নিজস্ব প্রতিনিধি , মালদহ - গরু বাঁধতে গিয়ে শ্লীলতাহানির শিকার হলেন এক তরুণী।অভিযোগ, সোমবার দুপুরে গ্রামের মাঠে গরু বাঁধতে গিয়েছিলেন এক তরুণী। সেই সময় গ্রামেরই এক যুবক কাগজে লিখে তাকে মোবাইল নম্বর দিতে বলে। তরুণী রাজি না হওয়ায় অভিযুক্ত যুবক অশালীন ব্যবহার করে বলে অভিযোগ।
সূত্রের খবর, ঘটনাটি ঘটেছে মালদহ জেলার হরিশ্চন্দ্রপুর থানার সুলতাননগর গ্রাম পঞ্চায়েতের ডাটিওন গ্রামে।বিষয়টি পরিবারকে জানানোর পরপরই তরুণীর পরিবার থানায় অভিযোগ দায়ের করে ।অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযুক্তকে ধরতে গেলে দেখা যায়, ইতিমধ্যেই গ্রামে বসেছে সালিশি সভা। স্থানীয় তৃণমূল নেতা জিয়াউল হকের উপস্থিতিতেই সেই সালিশি বসানো হয়েছিল বলে দাবি। সেখানে অভিযুক্ত যুবককে মারধর করছিল গ্রামের মাতব্বরেরা।

খবর পেয়ে পুলিশ ছুটে আসে অভিযুক্তকে উদ্ধার করতে। ঘটনাস্থল থেকে ৫ জন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে তারা। কিন্তু পুলিশের হস্তক্ষেপ পছন্দ হয়নি সালিশি সভার নেতাদের। অভিযোগ, তৃণমূল নেতার জিয়াউল হকের ইশারাতেই গ্রামবাসীরা পুলিশের উপর চড়াও হয়। পুলিশের গাড়িও ভাঙচুর করা হয়। লাঠি, বাঁশ, ইট পাথর নিয়ে গ্রামবাসীরা ঝাঁপিয়ে পড়ে। যদিও তৃণমূল নেতাকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি সংবাদ মাধ্যমে জানান, তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। তিনি এবিষয় পুলিশদের সহযোগিতায় করতে চেয়েছেন।

জেলা তৃণমূল সভাপতি আব্দুর রহিম বক্সি জানান, “সুলতাননগরে যে ঘটনাটি ঘটেছে তার সম্পূর্ণ দায়িত্ব নিয়েছেন মালদা জেলার পুলিশ প্রশাসন। দায়িত্বশীলতার সঙ্গে সঠিক তদন্তের ভিত্তিতে প্রকৃত অভিযুক্তদের গ্রেফতার করার ব্যবস্থাও নেবেন তারা।বিজেপিকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, পশ্চিমবঙ্গে থেকে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বিরোধিতার চেষ্টা করে চলেছেন, তারা হয়তো একথা ভুলে যাচ্ছেন যারা এই বদনামের চেষ্টা করছেন, সর্বোপরি তাদের নিরাপত্তার দায়িত্বও কিন্তু পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পুলিশ বহন করে চলেছে।

অপরদিকে জেলা বিজেপি সম্পাদক রূপেশ আগরওয়াল অভিযোগ করে বলেন, “তৃণমূল সরকার ক্ষমতায় থাকা মানেই শোষণ। তারা আইনকানুন, পুলিশ প্রশাসন বা আদালত কিছুই মানে না। নিজেদেরই এসপি-বিডিও মনে করে চলেন। একজন মহিলার শ্লীলতাহানির মতো গুরুতর অপরাধের বিচার যদি তৃণমূল নেতাদের সালিশি সভায় হয়, তবে দেশের আইনকানুনই বা থাকবে কেন? মহিলা মুখ্যমন্ত্রী থাকা সত্ত্বেও রাজ্যে মহিলারা সবচেয়ে বেশি অসুরক্ষিত। পুলিশ প্রশাসন যতদিন না নিজেদের মেরুদণ্ড শক্ত করবে, ততদিন তৃণমূলের বড় নেতাদের দাপট চলতেই থাকবে।”

সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়