নিজস্ব প্রতিনিধি, মালদহ- রাজ্যের মন্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিনের অনুগামী মহিলা তৃণমূল নেত্রী ও রথবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান শামসুন নেহার এখন কার্যত ভয় এবং আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। তাঁর আশঙ্কা, দলেরই একাংশের চক্রান্তে তাঁকে খুন করা হতে পারে। সেই আশঙ্কা জানিয়ে তিনি পুলিশের কাছে লিখিতভাবে নিরাপত্তারক্ষীর দাবি জানিয়েছেন।

সূত্রের খবর অনুযায়ী, অভিযুক্তের তালিকায় নাম উঠে এসেছে ফেকু মোমিন, নাসির আহমেদসহ কয়েকজনের। গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান শামসুন নেহারের অভিযোগ, কংগ্রেস থেকে তৃণমূলে আসা কয়েকজন সদস্য লাগাতার তাঁকে এবং তাঁর পরিবারকে হুমকি দিচ্ছে। সম্প্রতি আবাস যোজনার ঘর অনুমোদনের পর থেকেই তৃণমূলের ওই অংশ কাটমানি তুলছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। তিনি ও তাঁর স্বামী নাসির আহমেদ ওরফে সাগর এই দুর্নীতির প্রতিবাদ করেন। এরপরই গত বৃহস্পতিবার পঞ্চায়েত দফতরে বৈঠকের নামে ডেকে তাঁদের উপর হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ।

শামসুন নেহার দাবি করেন, তারা তাঁর স্বামীর উপর লোহার রড দিয়ে হামলা চালায়। শুধুমাত্র তাদের সরকারি কাজে অবৈধতায় সমর্থন না করায়। ওরা চাপ দিয়ে স্কিম ও আবাস যোজনা ওদের মতো করে নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করছিল।আমি ও আমার স্বামী তার বিরোধিতা করায় ওরা আমার স্বামীকে প্রাণে মারার চেষ্টা করে মিথ্যে দলীয় মিটিংয়ের অছিলায়। যেই ঘরে কোনো সিসিটিভি ছিলনা। মাথায় গুরুতর আঘাত পেয়ে তিনি কোনওক্রমে প্রাণে বাঁচেন। বর্তমানে তিনি মালদহের এক নার্সিংহোমে চিকিৎসাধীন।

এই ঘটনার পর থেকেই আতঙ্কিত শামসুন নেহার। তিনি জানিয়েছেন, “আমি এখন কার্যত গৃহবন্দী। পঞ্চায়েত দপ্তরে যাওয়ার সাহস পাচ্ছি না। আমার প্রাণনাশের আশঙ্কা রয়েছে।” তাঁর অভিযোগ, কংগ্রেসের সঙ্গে হাত মিলিয়ে দলেরই একাংশ তাঁকে সরিয়ে দিতে চাইছে, যাতে তৃণমূলের নাম খারাপ হয়। “বিধানসভা নির্বাচন সামনে রেখে আমার ভাবমূর্তি নষ্টের চেষ্টা চলছে,” বলেন তিনি।
এদিকে, গোটা ঘটনাকে ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। কংগ্রেস এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে পাল্টা বলেছে, “তৃণমূলের ভেতরকার দ্বন্দ্ব এখন প্রকাশ্যে এসেছে।এটা সম্পূর্ণ গোষ্ঠীদন্ধ ছাড়া কিছুই নয়।”
লালগোলা–বহরমপুর রাজ্যসড়ক অবরোধ করে প্রতিবাদে নামে তৃণমূল কংগ্রেস
ঘটনায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ
মৃতদের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্যের আশ্বাস সরকারের
রাজ্য সরকারকে তীব্র আক্রমণ নাড্ডার
অনুপ্রবেশ সহ একাধিক ইস্যুতে তৃণমূলকে নিশানা নীতিন নবীনের
ছেলের চিন্তায় নাওয়া খাওয়া ভুলেছে গোটা পরিবার
হাসপাতালের বাইরে কান্নায় ফেটে পড়েছে পরিবারের সদস্যরা
প্রায় ৮ বছর আগে ইরানে গেছিল পরিবারের ৫ সদস্য
শুনানিতেও ডাকা হয়েছিল বিধায়ককে
নতুন দলের নাম হচ্ছে আম জনতা পার্টি
অনিশ্চয়তায় দিন গুনছে গোটা পরিবার
কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ বিধায়কের
তালিকা প্রকাশ হতেই ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ
এক কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে
নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিচ্ছে শাসক শিবির
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর