নিজস্ব প্রতিনিধি , বাঁকুড়া - যামিনী রায় কলেজ ঘিরে ফের চাঞ্চল্য। কলেজ পরিচালন সমিতির বৈঠকের একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে, যেখানে তৃণমূলের বড়জোড়া ব্লক সভাপতি কালিপদ মুখোপাধ্যায় ও স্থানীয় নেতা জয়ন্ত দাসকে দুই অধ্যাপককে প্রাণে মারার হুমকি দিতে শোনা যাচ্ছে বলে অভিযোগ।
সূত্রের খবর, অধ্যাপক লক্ষ্মীনারায়ণ যাদব ও কুন্তল সিনহা অভিযোগ করেন, থানায় লিখিত অভিযোগ জানাতে গেলে পুলিশ তা নেয়নি, পরে ইমেলেও জানালেও কোনো ব্যবস্থা হয়নি। তাঁদের দাবি, এই ঘটনায় কলেজের পরিবেশ ভেঙে পড়েছে, নিরাপত্তাহীনতায় অনেকেই বদলি চাইবেন।

এই ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই সমালোচনায় সরব হয়েছে বিজেপি ও সিপিএম। বড়জোড়ার প্রাক্তন সিপিএম বিধায়ক সুজিত চক্রবর্তী ভিডিওটি সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করেন। তবে অভিযুক্ত তৃণমূল ব্লক সভাপতি অভিযোগ অস্বীকার করে পাল্টা আক্রমণ করেন।

প্রসঙ্গত, এর আগেই গত ১৪ অগাস্ট প্রকাশ্যে মদ্যপানের প্রতিবাদ করায় একই কলেজের ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক মার্সাল সোরেনের ওপর হামলার অভিযোগ ওঠে। সেই ঘটনায় আদিবাসী সমাজ প্রতিবাদে মিছিলও করেছিল।ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর বিজেপি ও সিপিএম তীব্র সমালোচনা করেছে।
বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, তৃণমূলের ব্লক সভাপতির নেতৃত্বে পরিকল্পিতভাবে অধ্যাপকদের নিগ্রহ করা হয়েছে। এর আগেও ওই অধ্যাপককে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়েছিল। তবুও তিনি ছাত্রছাত্রীদের শিরদাঁড়া সোজা রেখে পড়িয়েছেন। এবার তাঁকে খুনের চেষ্টা করা হয়েছে। বিজেপি এর তীব্র নিন্দা জানায়।

প্রাক্তন সিপিএম বিধায়ক সুজিত চক্রবর্তী বলেন, “যামিনী রায়ের জন্মভূমি বেলিয়াতোড়ে অধ্যাপকদের ওপর এমন আক্রমণ লজ্জাজনক। পুলিশ প্রশাসন ও আদালতের নীরবতা মানুষকে অপমান করেছে।” তিনি কটাক্ষ করে আরও বলেন, “অনুব্রত মণ্ডলের আমলে নারী অপমান, আরাবুল ইসলামের ঘটনার মতো তৃণমূলের পুরোনো চরিত্র আবার প্রমাণিত হলো।”

তৃণমূলের পাল্টা বক্তব্য,অভিযুক্ত তৃণমূল ব্লক সভাপতি অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “তৃণমূল সহনশীল দল। অধ্যাপক কেন, কাউকেই আমরা অপমান করি না। সিপিএম দল শূন্য থেকে উঠতে চাইছে বলেই এসব নাটক করছে। সেদিন আমরা কেবল আলোচনা করেছি, কোনও হুমকি দিইনি।”

সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়