নিজস্ব প্রতিনিধি , জলপাইগুড়ি - সর্বভারতীয় সঙ্গীত ও সাংস্কৃতিক পরিষদের তরফে অভিনব একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সম্পূর্ণ প্রতিযোগিতাটি ছিল অনলাইন মাফিক। যেখানে অঙ্কন , নৃত্য , আবৃত্তি সহ সমস্ত বিভাগেই প্রতিযোগীরা অংশগ্রহণ করে। এই অনলাইন প্রতিযোগিতায় বিরাট সফলতা পেলেন ধূপগুড়ির অঙ্কন শিল্পী কনোজ দত্ত। দীর্ঘ কয়েকবছর ধরেই নিজের প্রতিভা সকলের মধ্যে ছড়িয়ে দিচ্ছেন তিনি।
প্রতিযোগিতা প্রথমে জেলাস্তরে অনুষ্ঠিত হয়। পরে রাজ্যস্তরেও আয়োজন করা হয়। এই অঙ্কন প্রতিযোগিতায় বিভিন্ন বিভাগ মিলিয়ে কনোজ দত্তের প্রায় ৫০ জন ছাত্র ছাত্রী অংশগ্রহণ করে। যেখানে ক ও খ বিভাগে তার তিনজন শিক্ষার্থী প্রথম , দ্বিতীয় , তৃতীয় স্থান অধিকার করেন। ক বিভাগে প্রথম বু ধ্রুব মিত্র। খ বিভাগে দ্বিতীয় স্থান দখল করেন মিমসাব আয়াত। তৃতীয় হন বর্ষা মোদক।

অনুষ্ঠানের শেষে ভীষণই আগ্রহের সঙ্গে ফলাফলের অপেক্ষা করছিলেন। নাম ঘোষণার পর কনোজ বাবুর মুখের হাসি নজরকাড়া। সফল প্রতিযোগিদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তিনি। শুধু তাই নয় ক্ষুদে প্রতিযোগিদের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে তুলেছেন , সকলকেই স্বান্তনা দিয়েছেন শিল্পী। জয়ীদের পাশাপাশি শিক্ষককেও একটি বিশেষ পুরস্কার প্রদান করা হয়। কনোজ বাবুকে সর্বভারতীয় শিল্প গুরুশ্রী সম্মানে ভূষিত করা হয়।

পুরস্কার হাতে নিয়ে কনোজ বাবু বলেছেন , "ছোটবেলা থেকেই আমার অঙ্কনের প্রতি বিশেষ আগ্রহ ছিল। আমি চাই যাদের এই আগ্রহ রয়েছে তাদের প্রত্যেককে সেই শিক্ষা দিতে। আজ এই মঞ্চে দাঁড়িয়ে ভীষণ ভীষণ ভাল লাগছে। কিছু বলার ভাষা নেই সত্যিই। আমি চাই ধূপগুড়ির সকলের কাছেই অঙ্কনশিল্প পৌঁছে দিতে। যারা যারা অঙ্কন শিখতে চান প্রত্যেককে আমি আগামী দিনে উৎসাহিত করব। সকলের পাশে থাকার জন্য আমি যথাসাধ্য চেষ্টা করে যাব।"
শাসক দলের পাশাপাশি বামেদেরকে নিশানা অমিত শাহের
গোর্খাল্যান্ড না হলে উত্তরবঙ্গকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল করার দাবি গোর্খাবাসীদের
ভারত সরকারের দিকে চেয়ে সুলেখার পরিবার
বাঁকুড়ার পুলিশ সুপারের দফতরের সামনে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি বিধায়করা
লালগোলা–বহরমপুর রাজ্যসড়ক অবরোধ করে প্রতিবাদে নামে তৃণমূল কংগ্রেস
ঘটনায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ
মৃতদের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্যের আশ্বাস সরকারের
রাজ্য সরকারকে তীব্র আক্রমণ নাড্ডার
অনুপ্রবেশ সহ একাধিক ইস্যুতে তৃণমূলকে নিশানা নীতিন নবীনের
ছেলের চিন্তায় নাওয়া খাওয়া ভুলেছে গোটা পরিবার
হাসপাতালের বাইরে কান্নায় ফেটে পড়েছে পরিবারের সদস্যরা
প্রায় ৮ বছর আগে ইরানে গেছিল পরিবারের ৫ সদস্য
শুনানিতেও ডাকা হয়েছিল বিধায়ককে
নতুন দলের নাম হচ্ছে আম জনতা পার্টি
অনিশ্চয়তায় দিন গুনছে গোটা পরিবার
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর