নিজস্ব প্রতিনিধি , উত্তর ২৪ পরগণা - SIR আবহে মধ্যমগ্রামে এক অভূতপূর্ব দৃশ্য। রাতারাতি জনশূন্য হয়ে গেছে মাঠপাড়ার গোটা একটি গ্রাম। ১০০-রও বেশি পরিবারের হঠাৎ উধাও হয়ে যাওয়া ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে পুরসভা এলাকায়।
SIR কি, কেন আর কিভাবে হয় সেটা বোঝার আগেই আতঙ্ক গ্রাস করেছে একাধিক মানুষকে। আর এর সবথেকে বেশি প্রভাব পড়েছে সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় বসবাসকারী মানুষের ওপর। কয়েকদিন ধরেই উত্তর ২৪ পরগনার স্বরূপনগর সীমান্তে বাংলাদেশে ফেরার দীর্ঘ লাইন নজরে আসছিল। ডিটেনশন ক্যাম্পে পাঠানোর ভয়েই বহু অনুপ্রবেশকারী নাকি পিছু হটতে শুরু করেছেন। এই আতঙ্ক এখন ছড়িয়ে পড়েছে মধ্যমগ্রামেও।
মধ্যমগ্রাম পুরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মাঠপাড়া একসময় যেখানে একশোর বেশি পরিবার থাকত, সেখানে এখন নীরবতা ছাড়া কিছুই নেই। স্থানীয়দের দাবি, অধিকাংশ বাসিন্দাই অসংগঠিত কাজ করতেন কেউ কাগজ কুড়োতেন, কেউ বর্জ্য পরিষ্কার করতেন। বহু বছর পশ্চিমবঙ্গে থাকা সত্ত্বেও তারা রেশন, বিদ্যুৎ, বাড়ির সুবিধাসহ সাধারণ নাগরিকদের মতোই সুবিধা ভোগ করতেন। কিন্তু সমস্যা শুরু হয় SIR চালু হতে।
একই পরিবারের নিজের অথবা বাবা - মায়ের কারোর নাম ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম না থাকায় আতঙ্কে রাতারাতি এলাকা ছাড়ছেন তারা। কে কোথায় গিয়েছেন, তা নিশ্চিত করে বলতে পারছেন না কেউই। ফাঁকা গ্রাম ঘিরে প্রশ্ন উঠেছে প্রশাসনিক নিরাপত্তা এবং সীমান্ত এলাকার জনবিন্যাস নিয়ে।
মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে
মুখ্যমন্ত্রীকে সরাসরি আক্রমণ অর্জুন সিংয়ের
আরও বড় আন্দোলনের হুমকি বিরোধীদের
বৈধ নাগরিক হয়েও ডিটেনশন ক্যাম্পে বীরভূমের ৫ যুবক
স্থানীয়দের আশ্বাস উত্তর মালদহের বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মুর
তদন্তে নেমেছে অশোকনগর থানার পুলিশ
সীমান্ত অনুপ্রবেশে বাড়ছে উদ্বেগ
অতিরিক্ত কাজের চাপে অসুস্থ দাবি পরিবারের
বিশালাকার মিছিল নিয়ে ডেপুটেশন কর্মসূচি পালন
৯ ডিসেম্বর কোচবিহারে মুখ্যমন্ত্রীর সভা
আহত হাতিটিকে হাসপাতালে ভর্তি করেছে বন দফতরের কর্মীরা
সরকারকে ইমেল করা হলেও জবাব পায়নি বলে দাবি পরীক্ষার্থীর
ঘটনার তদন্ত শুরু পুলিশের
শাসক দলের কৰ্মসূচিতে যোগদান না করায় মারধরের অভিযোগ
বিশেষ চেকিংয়ের পরেই কেন্দ্রে প্রবেশাধিকার পেয়েছেন পরীক্ষার্থীরা
হামলার কথা স্বীকার ইজরায়েলের
সতর্কতামূলক পদক্ষেপ এয়ারবাসের
সোশ্যাল মিডিয়ায় মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল ভিডিও
বিবৃতি জারি ট্রাম্প প্রশাসনের
আপাত বন্ধ স্কুল-অফিস