব্যাহত, সতর্কতা জারি সব বিমানবন্দরে
বকরি ইদের আগে কুরবানির ঘটনায় মুসলিম ও হিন্দু গোষ্ঠীর সংঘর্ষ
দুপুর ১২ টা থেকে বিকেল ৪ টে পর্যন্ত সকলকে বাড়িতে থাকার পরামর্শ মোদির
সৌদি আরবের সাহায্যে এগিয়ে এল পাকিস্তান, চুক্তি মেনে রিয়াদে মোতায়েন হলো পাক সেনা
খাওয়াদাওয়ার মাঝেই রক্তগঙ্গা! তুরস্কের রেস্তরাঁয় বন্দুকবাজের হামলায় নিহত ৪, আহত ৮
ইরানে বিষ্ণু মন্দিরের ইতিহাস জানালেন অমিতাভ বচ্চন
‘ইন্টারনেটের তারেও এবার ভাড়া দেব’! ট্রাম্পের চিনের সফরের পরেই মার্কিন টেক জায়ান্...
জেলেনস্কির বদলা! ৫০০ ড্রোনের ধাক্কায় কাঁপল মস্কো, এক বছরের বড় হামলায় বিপর্যস্ত র...