নিজস্ব প্রতিনিধি , পূর্ব মেদিনীপুর - রাজ্যের সেচ সহ জলসম্পদ দফতরের মন্ত্রী মানস রঞ্জন ভূঁইয়া বুধবার ঝাড়গ্রামে প্রশাসনিক বৈঠক করেন। এরপর করেন সাংবাদিক সম্মেলনও। রাজ্যের সেচ দফতরের পর্যালোচনা বৈঠকের উদ্দেশ্যেই তার এই সফর।

সূত্রের খবর , সরকারি কর্মসূচি অনুযায়ী এদিন সকালে তিনি ঝাড়গ্রাম জেলা প্রশাসনিক ভবনে পৌঁছে জেলার শীর্ষ প্রশাসনিক কর্তাদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেন।বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক , জেলা পুলিশ সুপার , জেলা পরিষদের সভাধিপতি , বিধায়ক , জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষসহ অন্যান্য প্রশাসনিক আধিকারিকরা। সাম্প্রতিক অতিবৃষ্টি , সেচ ব্যবস্থার হাল , এমনকি ক্ষয়ক্ষতির সামগ্রিক চিত্র নিয়ে বিশদ আলোচনা হয় বৈঠকে।

মন্ত্রী জানান , ইতিমধ্যেই তিনি পূর্ব সহ পশ্চিম মেদিনীপুর , ঘাটাল , বাঁকুড়া , পুরুলিয়া সফর করেছেন। এদিন ঝাড়গ্রামের পর তার পরবর্তী গন্তব্য পূর্ব বর্ধমান সহ বীরভূমের কিছু অংশ। এরপর সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি জানান , গোপীবল্লভপুর ২ নম্বর ব্লকের মালিঞ্চা গ্রামে সুবর্ণরেখা নদীর পাড় ভাঙন রোধ প্রকল্পে পূর্বনির্ধারিত ১২০০ মিটার কাজের সঙ্গে অতিরিক্ত আরও ১০০ মিটার কাজের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। জঙ্গলমহলের মানুষ যাতে নিশ্চিন্তে থাকতে পারেন , সেই লক্ষ্যেই মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে প্রতিটি জেলায় পর্যবেক্ষণ অভিযান চলছে। মুখ্যমন্ত্রী জঙ্গলমহলকে বিশেষ গুরুত্ব দেন , তার নির্দেশেই এই উদ্যোগ।
বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মন্ত্রী মানস রঞ্জন ভূঁইয়া জানান , “মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে আমি পশ্চিম সহ দক্ষিণবঙ্গের অতিবৃষ্টিপীড়িত জেলাগুলিতে প্রশাসনিক বৈঠক করছি। সেচ দফতরের কাজ খতিয়ে দেখা , ত্রাণ , এমনকি দুর্যোগ মোকাবিলার প্রস্তুতি খতিয়ে দেখাই এই সফরের মূল উদ্দেশ্য।”
শাসক দলের পাশাপাশি বামেদেরকে নিশানা অমিত শাহের
গোর্খাল্যান্ড না হলে উত্তরবঙ্গকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল করার দাবি গোর্খাবাসীদের
ভারত সরকারের দিকে চেয়ে সুলেখার পরিবার
বাঁকুড়ার পুলিশ সুপারের দফতরের সামনে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি বিধায়করা
লালগোলা–বহরমপুর রাজ্যসড়ক অবরোধ করে প্রতিবাদে নামে তৃণমূল কংগ্রেস
ঘটনায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ
মৃতদের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্যের আশ্বাস সরকারের
রাজ্য সরকারকে তীব্র আক্রমণ নাড্ডার
অনুপ্রবেশ সহ একাধিক ইস্যুতে তৃণমূলকে নিশানা নীতিন নবীনের
ছেলের চিন্তায় নাওয়া খাওয়া ভুলেছে গোটা পরিবার
হাসপাতালের বাইরে কান্নায় ফেটে পড়েছে পরিবারের সদস্যরা
প্রায় ৮ বছর আগে ইরানে গেছিল পরিবারের ৫ সদস্য
শুনানিতেও ডাকা হয়েছিল বিধায়ককে
নতুন দলের নাম হচ্ছে আম জনতা পার্টি
অনিশ্চয়তায় দিন গুনছে গোটা পরিবার
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর