নিজস্ব প্রতিনিধি , দক্ষিণ ২৪ পরগণা - নির্বাচনের আগের ফের একবার উত্তপ্ত হয়ে উঠল ভাঙড়। প্রকাশ্যে সংঘর্ষে জড়াল তৃণমূলের দুই শক্তিশালী গোষ্ঠী আরাবুল ইসলাম ও বিধায়ক শওকত মোল্লার অনুগামীরা। রবিবার সকালে আরাবুল-পুত্র হাকিমুল ইসলামের গাড়িতে হামলা ও ‘গদ্দার’ স্লোগানকে ঘিরে রীতিমতো রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় ভাঙড় এলাকা।
হাকিমুল ইসলাম দক্ষিণ ২৪ পরগনার পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ। অভিযোগ, রবিবার সকালে তাকে পরিকল্পিতভাবে আক্রমণ করা হয়। হামলার নেপথ্যে রয়েছেন ভাঙড়ের তৃণমূল বিধায়ক শওকত মোল্লার অনুগামীরা এমনটাই দাবি হাকিমুলের। তার গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ দেখানো হয়, ওঠে ‘গদ্দার’ স্লোগান। মুহূর্তের মধ্যেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। ঘটনার সূত্রপাত শনিবার রাতেই। ওই দিন বিকেলে ডায়মন্ড হারবার সাংগঠনিক জেলার তৃণমূল সভাপতি শুভাশিস চক্রবর্তীর সঙ্গে বৈঠক করতে গিয়েছিলেন ভাঙড়ের একাংশ তৃণমূল নেতা।
সেই দলে ছিলেন হাকিমুল ইসলাম, কাইজার আহমেদ ও ওদুদ মোল্লা। অভিযোগ, বৈঠক শেষে ফেরার পর রাতেই পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য ওদুদ মোল্লার কাঁঠালিয়ার বাড়িতে চড়াও হন শওকত-অনুগামীরা এবং তাকে খুনের হুমকি দেন। এই খবর পেয়ে আতঙ্কিত ওদুদের পাশে দাঁড়াতে রবিবার সকালে তার বাড়িতে যান হাকিমুল ও কাইজাররা।
অভিযোগ, সেখান থেকে বেরোনোর সময়ই তাদের পথ আটকায় একদল বিক্ষোভকারী। অভিযোগ, শওকত মোল্লার অনুগামীরাই হাকিমুলের গাড়িতে হামলা চালান। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় উত্তর কাশীপুর থানার পুলিশ। বিক্ষোভকারীদের সরাতে গেলে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তিও হয়। শেষে পুলিশি পাহারায় হাকিমুলকে এলাকা থেকে বের করে আনা হয়।
এই ঘটনার জন্য সরাসরি শওকত মোল্লাকেই দায়ী করেছেন হাকিমুল। তার অভিযোগ, 'শওকতের দলবল রাতে ওদুদের বাড়ি গিয়ে খুনের হুমকি দিয়েছিল। আজ আমার গাড়িতে হামলা চালিয়েছে। ওদের দাপটে এই এলাকা অস্থির হয়ে উঠছে। সকলে আতঙ্কিত। পুলিশ ব্যবস্থা নিক।'
অন্যদিকে, বিধায়ক শওকত মোল্লা পাল্টা দাবি করেন, ' যারা নিজেরা ঝামেলা করে অন্যের ঘাড়ে দোষ চাপাচ্ছে, তারা গদ্দার। দলে গদ্দারদের কোনও স্থান নেই।' ভোটের মুখে ভাঙড়ে ফের প্রকাশ্যে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব রাজনৈতিক অস্বস্তি বাড়াচ্ছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে এখনও এলাকায় পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।
তৃণমূলের নির্দেশেই এই বিক্ষোভ বলে অভিযোগ বিজেপির
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়