নিজস্ব প্রতিনিধি , বাঁকুড়া - অসুস্থ সন্তানের ওষুধ আনতে গিয়ে নড়বড়ে বাঁশের সাঁকো থেকে পড়ে মৃত্যু যুবকের। ওই ব্যক্তির নাম সঞ্জয় ঘোষ(৩৪)। বাড়ি ইন্দাসের ভগবতীপুর এলাকায়। খবর পেয়ে পুলিশ দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠায়। মর্মান্তিক এই ঘটনায় এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে , গ্রামে যোগাযোগ ব্যবস্থার একমাত্র পথের মাঝেই রয়েছে শালী নদী। দীর্ঘদিন ধরে পাকা সেতু নির্মাণের জন্য প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েও কোনও সুরাহা হয়নি। ফলে গ্রামবাসীদের ভরসা বিপজ্জনক অস্থায়ী কাঠামো। শুক্রবার রাতে সঞ্জয় ঘোষ বাইক নিয়ে রসুলপুর বাজারে ওষুধ কিনে ফেরার সময় ওই সেতু থেকে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে প্রায় ৩৫ ফুট নিচে নদীগর্ভে পড়ে যান। পরে জেলেরা দেখতে পেয়ে তাঁর বাড়িতে খবর দেন।

ঘটনাপ্রসঙ্গে স্থানীয় বাসিন্দা রামপ্রসাদ ঘোষ জানান, 'আমরা খবর পেয়ে এসে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখি। শিশির জমে বাঁশ পিচ্ছিল হয়ে যাওয়াতেই এমন বিপর্যয়। কংক্রিটের ব্রিজ থাকলে আজ এই মৃত্যু ঘটত না। আগেও বহুবার অনেকে পড়ে গিয়ে হাত, পা ভেঙেছে। বহুবার স্থায়ী কাঠামোর আবেদন করেও, কোন কাজ হয়নি। গ্রামবাসীদের শুধুমাত্র একটাই দাবি - পাকা সেতুর, যাতে ভবিষ্যতে এরকম পরিণতি কারো না হয়'।
স্থানীয় অধিবাসী তারাপদ ঘোষ জানান, 'বর্ষাকাল এলেই সাঁকো ভেঙে যায়। তখন পাঁচ-ছয় মাস নৌকাই ভরসা। পড়াশোনা, চিকিৎসা কিংবা দৈনন্দিন প্রয়োজনে এই পথই একমাত্র অবলম্বন। বহুবার আবেদন করেও একটা পাকা ব্রিজ গড়ে ওঠেনি। ভোট এলেই নেতাদের দেখা মেলে, তারপর আর কেউ খোঁজ নেয় না। বহুবার আশ্বাস পাওয়ার পরেও, বাস্তবে কিছুই বদলায়নি'।
অন্য বাসিন্দা তুলসী বাগদি জানান, 'রোজগারের তাগিদে প্রতিদিনই এই পথ পেরিয়ে কাজে যেতে হয়। নিজেদের জমিজমা নেই, অন্যের জমিতে শ্রম দিয়েই সংসার চলে। যাতায়াত ব্যবস্থার দুরাবস্থায় সময়মতো কাজে পৌঁছতে পারি না। একদিন অনুপস্থিত থাকলে পরিবার চালানো কঠিন হয়ে পড়ে। স্থায়ী সেতু ছাড়া ছেলেমেয়ে নিয়ে আমাদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত'।
শাসক দলের পাশাপাশি বামেদেরকে নিশানা অমিত শাহের
গোর্খাল্যান্ড না হলে উত্তরবঙ্গকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল করার দাবি গোর্খাবাসীদের
ভারত সরকারের দিকে চেয়ে সুলেখার পরিবার
বাঁকুড়ার পুলিশ সুপারের দফতরের সামনে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি বিধায়করা
লালগোলা–বহরমপুর রাজ্যসড়ক অবরোধ করে প্রতিবাদে নামে তৃণমূল কংগ্রেস
ঘটনায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ
মৃতদের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্যের আশ্বাস সরকারের
রাজ্য সরকারকে তীব্র আক্রমণ নাড্ডার
অনুপ্রবেশ সহ একাধিক ইস্যুতে তৃণমূলকে নিশানা নীতিন নবীনের
ছেলের চিন্তায় নাওয়া খাওয়া ভুলেছে গোটা পরিবার
হাসপাতালের বাইরে কান্নায় ফেটে পড়েছে পরিবারের সদস্যরা
প্রায় ৮ বছর আগে ইরানে গেছিল পরিবারের ৫ সদস্য
শুনানিতেও ডাকা হয়েছিল বিধায়ককে
নতুন দলের নাম হচ্ছে আম জনতা পার্টি
অনিশ্চয়তায় দিন গুনছে গোটা পরিবার
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর