নিজস্ব প্রতিনিধি , পূর্ব মেদিনীপুর - রামনগর বিধানসভা কেন্দ্রে ফের দলবিরোধী কার্যকলাপের অভিযোগে শোকজ করা হল তৃণমূল কংগ্রেসের তিন নেতাকে। রামনগর ১ ব্লকের এই নেতাদের বিরুদ্ধে স্থানীয় বিধায়কের বিরুদ্ধে লাগাতার কটাক্ষ , দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ সহ সংগঠনের সিদ্ধান্তের প্রতি অবজ্ঞার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনায় রীতিমতো অস্বস্তিতে শাসকদলের জেলা নেতৃত্ব।
সূত্রের খবর , যেভাবে স্থানীয় বিধায়কের বিরুদ্ধে তাঁদের “বহিরাগত” সহ “পরিযায়ী” বলে আক্রমণ করা হয়েছে , তা একেবারেই মেনে নিতে পারছে না জেলা তৃণমূল কংগ্রেস। অভিযোগ , দলের নীতির তোয়াক্কা না করে এরা এককভাবে কাজ করছেন। এমনকি জনমানসে নেতিবাচক বার্তা দিচ্ছেন। জেলা নেতৃত্বের নির্দেশে শোকজ হওয়া তিন নেতার নাম হল - সুশান্ত পাত্র , তমালতরু দাসমহাপাত্র , কৌশিক বারিক।
দীর্ঘদিন ধরেই এদের বিরুদ্ধে দলের অন্দরে ক্ষোভ জমা ছিল। সম্প্রতি কিছু ঘটনায় তা চরমে পৌঁছায়। এরপরই জেলা নেতৃত্ব চূড়ান্ত পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হয়।এই বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে শোকজপ্রাপ্ত তিন নেতার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তারা ফোনে বা অন্য কোনও মাধ্যমে সাড়া দেননি। তাদের তরফ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়াও পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে এই শোকজ নিয়ে তীব্র চর্চা শুরু হয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ মনে করছেন , এই ঘটনায় দলের অভ্যন্তরীণ অসন্তোষ আরও প্রকাশ্যে চলে এল। আবার অনেকের মতে , আসন্ন পঞ্চায়েত সহ লোকসভা নির্বাচনের আগে সংগঠনে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতেই এই কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে তৃণমূল নেতৃত্ব।
এ প্রসঙ্গে পূর্ব মেদিনীপুর জেলা তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি পীযুষ পণ্ডা জানান , “ঘটনাটি সত্যি। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে এখনও পর্যন্ত আমি কোনও চিঠি হাতে পাইনি। চিঠি এলে বিস্তারিত জানাতে পারব।”
শাসক দলের পাশাপাশি বামেদেরকে নিশানা অমিত শাহের
গোর্খাল্যান্ড না হলে উত্তরবঙ্গকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল করার দাবি গোর্খাবাসীদের
ভারত সরকারের দিকে চেয়ে সুলেখার পরিবার
বাঁকুড়ার পুলিশ সুপারের দফতরের সামনে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি বিধায়করা
লালগোলা–বহরমপুর রাজ্যসড়ক অবরোধ করে প্রতিবাদে নামে তৃণমূল কংগ্রেস
ঘটনায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ
মৃতদের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্যের আশ্বাস সরকারের
রাজ্য সরকারকে তীব্র আক্রমণ নাড্ডার
অনুপ্রবেশ সহ একাধিক ইস্যুতে তৃণমূলকে নিশানা নীতিন নবীনের
ছেলের চিন্তায় নাওয়া খাওয়া ভুলেছে গোটা পরিবার
হাসপাতালের বাইরে কান্নায় ফেটে পড়েছে পরিবারের সদস্যরা
প্রায় ৮ বছর আগে ইরানে গেছিল পরিবারের ৫ সদস্য
শুনানিতেও ডাকা হয়েছিল বিধায়ককে
নতুন দলের নাম হচ্ছে আম জনতা পার্টি
অনিশ্চয়তায় দিন গুনছে গোটা পরিবার
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর