নিজস্ব প্রতিনিধি , মালদহ - রাস্তাঘাটের বেহাল দশা যে কীভাবে জীবনের ঝুঁকি বাড়ায়, তার জ্বলন্ত প্রমাণ এই ঘটনা। প্রসব বেদনায় কাতর এক মহিলাকে গ্রাম থেকে হাসপাতালে পৌঁছনোর জন্য অ্যাম্বুল্যান্সও ঢুকতে পারেনি। শেষমেশ গ্রামবাসীরাই খাটিয়ায় তুলে নিয়ে গেলেন মা ও সদ্যজাতকে নিকটবর্তী স্বাস্থ্যকেন্দ্রে।
সূত্রের খবর, মালদহের হবিবপুর ব্লকের ভারত বাংলাদেশ সীমান্তের পেট্রলগড় গ্রামে ফের প্রকাশ্যে এল বেহাল রাস্তার সমস্যা। বৃহস্পতিবার রাতে প্রসব যন্ত্রণায় কাতর হন গ্রামের বাসিন্দা অনিতা হাসদা। স্বামী সঞ্জীব সোরেন তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে চান। কিন্তু গ্রাম পর্যন্ত অ্যাম্বুল্যান্স পৌঁছতে পারেনি। রাস্তায় বড় গর্ত, কাদা আর ভাঙাচোরা পথের জন্য গাড়ি ঢোকানোই সম্ভব হয়নি।অবশেষে গ্রামবাসীরা খাটিয়ায় করে অনিতাকে নিয়ে যান বর্ডার রোড পর্যন্ত। তার আগেই বাড়িতেই জন্ম নেয় পুত্রসন্তান। পরে মা ও নবজাতককে বুলবুলচন্ডী আর এন রায় গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে দু’জনেই স্থিতিশীল আছেন বলে হাসপাতাল তরফে জানানো হয়েছে।
এমন ঘটনা এখানকার মানুষের কাছে নতুন নয়। কয়েক সপ্তাহ আগেও একই গ্রামে এক বৃদ্ধাকে খাটিয়ায় করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছিল। তখনও রাস্তার অবস্থা নিয়ে অভিযোগ উঠেছিল, কিন্তু তেমন কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।এই ঘটনার পর শুক্রবার স্থানীয়রা লিখিতভাবে ব্লক প্রশাসনের কাছে দ্রুত রাস্তা সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন। বিষয়টি ঘিরে শাসক দল ও বিরোধীদের মধ্যে রাজনৈতিক তরজাও শুরু হয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া ভিডিওর সত্যতা এখনও স্বতন্ত্রভাবে যাচাই করা হয়নি, তবে বারবার এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি সীমান্ত এলাকার দুরবস্থাকেই স্পষ্ট করে দিচ্ছে।
মালদহ জেলার এক গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য ঘটনার প্রসঙ্গে কটাক্ষ করে বলেন, “উত্তর খুঁজুন সাংসদের কাছে। যারা কেন্দ্রের টাকা আটকে সাধারণ মানুষকে হেনস্থা করছেন, গাদা গাদা ভোট নিয়ে বসে থাকেন অথচ ১০০ দিনের কাজের টাকা, এসআরডির টাকা বন্ধ করে রেখেছেন। বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু ওই এলাকার অমীমাংসিত নেতা, তাঁর কাছে যান, জিজ্ঞেস করুন তিনি কী করছেন। ঘটনা অবশ্যই দুঃখজনক। পঞ্চায়েত থেকে আমরা যতটা সম্ভব দেখছি, তবে এটি পঞ্চায়েত সমিতি, বিধায়ক ও সাংসদের দায়িত্বের মধ্যেই পড়ে। তাই তাঁদেরও এগিয়ে আসা উচিত।”

অন্যদিকে, উত্তরের বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু জানান, “আমি অবশ্যই সেখানে যাব এবং কীভাবে এই দুরবস্থা দূর করা যায়, তা নিয়ে জেলা শাসক ও পঞ্চায়েত প্রধানের সঙ্গে কথা বলব। যেকোনো রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি থাকুক, সমস্যা নেই। জনপ্রতিনিধিদের সহায়তায় সমাধানের চেষ্টা করব। ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির প্রতি আমার গভীর সমবেদনা রইল।”

সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়