নিজস্ব প্রতিনিধি , লখনউ - নেপালের ভয়াবহ হড়পা বানের প্রভাব পড়ল এবার সীমান্ত পেরিয়ে ভারতের মাটিতেও। প্রবল জলস্রোতে নেপাল থেকে নীচের দিকে ভেসে আসছে জল ও ধ্বংসাবশেষ। তার সঙ্গে এল একাধিক মৃতদেহও। পরিস্থিতির দিকে নজর রেখে উত্তরপ্রদেশের সীমান্তবর্তী এলাকাগুলিতে সতর্ক রয়েছে প্রশাসন।
গত বুধবার নেপাল-তিব্বত সীমান্তবর্তী এলাকায় ভয়াবহ হড়পা বান নামে। প্রবল স্রোতে বহু এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। নদীর জল নীচের দিকে নেমে আসার সময় তার সঙ্গে বিপুল পরিমাণ ধ্বংসাবশেষও ভেসে যায়। নেপাল থেকে বিহার ও উত্তরপ্রদেশের দিকে একাধিক নদী প্রবাহিত হওয়ায় আগেই এই দুই রাজ্যে সতর্কতা জারি করা হয়েছিল।এর মধ্যেই শুক্রবার উত্তরপ্রদেশের মহারাজগঞ্জ ও কুশীনগর জেলার নদী থেকে ৭টি দেহ উদ্ধার হয়েছে।
প্রাথমিকভাবে তদন্তকারীদের অনুমান, নেপালের হড়পা বানে ভেসে যাওয়া দেহগুলিই নদীর স্রোতে ভারতে পৌঁছেছে। তবে এখনও পর্যন্ত কোনও দেহের পরিচয় নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। নেপালের বিপর্যয়স্থল থেকে উত্তরপ্রদেশের উদ্ধারস্থলের দূরত্ব প্রায় ২০০ কিলোমিটার। এদিনের বিপর্যয়ের পর প্রবল জলধারা নদীপথ ধরে নীচের দিকে এগিয়ে আসে। সেই স্রোতের টানেই মৃতদেহ ও ধ্বংসাবশেষ এতটা দূর পর্যন্ত চলে এসেছে বলে মনে করা হচ্ছে। মহারাজগঞ্জ ও কুশীনগর নেপালের চিতওয়ান এলাকার কাছাকাছি। চিতওয়ানেও বুধবার হড়পা বানের ব্যাপক প্রভাব পড়েছিল।
মহারাজগঞ্জের জেলাশাসক গৌরব সিং সোগরওয়াল জানান, বৃহস্পতিবার জেলায় চারটি অজ্ঞাতপরিচয় দেহ উদ্ধার করা হয়েছিল। পরে আরও দেহ উদ্ধারের খবর সামনে আসে। সবকটি দেহের পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে। নেপালে নিখোঁজ ব্যক্তিদের তালিকার সঙ্গে উদ্ধার হওয়া দেহগুলির তথ্য মিলিয়ে দেখা হতে পারে। এদিকে সীমান্তবর্তী নদীগুলিতে নজরদারি বাড়িয়েছে প্রশাসন। নতুন করে কোনও দেহ বা ধ্বংসাবশেষ ভেসে আসছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
উদ্ধার হওয়া দেহগুলি নেপালের বিপর্যয়ের সঙ্গে যুক্ত কি না, তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করা হতে পারে। পরিচয় শনাক্ত হলে নেপালের নিখোঁজদের সন্ধানেও তা গুরুত্বপূর্ণ সূত্র হয়ে উঠতে পারে। শুধু ভারতেই নয়, নেপালের বিভিন্ন এলাকাতেও নদী থেকে একের পর এক দেহ উদ্ধার হচ্ছে। নুয়াকোট, ধাদিং, চিতওয়ান ও নাওয়ালপরাসি ইস্টে মৃতদেহ উদ্ধারের খবর মিলেছে। প্রবল স্রোতে দেহ এক এলাকা থেকে অন্যত্র চলে যাওয়ায় নিখোঁজদের খোঁজ করা আরও কঠিন হয়ে পড়েছে।
এদিকে নেপালের বিপর্যয়ে মৃতের সংখ্যাও বেড়ে চলেছে। সর্বশেষ হিসাবে, বন্যা ও হড়পা বানে সে দেশে ৫৪৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। তিব্বতে আরও ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। নেপালের ডিজ়াস্টার ম্যানেজমেন্ট অথরিটির হিসাবে, নিখোঁজ ৯৭৭ জন। অন্য দিকে, চিনের সরকারি নিয়ন্ত্রিত সংবাদমাধ্যমের দাবি, মৃতের সংখ্যা ৫৫২। দুই দেশ মিলিয়ে এখনও দেড় হাজারের বেশি মানুষের খোঁজ নেই।
ফলে নেপালের বিপর্যয়ের প্রভাব সীমান্ত পেরিয়ে ভারতের নদীপথেও পৌঁছে যাওয়ায় উদ্বেগ বাড়ছে। উত্তরপ্রদেশে উদ্ধার হওয়া দেহগুলি কার, সেই রহস্যের সমাধানেই এখন নজর প্রশাসনের। পাশাপাশি নদীর জলস্তর ও নতুন করে ভেসে আসা ধ্বংসাবশেষের উপরও নজর রাখা হচ্ছে।
গোপন প্রেম জানতেন তরুণী! খুনের হুমকির অভিযোগে খান স্যরের বিরুদ্ধে পাটনায় এফআইআর
দুবাই হয়ে পাকিস্তানে ৮টি সিম পাচারের দাবি, তদন্তে উঠে এল পাক হ্যান্ডলারদের যোগাযোগ
স্যাটেলাইট ম্যাপিং থেকে প্যানেলের লেআউট হিসাবের জন্য একটাই প্ল্যাটফর্ম
রাহুলের অভিযোগের জবাবে ওয়েবসাইট, বিজেপির বিরুদ্ধে পালটা অভিযোগ হাত শিবিরের
২২ হাজার কোটির ঋণ মেটাতে সাড়ে ৬ কোটি! সুভাষের স্বস্তির পরেই মালিয়ার পোস্ট
পুণের অনুষ্ঠানে পিতৃতন্ত্র নিয়ে রাহুলের মন্তব্য, বক্তব্য বিকৃত করার অভিযোগ নাজিয়ার
৫০০-র পথে মৃতের সংখ্যা, ১৫০০ নিখোঁজ, দেহ সংরক্ষণেও ফুরোচ্ছে সময়
সম্পর্ক ভাঙার পর মানসিকভাবে ঘুরে দাঁড়ানোর সময় দেওয়া হল কর্মীদের
কাংপোকপিতে গুলি চালিয়ে হত্যার অভিযোগ, শান্তি ফেরানো নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ
পুলিশের হাতে ধরা পড়ে অভিযুক্ত যুবক
পরিবেশ সচেতনতা আর গোরক্ষা বার্তার মেলবন্ধন
শরীরের আরও একাধিক অংশে গুরুতর আঘাত রয়েছে
হড়পা বানে নিখোঁজ শত শত যাত্রী
৩১ জনের মৃত্যু, নিখোঁজ ১০৫ ভারতীয়-সহ ৪০০ কৈলাসযাত্রী
মানচিত্রে নতুন পরিচয়, ২১টি এলাকা-সহ ৪ গিরিপথ ও হ্রদও তালিকায়
সেনেটে পাস রাশিয়া-বিরোধী বিল, চিন-ভারত-জাপান-সহ একাধিক দেশকে ঘিরে বাড়ছে চাপ
জেদ্দায় যৌথ সমঝোতার জল্পনা, ভারত-পাক সংঘাত হলে বদলাতে পারে কূটনৈতিক হিসাব
কমবয়সিদের নিরাপত্তায় আদালতের রায়
দুই ভারতীয় নৌকর্মীর মৃত্যু, হরমুজ প্রণালী দিয়ে উদ্বেগ কেন্দ্রের