নিজস্ব প্রতিনিধি , নদীয়া - ফের বড়সড় সাফল্য অর্জন করল কৃষ্ণনগর থানার পুলিশ। পুলিশের বিশেষ অভিযানে উদ্ধার হয় ১০৩৯টি নিষিদ্ধ কাশির সিরাপের বোতল। এই ঘটনায় ধৃত চারজন পুরুষ সহ এক মহিলা। ধৃতদের মধ্যে বেশির ভাগই কৃষ্ণগঞ্জ থানায় পার্শ্ববর্তী এলাকার বাসিন্দা। ঘটনায় এমডিপিএস একটে মামলা রুজু করে ইতিমধ্যে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রের খবর , বেশ কয়েকদিন ধরেই গোপন সূত্রে পুলিশের কাছে খবর ছিল যে তারকনগর হাসখালি বর্ডারে নিষিদ্ধ কাশির সিরাপ পাচার করা হচ্ছে। অবশেষে রবিবার রাতে কৃষ্ণনগর থানার পুলিশ বিশেষ অভিযান চালিয়ে ১০৩৯ বোতল নিষিদ্ধ কাশির সিরাপ উদ্ধার করে। এছাড়াও একটি অটো একটি বাজাজ পালসার বাইক সহ একটি স্কুটি আটক করে পুলিশ। এই গাড়িতে থাকা মোট ৯টি ব্যাগ থেকে ১০৩৯টি বোতল উদ্ধার করে পুলিশ। এই ঘটনায় ধৃত এক মহিলা সহ চারজন পুরুষ। কৃষ্ণনগর থানার পুলিশ এদের বিরুদ্ধে এমডিপিএস একটে মামলা রুজু করেছে।
কৃষ্ণনগরের ডিএসপি শিল্পী পাল জানিয়েছেন, "আজ আমরা তারকনগর হাসখালি বর্ডারে অভিযান চালিয়ে ১০৩৯ টি নিষিদ্ধ কাশির সিরাপের বোতল উদ্ধার করেছি। কৃষ্ণনগর পুলিশের পক্ষে এটা একটা বড় সাফল্য। তবে আমরা এখনও জানিনা এই নিষিদ্ধ কাশির সিরাপ কোথায় পাচার করা হচ্ছিল। কিন্তু এ বিষয়ে আমরা তদন্ত শুরু করেছি। এই অভিযানে উপস্থিত ছিলেন কৃষ্ণগঞ্জ থানার আইসি সহ একাধিক পুলিশ আধিকারিকরা। আমরা চেষ্টা করছি শহরে এই ধরণের নিষিদ্ধ কাজকর্ম বন্ধ করতে।"
এলাকার বাসিন্দা পাচুদেব সরকার জানিয়েছেন, "পুলিশের এই অভিযানে এলাকাবাসীরা খুবই খুশি। আমাদের শহরে প্রায়ই নিষিদ্ধ জিনিস পাচারের ঘটনা শোনা যায়। এখানে যে তারকনগর মহাশ্মশান রয়েছে সেখানে তাদের বেশ আনাগোনা ছিল। তবে শেষমেশ পুলিশ যে তাদের ধরতে পেরেছে এটাই বড়ো একটা সাফল্য।"
শাসক দলের পাশাপাশি বামেদেরকে নিশানা অমিত শাহের
গোর্খাল্যান্ড না হলে উত্তরবঙ্গকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল করার দাবি গোর্খাবাসীদের
ভারত সরকারের দিকে চেয়ে সুলেখার পরিবার
বাঁকুড়ার পুলিশ সুপারের দফতরের সামনে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি বিধায়করা
লালগোলা–বহরমপুর রাজ্যসড়ক অবরোধ করে প্রতিবাদে নামে তৃণমূল কংগ্রেস
ঘটনায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ
মৃতদের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্যের আশ্বাস সরকারের
রাজ্য সরকারকে তীব্র আক্রমণ নাড্ডার
অনুপ্রবেশ সহ একাধিক ইস্যুতে তৃণমূলকে নিশানা নীতিন নবীনের
ছেলের চিন্তায় নাওয়া খাওয়া ভুলেছে গোটা পরিবার
হাসপাতালের বাইরে কান্নায় ফেটে পড়েছে পরিবারের সদস্যরা
প্রায় ৮ বছর আগে ইরানে গেছিল পরিবারের ৫ সদস্য
শুনানিতেও ডাকা হয়েছিল বিধায়ককে
নতুন দলের নাম হচ্ছে আম জনতা পার্টি
অনিশ্চয়তায় দিন গুনছে গোটা পরিবার
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর