নিজস্ব প্রতিনিধি , উত্তর ২৪ পরগণা - রমরমিয়ে চলছে মধূচক্রের আসর। সমস্ত বিষয় জানা সত্ত্বেও নীরব প্রশাসন। শেষমেষ স্থানীয় বাসিন্দাদের বিক্ষোভে নড়ে চড়ে বসলেন পুলিশ আধিকারিকেরা। ঘটনাটি ঘটে দত্তপুকুরের কদম্বগাছি রেলস্টেশন সংলগ্ন এক গেস্ট হাউসে। বিক্ষোভের পর গ্রেফতার করা হয় গেস্ট হাউসের মালিক সহ আরও ২ জনকে।

সূত্রের খবর , দত্তপুকুরের কদম্বগাছি রেলস্টেশন সংলগ্ন এলাকার এক গেস্ট হাউসের আড়ালে চলছে রমরমিয়ে দেহ ব্যবসা। ঘটনা সামনে আসতেই তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ , প্রভাবশালী এক শাসক নেতার মদতে ‘গীতা গেস্ট হাউস’ - এ দীর্ঘদিন ধরেই বাইরে থেকে মহিলাদের এনে মধুচক্র চালানো হচ্ছে। এতে এলাকার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে বলে অভিযোগ। এলাকাবাসীরা জানিয়েছেন , এই অসামাজিক কার্যকলাপের প্রতিবাদ করলে উলটে পুলিশ দিয়ে হেনস্থা করা হচ্ছে। এমনকি মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ।

এরপর শনিবার দুপুরে এই ঘটনার বিরুদ্ধে ব্যাপক বিক্ষোভে ফেটে পড়েন এলাকার সাধারণ মানুষ। পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তারা রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ শুরু করেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে এলে বিক্ষোভকারীরা পুলিশকেও ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। দীর্ঘ সময় ধরে পুলিশকে বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয়। শেষপর্যন্ত পুলিশের আশ্বাসে পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে পরিস্থিতির দিকে কড়া নজর রাখছে প্রশাসন।

এই ঘটনার পর কদম্বগাছি ফাঁড়ির পুলিশ গীতা গেস্ট হাউসের মালিক অলোক বনিক , গীতা বনিক সহ আরও দুই মহিলাকে গ্রেফতার করে। তবে এলাকাবাসীর দাবি , কেবল গ্রেফতার করলেই চলবে না। এই ধরনের সমস্ত গেস্ট হাউস বন্ধ করে দিতে হবে। এমনকি দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।

স্থানীয় বাসিন্দা সহ বিক্ষোভকারী শ্যামল গাইন এপ্রসঙ্গে জানান , "দীর্ঘদিন ধরেই আমরা দেখছি এখানে মধূচক্রের আসর বসে। বারংবার বলা সত্ত্বেও এরা শোনেনি। এমনকি উল্টে আমাদের হুমকি দিতেন। এভাবে চলতে পারে না। আমরা প্রশাসনকে এপ্রসঙ্গে জানিয়েছিলাম , তবে জানিয়েও কোনও কাজ হয়নি। বাধ্য হয়েই আমরা রাস্তায় নেমেছি।''
স্থানীয় বাসিন্দা শুক্লা মন্ডল জানান , "এলাকায় ছোট ছোট বাচ্চা আছে। স্কুলের পড়ুয়া আছে। এই পরিবেশে থাকা যাচ্ছে না। আমাদের বাচ্চাদের উপরও খারাপ প্রভাব পড়ছে। তাসত্ত্বেও পুলিশ - প্রশাসন নিরব। নেতার ছত্রছায়ায় এই ব্যবসা চলছে। এটা বন্ধ না হলে আমরা বৃহত্তর আন্দোলনে যাব।"
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়