নিজস্ব প্রতিনিধি , হুগলী - কাঠের ধোঁয়া আর পরিবেশ দূষণের দিন শেষ হতে চলেছে। গঙ্গার তীরের প্রাচীন শ্মশানঘাটকে ঘিরে যে অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরে ছিল, এবার তার সমাধান মিলছে এক আধুনিক উদ্যোগে। বহু বছর ধরে মানুষ চাইছিলেন এমন এক চুল্লি, যেখানে দেহ সৎকার হবে কিন্তু বাতাসে ছড়াবে না বিষাক্ত ধোঁয়া।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে , বহু বছরের দাবি অবশেষে পূরণ হতে চলেছে। গঙ্গার ধারে অবস্থিত পুরনো কোন্নগর শ্মশান ঘাটে শুরু হয়েছে বড় পরিবর্তন। কাঠের চিতার ধোঁয়া আর নয়। এবার তৈরি হচ্ছে আধুনিক, সম্পূর্ণ পরিবেশবান্ধব বৈদ্যুতিক চুল্লি।

কোন্নগর পুরসভার চেয়ারম্যান স্বপন দাস জানান, রাজ্য সরকারের প্রায় দুই কোটি টাকা ব্যয়ে এই প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, “আগামী জানুয়ারি থেকেই চুল্লি চালু হবে। এখানে দাহ সৎকারের সময় যে ধোঁয়া বেরোবে তা সরাসরি বাতাসে মিশবে না। প্রথমে জলের মধ্যে পরিশোধন হবে, তারপর লম্বা চুঙি দিয়ে উপরে যাবে। ফলে দূষণের আশঙ্কা অনেকটাই কমবে।” শুধু কোন্নগর নয়, কানাইপুর, নবগ্রাম, ডানকুনি সহ আশপাশের বহু এলাকা থেকে মানুষ এখানে দাহ করতে আসেন। এতদিন বৈদ্যুতিক চুল্লি না থাকায় কাঠের চিতাই ছিল একমাত্র ভরসা। অনেকে বাধ্য হয়ে উত্তরপাড়া বা রিষড়া যেতেন।

স্থানীয় বাসিন্দা জয়ন্ত চক্রবর্তী বলেন, “এখন আর অন্য জায়গায় যেতে হবে না। আমাদের নিজেদের এলাকাতেই আধুনিক চুল্লি হবে।” কানাইপুরের এক বাসিন্দার কথায়, “এটা সত্যিই বড় স্বস্তির খবর, অনেক মানুষের কষ্ট কমবে।”

প্রাক্তন বিধায়ক প্রবীর ঘোষাল রাজ্য সরকারের উদ্যোগের প্রশংসা করে বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের সহায়তায় এই প্রকল্প সম্ভব হয়েছে। এটি পরিবেশ রক্ষার এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।” এই নতুন বৈদ্যুতিক চুল্লি চালু হলে গঙ্গাপাড়ের বাতাস হবে আরও পরিষ্কার, আর কোন্নগর শ্মশান ঘাট পাবে একেবারে নতুন রূপ।

শাসক দলের পাশাপাশি বামেদেরকে নিশানা অমিত শাহের
গোর্খাল্যান্ড না হলে উত্তরবঙ্গকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল করার দাবি গোর্খাবাসীদের
ভারত সরকারের দিকে চেয়ে সুলেখার পরিবার
বাঁকুড়ার পুলিশ সুপারের দফতরের সামনে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি বিধায়করা
লালগোলা–বহরমপুর রাজ্যসড়ক অবরোধ করে প্রতিবাদে নামে তৃণমূল কংগ্রেস
ঘটনায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ
মৃতদের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্যের আশ্বাস সরকারের
রাজ্য সরকারকে তীব্র আক্রমণ নাড্ডার
অনুপ্রবেশ সহ একাধিক ইস্যুতে তৃণমূলকে নিশানা নীতিন নবীনের
ছেলের চিন্তায় নাওয়া খাওয়া ভুলেছে গোটা পরিবার
হাসপাতালের বাইরে কান্নায় ফেটে পড়েছে পরিবারের সদস্যরা
প্রায় ৮ বছর আগে ইরানে গেছিল পরিবারের ৫ সদস্য
শুনানিতেও ডাকা হয়েছিল বিধায়ককে
নতুন দলের নাম হচ্ছে আম জনতা পার্টি
অনিশ্চয়তায় দিন গুনছে গোটা পরিবার
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর