নিজস্ব প্রতিনিধি , মালদহ - পশ্চিমবঙ্গে দিনের পর দিন বেড়ে চলেছে ধর্ষণ। ছোট থেকে বড় হিংস্র মানসিকতার শিকার হচ্ছেন সকলেই। সম্প্রতি স্কুল , কলেজ ছাত্রীদের ওপর বেড়েছে অত্যাচার। অভয়াকাণ্ডের পর থেকেই উত্তাল পশ্চিমবঙ্গ। তবুও থামছে না এই নৃশংস অত্যাচার। বীরভূমের এক ১৩ বছরের ছাত্রীকে অপহরণ করে তাঁর ওপর শারীরিক অত্যাচার করে এক স্কুল টিচার। এরপর তাঁর দেহের অংশ টুকরো টুকরো করে কেটে নদীতে ফেলে দেওয়া হয়। এবার এই অত্যাচারের বিরুদ্ধে সামিল হলেন মালদহের আদিবাসী সম্প্রদায়।

সূত্রের খবর , সোমবার দুপুর দুটো নাগাদ মালদহ থানার গেটের সামনে বিক্ষোভ দেখান আদিবাসী সম্প্রদায়। তাদের অভিযোগ , বীরভূমে এক আদিবাসী নাবালিকাকে অপহরণ করে ধর্ষণ করা হয়। শুধু তাই নয় , এরপর খুন করে দেহ কেটে টুকরো টুকরো করে ফেলে দেওয়া হয়। খবর প্রকাশ্যে আসার পরও রহস্যের কিনারা করতে পারেনি পুলিশ। পুলিশের ভূমিকাকে যথেষ্ট খাটো করে তাদের তীব্র নিন্দা করেন আন্দোলনকারীরা।
মালদহ থানার আইসির হাতে একটি স্মারকলিপি জমা দেওয়া হয়। সংগঠনের পক্ষ থেকে দাবি , দোষীদের দ্রুত খুঁজে বের করে শাস্তি দিতে হবে। প্রশাসন ঠিকভাবে ব্যবস্থা না নিলে বাংলা বন্ধের হুমকিও দেন তারা। এই আন্দোলনে যোগ দেন মালদা আদিবাসী সেঙ্গেল অভিযানের নেতা সেঙ্গেল অভিযানের নেতা মোহন হাসদা সহ আরও অনেকেই।

আন্দোলনকারীর পক্ষ থেকে একজন বলেছেন, "ওই ছাত্রীকে একাধিকবার ধর্ষণ করেছে স্কুল মাস্টার। ঘটনায় দোষীদের খুঁজে শাস্তি দিতে হবে। অভিযুক্তকে রামপুরহাট থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। পরে আবার ছেড়ে দেওয়া হয়। আমরা চাই দোষীকে দ্রুত খুঁজে বার করা হোক। শুধু তাই নয় রামপুরহাট থানায় বিরুদ্ধে তদন্ত করা হোক। অন্যথায় পুজোর পর আমরা বাংলা বন্ধের ডাক দেব।"
শাসক দলের পাশাপাশি বামেদেরকে নিশানা অমিত শাহের
গোর্খাল্যান্ড না হলে উত্তরবঙ্গকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল করার দাবি গোর্খাবাসীদের
ভারত সরকারের দিকে চেয়ে সুলেখার পরিবার
বাঁকুড়ার পুলিশ সুপারের দফতরের সামনে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি বিধায়করা
লালগোলা–বহরমপুর রাজ্যসড়ক অবরোধ করে প্রতিবাদে নামে তৃণমূল কংগ্রেস
ঘটনায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ
মৃতদের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্যের আশ্বাস সরকারের
রাজ্য সরকারকে তীব্র আক্রমণ নাড্ডার
অনুপ্রবেশ সহ একাধিক ইস্যুতে তৃণমূলকে নিশানা নীতিন নবীনের
ছেলের চিন্তায় নাওয়া খাওয়া ভুলেছে গোটা পরিবার
হাসপাতালের বাইরে কান্নায় ফেটে পড়েছে পরিবারের সদস্যরা
প্রায় ৮ বছর আগে ইরানে গেছিল পরিবারের ৫ সদস্য
শুনানিতেও ডাকা হয়েছিল বিধায়ককে
নতুন দলের নাম হচ্ছে আম জনতা পার্টি
অনিশ্চয়তায় দিন গুনছে গোটা পরিবার
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর