নিজস্ব প্রতিনিধি , ওয়াশিংটন - পশ্চিম এশিয়ার দীর্ঘ যুদ্ধ থামাতে অবশেষে নতি স্বীকার করল ইরান। মার্কিন চাপের মুখে পড়েই এই সিদ্ধান্ত নিল তেহরান। আমেরিকার দেওয়া ৫ দফা শর্ত মেনে নিয়েছে তারা। ওয়াশিংটনকে নিজেদের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম হস্তান্তরে রাজি হয়েছে ইরান। রবিবার সকালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেই এই বড় ঘোষণা করেন। আমেরিকার এই বড় কূটনৈতিক সাফল্যের পর মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ থামার জোরালো ইঙ্গিত মিলছে। এই নজিরবিহীন সিদ্ধান্তের ফলে বিশ্ব রাজনীতিতে এক নতুন মোড় এল।
আমেরিকার সংবাদমাধ্যম ‘নিউ ইয়র্ক টাইমস’-এর প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে। দুই মার্কিন কর্তাকে উদ্ধৃত করে ইউরেনিয়াম হস্তান্তরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে তারা। আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার তথ্য মতে, ইরানের কাছে প্রায় ৪০০ কিলোগ্রাম ৬০ শতাংশ সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম রয়েছে। এটি পরমাণু বোমা তৈরির উপযুক্ত মাত্রার খুবই কাছাকাছি। এই ইউরেনিয়াম মূলত ইরানের ইসফাহান পারমাণু কেন্দ্রে মজুত ছিল। মার্কিন সেনা ওই কেন্দ্রে নতুন হামলার পরিকল্পনা করেছিল। আর তার মাঝেই পিছু হটল তেহরান।
ইজরায়েলি কর্তাদের দাবি, এই ইউরেনিয়াম আরও পরিশোধন করলে একাধিক পরমাণু বোমা তৈরি করা সম্ভব, যা অত্যন্ত ভয়ংকর। কয়েকদিন আগে ইরানের সুপ্রিম লিডার মোজতবা খামেনেই এই দাবি খারিজ করেছিলেন। তিনি জানিয়েছিলেন, ইউরেনিয়াম দেশের বাইরে যাবে না। কিন্তু আচমকাই ট্রাম্পের ‘রক্তচক্ষু’তে নতি স্বীকার করল তেহরান। যদিও এই বিষয়ে ইরানের তরফ থেকে এখনও সরকারিভাবে কিছু জানানো হয়নি। চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, ইরানকে একটি মাত্র পরমাণু ঘাঁটি চালু রাখার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তবে যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতির জন্য ইরান যে ক্ষতিপূরণ চেয়েছিল, তা দিতে সাফ মানা করেছে ওয়াশিংটন। অপরপক্ষে, আমেরিকার বাজেয়াপ্ত করা ইরানের বৈদেশিক সম্পদের মাত্র ২৫ শতাংশ ফেরানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন।
এই ঐতিহাসিক চুক্তি ও যুদ্ধবিরতির ইঙ্গিত প্রসঙ্গে হোয়াইট হাউসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, ‘আমরা যে কঠোর অবস্থান নিয়েছিলাম, তার ফলেই আজ শান্তির পথ প্রশস্ত হচ্ছে। শান্তিচুক্তির বেশিরভাগটাই মেনে নিয়েছে ইরান। তারা তাদের ৪০০ কিলোগ্রাম সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম আমাদের হাতে তুলে দিতে সম্মত হয়েছে। আমরা আমাদের জাতীয় নিরাপত্তা ও বিশ্ব শান্তির স্বার্থে কোনো আপস করিনি। দীর্ঘ এই সংঘাতের অবসান ঘটাতে আমাদের এই পদক্ষেপ এক ঐতিহাসিক মাইলফলক হয়ে থাকবে। এখন যুদ্ধ থামবে কি না, সেই দিকেই নজর গোটা বিশ্বের'।
ল্যান্ডফিলের পাশে ঝুপড়িতে থাকা বহু মানুষ চাপা পড়েন
বিদেশযাত্রা থেকে ব্যক্তিজীবন, চিনে সরকারি কর্মীদের উপর কড়া নজরদারির অভিযোগ
নোশকিতে ব্যবসায়ী হত্যায় অজ্ঞাত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে মামলা, বাড়ছে ক্ষোভ
আয়ারল্যান্ডে ৪৪০ একরের এস্টেট-সহ গথিক দুর্গ কিনলেন মেটা কর্তা, নিয়মিত থাকবেন না সেখানে
ন্যেপির নিয়ম ভেঙে সমুদ্র সৈকতে বেরিয়ে ভিডিও পোস্ট, অশ্লীল মন্তব্যে ক্ষোভ
প্রথম বিস্ফোরণের পর ফের ড্রোন হামলার অভিযোগ, ধ্বংসস্তূপে নিখোঁজ ৯
দুর্গম এলাকায় দুর্ঘটনা, বিমানে থাকা সকলের খোঁজে তল্লাশি
গাল্ফ অব এডেন ও সোমালিয়া উপকূলে পর পর হামলা, নাবিকদের অবস্থান এখনও অস্পষ্ট
৪৮ ঘণ্টার নির্দেশের পর ইসলামাবাদের হাসপাতালে প্রাক্তন পাক প্রধানমন্ত্রীর চিকিৎসা
ফোর্ড, লিঙ্কন থেকে জর্জ ওয়াশিংটন, একের পর এক যুদ্ধজাহাজে শৌচাগার নিয়ে চরম দুর্ভোগ নৌসেনাদের
অনুকূল পরিবেশ তৈরি না হলে ব্রিকসের আগে দিল্লি সফরের সম্ভাবনা ক্ষীণ ঢাকার
শুধু ভারতীয়-মার্কিন পাসপোর্টধারীদের থাকার অনুমতি, কূটনৈতিক হস্তক্ষেপের দাবি কাইসারের
২০২৮-এর আগে ভোট সংস্কারে বড় উদ্যোগ, জ্ঞানেশ কুমারের সঙ্গে কথোপকথনের পর নয়া পরিকল্পনা
তার এই মানবিক উদ্যোগ সমাজব্যবস্থায় এক গভীর ও ইতিবাচক বার্তা পৌঁছে দিয়েছে
মানচিত্রে নতুন পরিচয়, ২১টি এলাকা-সহ ৪ গিরিপথ ও হ্রদও তালিকায়
সেনেটে পাস রাশিয়া-বিরোধী বিল, চিন-ভারত-জাপান-সহ একাধিক দেশকে ঘিরে বাড়ছে চাপ
জেদ্দায় যৌথ সমঝোতার জল্পনা, ভারত-পাক সংঘাত হলে বদলাতে পারে কূটনৈতিক হিসাব
কমবয়সিদের নিরাপত্তায় আদালতের রায়
দুই ভারতীয় নৌকর্মীর মৃত্যু, হরমুজ প্রণালী দিয়ে উদ্বেগ কেন্দ্রের