নিজস্ব প্রতিনিধি , পশ্চিম বর্ধমান - বিজয়া দশমীর দিনে মা দুর্গার বিদায় যেন প্রতি বছর এক নতুন কষ্টের বার্তা নিয়ে আসে। আজ সেই বিদায়ের দিন। কুলটির নিয়ামতপুর দেবী মন্দিরে আজ সকাল থেকেই দেখা গেল এক আবেগঘন চিত্র। সিঁদুরে রাঙিয়ে , একে অপরকে ভালোবাসায় ভরিয়ে , মাকে বিদায় জানালেন স্থানীয় মহিলারা।

সূত্রের খবর , পশ্চিম বর্ধমান জেলার কুলটির নিয়ামতপুর দেবী মন্দিরে সকাল থেকে শুরু হয়েছে মা কে বিদায় দেওয়ার তোড়জোড়। এদিন দশমীর এই শুভক্ষণে অনুষ্ঠিত হয় নবপত্রিকা বা ঘট নিরঞ্জন , আর তার আগেই চলে বাঙালি নারীদের বিশেষ প্রথা - সিঁদুর খেলা। মা দুর্গাকে সিঁদুর পরিয়ে , সেই সিঁদুর একে অপরের মাঝে ভাগ করে নিয়ে যেন নারীরা নিজের মায়ের অস্তিত্বকে সবার মাঝে ছড়িয়ে দেন। নিয়ামতপুর মন্দির চত্বরে দাঁড়িয়ে থাকা অনেকেই এদিন বলেন , “আজ মাকে বিদায় দিতে মন মানছে না। এক রাশ কষ্ট নিয়েই সিঁদুর খেলায় মেতে উঠেছি , যাতে বিদায়টা একটু হলেও সহজ হয়।”

সাজসজ্জা সহ মাঙ্গলিক পরিবেশের মধ্যে মেয়েরা আজ শুধুমাত্র উৎসবে মেতে ওঠেননি। তাদের চোখের কোণেও ছিল জল , আর ঠোঁটে ছিল একটাই কথা - “আবার এসো মা।” প্রতিমা নিরঞ্জনের মধ্য দিয়ে আজ দেবী দুর্গার ঘরে ফেরার পালা, আর সেইসঙ্গে শেষ হবে শরৎকালের এই সবচেয়ে বড় উৎসব দুর্গাপূজার আনুষ্ঠানিক পর্ব। বিদায়ের সুর বাজবে ঢাকের তালে , আবার এক বছরের অপেক্ষা শুরু হবে আজ থেকেই।উৎসবের শেষে পড়ে থাকবে শুধু কিছু লাল সিঁদুরে রাঙা মুখ , কিছু ভেজা চোখ ,আর একফালি অপেক্ষা , আগামী শরতের।

স্থানীয় বাসিন্দা শিল্পী গুপ্ত এপ্রসঙ্গে জানান , ''সারা বছর অপেক্ষা করে থাকি কবে মা আসবে। পুজোর এই কটা দিন চারিদিক আনন্দে ভোরে ওঠে। আজ মা কে বিদায় জানানোর পালা। মনটা খুবই খারাপ। তবে মনকে একটা কথা বলেই আস্বস্ত করি যে আসছে বছর মা আবার আসবে। আবার আনন্দে ভোরে উঠবে চারিদিক।''
শাসক দলের পাশাপাশি বামেদেরকে নিশানা অমিত শাহের
গোর্খাল্যান্ড না হলে উত্তরবঙ্গকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল করার দাবি গোর্খাবাসীদের
ভারত সরকারের দিকে চেয়ে সুলেখার পরিবার
বাঁকুড়ার পুলিশ সুপারের দফতরের সামনে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি বিধায়করা
লালগোলা–বহরমপুর রাজ্যসড়ক অবরোধ করে প্রতিবাদে নামে তৃণমূল কংগ্রেস
ঘটনায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ
মৃতদের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্যের আশ্বাস সরকারের
রাজ্য সরকারকে তীব্র আক্রমণ নাড্ডার
অনুপ্রবেশ সহ একাধিক ইস্যুতে তৃণমূলকে নিশানা নীতিন নবীনের
ছেলের চিন্তায় নাওয়া খাওয়া ভুলেছে গোটা পরিবার
হাসপাতালের বাইরে কান্নায় ফেটে পড়েছে পরিবারের সদস্যরা
প্রায় ৮ বছর আগে ইরানে গেছিল পরিবারের ৫ সদস্য
শুনানিতেও ডাকা হয়েছিল বিধায়ককে
নতুন দলের নাম হচ্ছে আম জনতা পার্টি
অনিশ্চয়তায় দিন গুনছে গোটা পরিবার
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর