নিজস্ব প্রতিনিধি , হুগলী - পুজোর আগে উত্তরপাড়া কেঁপে উঠল রক্তাক্ত সকালে।নেশা মুক্তি কেন্দ্রেই ঘটল নৃশংস খুন। কেন্দ্রের কর্ণধারকে কেন্দ্রেরই ভেতরে শিলনোড়া দিয়ে মাথা থেঁতলে দিল দুই আবাসিক। ঘটনাস্থলেই রক্তের বন্যা। আতঙ্ক ছড়ায় এলাকাজুড়ে।

সূত্রের খবর, হুগলী জেলার উত্তরপাড়া শহরে শুক্রবার ভোরে ঘটে গেল এক নৃশংস হত্যাকাণ্ড। ১১ নম্বর ওয়ার্ডের শান্তিনগর এলাকায় অবস্থিত ‘টাইম টু চেঞ্জ’ নামে নেশা মুক্তি কেন্দ্রের মালিক মদন রানাকে শিলনোড়া দিয়ে মাথা থেঁতলে খুন করে পলাতক দুই আবাসিক। ঘটনায় গুরুতর আহত হন আরও এক আবাসিক। অভিযোগ, পুজোর আগে বাড়ি যাওয়ার অনুমতি চেয়েছিল ওই দুই আবাসিক। মদন রানা রাজি না হওয়ায় বৃহস্পতিবার রাত থেকেই বচসা চলছিল। শুক্রবার ভোরে রান্নাঘরের চাবি খুলে শিলনোড়া নিয়ে মদনের ঘরে ঢুকে হামলা চালায় তারা। রক্তাক্ত অবস্থায় মদন রানাকে উদ্ধার করে উত্তরপাড়া স্টেট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, কিন্তু চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

মদন রানা উত্তরপাড়ার ১১ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর সারথী গোলদারের প্রাক্তন স্বামী। দুজনের মধ্যে আইনি বিচ্ছেদ হয়েছে অনেক দিন আগে। মদনের বিরুদ্ধে অতীতে প্রতারণার অভিযোগে গ্রেফতারির ঘটনাও রয়েছে। তিনি নিজেও একসময় নেশাগ্রস্ত ছিলেন। পাঁচ বছর আগে বাড়ি ভাড়া নিয়ে এই নেশা মুক্তি কেন্দ্র চালু করেন তিনি।
ঘটনার খবর পেয়ে মদনের মা ও বোন কেন্দ্রে পৌঁছন। ইতিমধ্যেই সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখছে উত্তরপাড়া থানার পুলিশ। অভিযুক্ত দুই আবাসিকের বাড়ি দমদমের বেলঘড়িয়া এলাকায় বলে জানা গেছে। তাদের গ্রেফতারের জন্য জোরদার তল্লাশি চলছে।

নেশা মুক্তি কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন এক রোগী সন্তোষ কুমার রায় জানান, “সকাল ৬ টা নাগাদ বন্ধ দরজার ভেতর থেকে খুব জোরে শব্দ শুনতে পেয়ে ছুটে যাই। দেখি দরজা বন্ধ, এরপর কিছু ছেলে নিয়ে দরজা ভেঙে দেখলাম দাদার মুখ চাদরে ঢাকা। চাদর সরিয়ে দেখি মাথা মুখ ফেটে রক্তাক্ত অবস্থায় পরে আছে।অভিযুক্ত হিসেবে তিনি দুজন ব্যক্তির নাম উল্লেখ করে তার মধ্যে একজন স্বপন বারুই ও অন্যজন সানি ।” এরপর তাদের ও মাথায় আঘাত করে সেখান থেকে বেরিয়ে যায় অভিযুক্ত দুই ব্যক্তি। তিনি জানান, “এমন ঘটনা আগে কোনদিন ঘটেনি। আমরা যথেষ্ট আতঙ্কে রয়েছি।”

আবাসনের সদস্য অভিজিৎ মণ্ডল জানান, “ভোর ৬ তার দিকে আমাদের আবাসনের রান্নাঘর খোলা হয়। অভিযুক্তরা সেখান থেকে চাবি নিয়ে উপরে উঠে যায়। এরপর আরও ১৯-২০ জন ছেলেকে বাইরে থেকে তালা মেরে ওরা এই কাণ্ড ঘটিয়েছে। পরে দুর্ঘটনার আঁচ পেয়ে সবাই মিলে দরজা ভাঙতেই দেখি অর্ধমৃত অবস্থায় পড়ে রয়েছে উনি। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরেই মারা যায়।”
তৃণমূলের নির্দেশেই এই বিক্ষোভ বলে অভিযোগ বিজেপির
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়