নিজস্ব প্রতিনিধি , উত্তর ২৪ পরগণা - দশ বছর ধরে ভারতে বসবাস, কাজ এবং সরকারি সুবিধা পাওয়ার পরও অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগে শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশে ফিরতে বাধ্য হলেন রোকেয়া বিবি। আধার, ভোটার কার্ড, ব্যাঙ্কের বই সব নথি থাকা সত্ত্বেও ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম না থাকায় SIR প্রক্রিয়ার কারণে দেশত্যাগ ছাড়া আর কোনও পথ খোলা ছিল না তার সামনে।
SIR প্রক্রিয়া শুরু হতেই সীমান্ত পাড়ে ভিড় জমেছে লক্ষাধিক মানুষের। কেউ ১০ বছর ধরে ভারতের বাসিন্দা তো কেউ ১২ বছর ধরে। দীর্ঘদিন এখানে থেকে সরকারি পরিষেবা পাওয়ার পরেও ফিরে যেতে হচ্ছে একাধিক মানুষকে। বাংলাদেশের সাতক্ষীরা জেলার আশাশুনি থানার বাসিন্দা রোকেয়া বিবি প্রায় এক দশক আগে অবৈধভাবে ভারত প্রবেশ করেন। কলকাতার সল্টলেক সেক্টর ফাইভের মাঠের ধারে একটি ঝুপড়িতে পরিবারের সঙ্গে থাকতেন তিনি। জীবিকা নির্বাহের জন্য কখনও বিভিন্ন বাড়িতে পরিচারিকার কাজ, কখনও বা রাস্তায় বোতল–কাগজ কুড়িয়ে বিক্রি করতেন। ধীরে ধীরে ভারতীয় নথিও জোগাড় করেছিলেন, আধার কার্ড, ভোটার কার্ড, এমনকি ব্যাঙ্কের পাসবুকও ছিল তার।
দু বার ভোটও দিয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন রোকেয়া। লক্ষীর ভান্ডারের মতো সরকারি সুবিধাও নিয়মিত পেতেন। সব মিলিয়ে ভারতেই তার নতুন জীবনের ভিত্তি তৈরি হয়েছিল। কিন্তু SIR কার্যক্রম শুরুর পর পরিস্থিতি দ্রুত বদলে যায়। ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় তার বা তার পরিবারের কারও নাম নেই এই তথ্যই রোকেয়াকে দেশে ফিরে যেতে বাধ্য করছে। আইন অনুযায়ী নথিহীন অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব, আর সেই কারণেই নিজের সমস্ত জমানো প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।
বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী রোকেয়া বিবি জানান, ' ভারতে এসেছিলাম ১০ বছর আগে। তারপর এখানে আধার কার্ড, ভোটার কার্ড সবই করি। লক্ষ্মীর ভাণ্ডার করেছিলাম। প্রথমে ৫০০ টাকা করে পেতাম তারপর কয়েক মাস ১০০০ টাকা করে পেয়েছি। সবাই ভয় দেখাচ্ছে ২০০২ সালের তালিকায় নাম না থাকলে বের করে দেবে তাই চলে যাচ্ছি। বয়স হয়ে গেছে আর এই দেশে ফিরবো না। এতদিন ছিলাম এখানে ২ বার ভোটও দিয়েছি।'
শাসক দলের পাশাপাশি বামেদেরকে নিশানা অমিত শাহের
গোর্খাল্যান্ড না হলে উত্তরবঙ্গকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল করার দাবি গোর্খাবাসীদের
ভারত সরকারের দিকে চেয়ে সুলেখার পরিবার
বাঁকুড়ার পুলিশ সুপারের দফতরের সামনে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি বিধায়করা
লালগোলা–বহরমপুর রাজ্যসড়ক অবরোধ করে প্রতিবাদে নামে তৃণমূল কংগ্রেস
ঘটনায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ
মৃতদের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্যের আশ্বাস সরকারের
রাজ্য সরকারকে তীব্র আক্রমণ নাড্ডার
অনুপ্রবেশ সহ একাধিক ইস্যুতে তৃণমূলকে নিশানা নীতিন নবীনের
ছেলের চিন্তায় নাওয়া খাওয়া ভুলেছে গোটা পরিবার
হাসপাতালের বাইরে কান্নায় ফেটে পড়েছে পরিবারের সদস্যরা
প্রায় ৮ বছর আগে ইরানে গেছিল পরিবারের ৫ সদস্য
শুনানিতেও ডাকা হয়েছিল বিধায়ককে
নতুন দলের নাম হচ্ছে আম জনতা পার্টি
অনিশ্চয়তায় দিন গুনছে গোটা পরিবার
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর