নিজস্ব প্রতিনিধি , মুর্শিদাবাদ - মাদক দ্রব্য রেখে রাতের অন্ধকারে স্কুল শিক্ষককে ফাঁসাতে গিয়ে হাতেনাতে ধরা পড়লো পুলিশ।এই ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে মুর্শিদাবাদ জেলার লালগোলা এলাকায়।অভিযুক্ত পুলিশ কর্মীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে জেলা প্রশাসনের কাছে আবেদন জানিয়েছিল গ্রামবাসীরা।গোটা ঘটনার জেরে গ্রেফতার করা হয়েছে ২ পুলিশ কর্মীকে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে , সোমবার গভীররাতে লালগোলা থানার ওসি সহ ১ সিভিক ভলান্টিয়ার শিক্ষক মানজারুল হোসেনের বাড়িতে হানা দেয় ।অভিযোগ,সেই সময় শিক্ষকের বাড়িতে তিন প্যাকেট মাদক দ্রব্য রেখে তাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করে অভিযুক্ত পুলিশকর্মী।এই ঘটনা হাতেনাতে ধরে ফেলেন শিক্ষক মানজারুল হোসেন। শিক্ষকের চিৎকারে স্থানীয় বাসিন্দারা তড়িঘড়ি নিজেদের বাড়ি থেকে ছুটে আসেন। অভিযুক্ত ২ পুলিশকর্মীকে আটকে রেখে তুমুল বিক্ষোভ শুরু করেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে লালগোলা থানার বিরাট পুলিশবাহিনী।উচ্চপদস্থ পুলিশ আধিকারিকের আশ্বাসে গোটা ঘটনার নিস্পত্তি হয়।

শিক্ষক মানজারুলের স্ত্রী সমিতা হোসেন জানিয়েছেন ,"আমরা কোনোদিনও আইনভঙ্গ করিনি।কেন হঠাৎ পুলিশ এভাবে বাড়ির মধ্যে ঢুকে পড়ল তা আমরা বুঝতে পারছি না।আমার স্বামী অত্যন্ত সৎ,শান্ত স্বভাবের। তার বিরুদ্ধে কোনোদিনও অভিযোগ আসেনি।তবুও ঘরে ঢুকে আমাদের ভয় দেখানোর চেষ্টা করেছে।কোনো ব্যক্তিগত স্বার্থ পূরণের জন্যেই আমার স্বামীর বিরুদ্ধে এই অভিযোগ আনার চেষ্টা করা হয়েছে।"
তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক মহম্মদ আলী জানিয়েছেন , "মানজারুল ভাইয়ের গ্রামের সকলকে বুক ভরা ভালোবাসা।জনগণ দেখিয়েছে সকলে একত্রিত হওয়ার ক্ষমতা কি হতে পারে।সে যত বড়োই ওসি হোক ,যত বড়োই ভলান্টিয়ার হোক।আইন সকলের জন্যেই সমান হওয়া উচিত।রক্ষক যেন ভক্ষক না হয়ে ওঠে তার সিদ্ধান্ত এখন থেকে জনগণকেই নিতে হবে। "
শাসক দলের পাশাপাশি বামেদেরকে নিশানা অমিত শাহের
গোর্খাল্যান্ড না হলে উত্তরবঙ্গকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল করার দাবি গোর্খাবাসীদের
ভারত সরকারের দিকে চেয়ে সুলেখার পরিবার
বাঁকুড়ার পুলিশ সুপারের দফতরের সামনে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি বিধায়করা
লালগোলা–বহরমপুর রাজ্যসড়ক অবরোধ করে প্রতিবাদে নামে তৃণমূল কংগ্রেস
ঘটনায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ
মৃতদের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্যের আশ্বাস সরকারের
রাজ্য সরকারকে তীব্র আক্রমণ নাড্ডার
অনুপ্রবেশ সহ একাধিক ইস্যুতে তৃণমূলকে নিশানা নীতিন নবীনের
ছেলের চিন্তায় নাওয়া খাওয়া ভুলেছে গোটা পরিবার
হাসপাতালের বাইরে কান্নায় ফেটে পড়েছে পরিবারের সদস্যরা
প্রায় ৮ বছর আগে ইরানে গেছিল পরিবারের ৫ সদস্য
শুনানিতেও ডাকা হয়েছিল বিধায়ককে
নতুন দলের নাম হচ্ছে আম জনতা পার্টি
অনিশ্চয়তায় দিন গুনছে গোটা পরিবার
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর