নিজস্ব প্রতিনিধি, পূর্ব মেদিনীপুর - একই চালায় দেবী লক্ষ্মী ও সরস্বতীর পূজো। ১৬৩ বছরের ঐতিহ্য, আজও অটুট সেই বিশ্বাস ও সংস্কার।শরৎশেষের হাওয়ায় যখন ঘরে ঘরে লক্ষ্মী পুজোর প্রস্তুতি, তখন এই এক গ্রামে দেখা মেলে এক অন্যরকম দৃশ্যের। এখানে দেবী লক্ষ্মী একা নন, তাঁর সঙ্গে পূজিত হন দেবী সরস্বতীও। দেবী সরস্বতীর গায়ে সাদা শাড়ি, আর দেবী লক্ষ্মীর পরনে হালকা গোলাপী রঙের শাড়ি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুই দেবীর মাথার উপর আসন নেন ভগবান নারায়ণ। পাশে থাকেন তাঁদের চারজন সখী, যাঁদের স্থানীয়রা বলেন ‘লুক-লুকানি’। এই ভাবেই এখানে নারায়ণের গোটা পরিবারকেই পুজো করা হয়। এ এক অনন্য প্রথা, যা চলছে টানা ১৬৩ বছর ধরে। পুজো ঘিরে উৎসবের আমেজে মুখর থাকে গ্রামজীবন। প্রতি বছর কয়েক হাজার মানুষ ভিড় জমান এই বিশেষ পুজো দেখতে। পুজোর সবচেয়ে বড় আকর্ষণ পরিবেশবান্ধব সবুজ আতসবাজির প্রদর্শনী, যা দেখতে ভিড় উপচে পড়ে।

এই পুজো এক দিনের নয়, চলে টানা পাঁচ দিন ধরে। সঙ্গে সাত দিন ধরে হয় নানা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। গান, নাটক, নাচ আর মেলা। পুজোকে ঘিরে কর্মস্থল বা শহরে থাকা পরিবারের সদস্যরাও এই সময়ে বাড়ি ফিরে আসেন, তাই এটি যেন হয়ে ওঠে পরিবারের মিলনমেলা।ধর্ম, সংস্কৃতি আর ঐতিহ্যের এই সুন্দর মেলবন্ধন আজও বজায় রেখেছে হাড়দা গ্রামের মানুষ, যেখানে লক্ষ্মী ও সরস্বতীর যুগল আরাধনা যেন সম্পদ ও জ্ঞানের এক অপূর্ব সংযোগের প্রতীক।

পুজো কমিটির অন্যতম সদস্য ভুবন মন্ডল জানিয়েছেন, “এই বছর পুজোর বাজেট প্রায় আঠারো লক্ষ টাকার মতো। আমাদের প্রধান আকর্ষণ সবুজ আতসবাজি, যা শুধু চোখ জুড়ায় না, পরিবেশকেও রক্ষা করে।”

পুজো কমিটির সম্পাদক তারাপদ সাহা বলেন, “দেবী লক্ষ্মী সম্পদ ও সৌন্দর্যের প্রতীক, আর দেবী সরস্বতী জ্ঞানের দেবী। বিষ্ণুপুরাণ মতে তাঁরা দু’জনেই নারায়ণের স্ত্রী। তাই এক জনকে বাদ দিয়ে অন্যজনের পুজো করা অসম্পূর্ণ। সেই ভাবনা থেকেই আমাদের পূর্বপুরুষরা যুগল পুজোর সূচনা করেছিলেন, আমরা এখনও সেই ঐতিহ্যকে ধরে রেখেছি।”
শাসক দলের পাশাপাশি বামেদেরকে নিশানা অমিত শাহের
গোর্খাল্যান্ড না হলে উত্তরবঙ্গকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল করার দাবি গোর্খাবাসীদের
ভারত সরকারের দিকে চেয়ে সুলেখার পরিবার
বাঁকুড়ার পুলিশ সুপারের দফতরের সামনে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি বিধায়করা
লালগোলা–বহরমপুর রাজ্যসড়ক অবরোধ করে প্রতিবাদে নামে তৃণমূল কংগ্রেস
ঘটনায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ
মৃতদের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্যের আশ্বাস সরকারের
রাজ্য সরকারকে তীব্র আক্রমণ নাড্ডার
অনুপ্রবেশ সহ একাধিক ইস্যুতে তৃণমূলকে নিশানা নীতিন নবীনের
ছেলের চিন্তায় নাওয়া খাওয়া ভুলেছে গোটা পরিবার
হাসপাতালের বাইরে কান্নায় ফেটে পড়েছে পরিবারের সদস্যরা
প্রায় ৮ বছর আগে ইরানে গেছিল পরিবারের ৫ সদস্য
শুনানিতেও ডাকা হয়েছিল বিধায়ককে
নতুন দলের নাম হচ্ছে আম জনতা পার্টি
অনিশ্চয়তায় দিন গুনছে গোটা পরিবার
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর