নিজস্ব প্রতিনিধি , দিল্লি - পাক গুপ্তচর সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ-সহ চরবৃত্তির অভিযোগে গ্রেফতার করা হল দম্পতিকে। ধৃতেরা হলেন সাহিল ও সামিরা। মোটা টাকার বিনিময়ে প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত তথ্য পাচার করতেন বলে অভিযোগ। শুধু তা-ই নয়, এ দেশের সিমকার্ডও পাকিস্তানে পাচার করেছিলেন। বিষয়টি ঘিরে দেশের নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তার ভাঁজ।
২০২২ সালে সামিরার সঙ্গে সাহিলের বিয়ে হয়। ২০০১ সালে ইন্দিরা গান্ধী ন্যাশনাল ওপেন ইউনিভার্সিটি থেকে স্নাতক হন সাহিল। এরপর এক আইনজীবীর সঙ্গে কাজ শুরু করেছিলেন তিনি। আইন নিয়ে পড়াশোনার প্রস্তুতিও নিচ্ছিলেন। তবে ২০২৫ সালে সেই চাকরি ছেড়ে দেন। অন্যদিকে, সামিরা একটি কল সেন্টারে কাজ করতেন। তদন্তকারীদের দাবি, ২০২৪ সালে ইনস্টাগ্রামের মাধ্যমে সাহিলের সঙ্গে পাকিস্তানের এক এজেন্টের যোগাযোগ হয়। সামিরাই সেই যোগাযোগ তৈরি করে দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ।
এরপর পাক হ্যান্ডলারদের সঙ্গে সাহিলের যোগাযোগ বাড়তে থাকে। ভারতের গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল তথ্য সংগ্রহের জন্য তাঁকে ব্যবহার করা হচ্ছিল বলে দাবি তদন্তকারীদের। পুলিশের অভিযোগ, ২০২৪ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে IT ভারতীয় সিমকার্ড দুবাই হয়ে পাকিস্তানে পাঠানো হয়েছিল। এর বিনিময়ে পাক হ্যান্ডলারদের কাছ থেকে প্রায় ৩০ হাজার টাকা পেয়েছিলেন দম্পতি। পাকিস্তানে পৌঁছনোর পর ওই সিমকার্ড ব্যবহার করে একাধিক হোয়াট্সঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট খোলা হয় বলে তদন্তে উঠে এসেছে। সেই অ্যাকাউন্টগুলি পাকিস্তানি গোয়েন্দারা পরিচালনা করতেন বলে দাবি পুলিশের।
ওই হোয়াট্সঅ্যাপ অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে ভারতের বিভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করা হত বলে তদন্তকারীদের দাবি। তাঁদের কাজে লাগিয়ে দেশের গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা চলত। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ঘুরে ছবি তোলা ও তথ্য জোগাড়ের অভিযোগও উঠেছে। সেনার গতিবিধি ও জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত তথ্য বাইরে পাঠানো হয়েছিল কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তকারী সূত্রের আরও দাবি, পাকিস্তানি হ্যান্ডলাররা এনক্রিপ্টেড অ্যাপের মাধ্যমে ভারতে যোগাযোগ রাখতেন।
স্লিপার সেল ও ওভারগ্রাউন্ড ওয়ার্কারদের সঙ্গেও নিয়মিত বার্তা আদানপ্রদান চলত। চরবৃত্তির কাজে নতুন লোক নিয়োগের দায়িত্বও সাহিল ও সামিরাকে দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ। ফলে তাঁদের মাধ্যমে আরও কেউ এই নেটওয়ার্কে যুক্ত হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। সরাই কালে খান এলাকার চাঁদ বিবি ক্যাম্প থেকে সাহিলকে গ্রেফতার করে দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল। তাঁর ফোন পরীক্ষা করে পাক হ্যান্ডলারদের সঙ্গে কথোপকথনের সন্ধান পাওয়া যায় বলে জানা গেছে।
সেই সূত্র ধরেই সামিরার ভূমিকার বিষয়টি সামনে আসে। পরে তাঁকেও গ্রেফতার করা হয়। তদন্তকারীদের দাবি, দম্পতির সঙ্গে যোগাযোগ রাখা পাকিস্তানি এজেন্টদের পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে। তাঁদের মাধ্যমে ঠিক কী ধরনের তথ্য বাইরে গিয়েছে, তারও খোঁজ চলছে। একই সঙ্গে সিমকার্ড পাচারের পুরো প্রক্রিয়ায় আর কারা যুক্ত ছিল, তা জানতে তদন্ত চালাচ্ছে দিল্লি পুলিশ।
স্যাটেলাইট ম্যাপিং থেকে প্যানেলের লেআউট হিসাবের জন্য একটাই প্ল্যাটফর্ম
রাহুলের অভিযোগের জবাবে ওয়েবসাইট, বিজেপির বিরুদ্ধে পালটা অভিযোগ হাত শিবিরের
২২ হাজার কোটির ঋণ মেটাতে সাড়ে ৬ কোটি! সুভাষের স্বস্তির পরেই মালিয়ার পোস্ট
পুণের অনুষ্ঠানে পিতৃতন্ত্র নিয়ে রাহুলের মন্তব্য, বক্তব্য বিকৃত করার অভিযোগ নাজিয়ার
৫০০-র পথে মৃতের সংখ্যা, ১৫০০ নিখোঁজ, দেহ সংরক্ষণেও ফুরোচ্ছে সময়
সম্পর্ক ভাঙার পর মানসিকভাবে ঘুরে দাঁড়ানোর সময় দেওয়া হল কর্মীদের
কাংপোকপিতে গুলি চালিয়ে হত্যার অভিযোগ, শান্তি ফেরানো নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ
পুলিশের হাতে ধরা পড়ে অভিযুক্ত যুবক
পরিবেশ সচেতনতা আর গোরক্ষা বার্তার মেলবন্ধন
শরীরের আরও একাধিক অংশে গুরুতর আঘাত রয়েছে
হড়পা বানে নিখোঁজ শত শত যাত্রী
৩১ জনের মৃত্যু, নিখোঁজ ১০৫ ভারতীয়-সহ ৪০০ কৈলাসযাত্রী
দল ভাঙলেও মেঘালয়ে এখনও বিরোধী তকমা, উপনির্বাচনে প্রার্থীও দিতে পারেনি তৃণমূল
মানচিত্রে নতুন পরিচয়, ২১টি এলাকা-সহ ৪ গিরিপথ ও হ্রদও তালিকায়
সেনেটে পাস রাশিয়া-বিরোধী বিল, চিন-ভারত-জাপান-সহ একাধিক দেশকে ঘিরে বাড়ছে চাপ
জেদ্দায় যৌথ সমঝোতার জল্পনা, ভারত-পাক সংঘাত হলে বদলাতে পারে কূটনৈতিক হিসাব
কমবয়সিদের নিরাপত্তায় আদালতের রায়
দুই ভারতীয় নৌকর্মীর মৃত্যু, হরমুজ প্রণালী দিয়ে উদ্বেগ কেন্দ্রের