নিজস্ব প্রতিনিধি , হুগলী - মহালয়ার আগে সকালটা যেন হয়ে উঠল এক অবাক করা উৎসব। চোখে আলো নেই, তবুও মনের চোখে ফুটে উঠল মা দুর্গা। ছোট ছোট দৃষ্টিহীন শিশুদের সামনে একে একে খুলে গেল স্পর্শের এক জাদুকরী দুনিয়া, যেখানে প্রতিমার গায়ে হাত রেখে অনুভব করা যায় দেবীর রাজরূপ। জেলার শিক্ষা কর্মাধ্যক্ষের উদ্যোগে নেওয়া হল এই অনন্য কর্মসূচি।

সূত্রের খবর, মহালয়ার আগেই দৃষ্টিহীন শিশুদের জন্য আয়োজিত হল এক বিশেষ প্রতিমা দর্শন। সকালের শুরুতেই ব্রেল স্কুলের ছোট ছোট ছাত্রছাত্রীরা দল বেঁধে পৌঁছে যায় প্রতিমা ঘরে।

মাটির গন্ধে ভরা ঘরে প্রতিমার সামনে গিয়ে প্রত্যেকে হাত বাড়িয়ে ছুঁয়ে দেখে মা দুর্গার মুকুট, সিংহের কেশর, গণেশের শুঁড়, কার্তিকের ময়ূর, লক্ষ্মীর পেঁচা, সরস্বতীর বীনা ও হাঁস। মায়ের পায়ের স্পর্শে অনেকে আবেগে কেঁপে ওঠে।

আয়োজনের মূল উদ্যোক্তা শিক্ষা কর্মাধ্যক্ষ সুবীর মুখোপাধ্যায় জানান, “ ওদের দৃষ্টি নেই, কিন্তু অন্তর্দৃষ্টি আছে। পুজোর সময় ভিড়ের মধ্যে দৃষ্টিহীন শিশুদের পক্ষে মাকে স্পর্শ করা সম্ভব নয়। তাই মহালয়ার আগে তাদের এই সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে।” সঙ্গে ছিলেন জেলা জনশিক্ষা অধিকর্তা সুদীপ্তা মজুমদার, স্কুলের শিক্ষক শিক্ষিকা ও স্থানীয় সামাজিক সংগঠনের সদস্যরা।

উদ্যোগের রসদ হিসেবে শিশুদের আনন্দ ছিল চোখে পড়ার মতো। কেউ গান গেয়েছে, কেউ মন্ত্র উচ্চারণ করেছে, আবার কেউ মায়ের কাছে নিজের ইচ্ছের কথা বলেছে। অনুষ্ঠান শেষে তাদের হাতে তুলে দেওয়া হয় খাবারের প্যাকেট ও পানীয় জল।
এক শিশু হাসতে হাসতে বলল, “আজ পুজো সত্যিই শুরু হয়ে গেল। মা দুর্গাকে হাতে ধরলাম, এটাই আমাদের সবচেয়ে বড় আনন্দ।”এলাকার এক বাসিন্দা আবেগে ভেসে বললেন, “ওদের আনন্দ দেখে মনে হচ্ছে আজই যেন অষ্টমীর দিন। এই পুজোই আসল পুজো।”

আরও কিছুদিন পরেই শহর জুড়ে থাকবে ঢাকের বাদ্যি, মণ্ডপে ভিড়, আর মায়ের আগমন। কিন্তু এই ছোট্ট মুহূর্তটুকু যেন সবকিছুর ওপরে এক অন্যরকম পুজো, যেখানে চোখে না দেখা যায়, কিন্তু হৃদয় ভরে যায়।
শাসক দলের পাশাপাশি বামেদেরকে নিশানা অমিত শাহের
গোর্খাল্যান্ড না হলে উত্তরবঙ্গকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল করার দাবি গোর্খাবাসীদের
ভারত সরকারের দিকে চেয়ে সুলেখার পরিবার
বাঁকুড়ার পুলিশ সুপারের দফতরের সামনে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি বিধায়করা
লালগোলা–বহরমপুর রাজ্যসড়ক অবরোধ করে প্রতিবাদে নামে তৃণমূল কংগ্রেস
ঘটনায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ
মৃতদের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্যের আশ্বাস সরকারের
রাজ্য সরকারকে তীব্র আক্রমণ নাড্ডার
অনুপ্রবেশ সহ একাধিক ইস্যুতে তৃণমূলকে নিশানা নীতিন নবীনের
ছেলের চিন্তায় নাওয়া খাওয়া ভুলেছে গোটা পরিবার
হাসপাতালের বাইরে কান্নায় ফেটে পড়েছে পরিবারের সদস্যরা
প্রায় ৮ বছর আগে ইরানে গেছিল পরিবারের ৫ সদস্য
শুনানিতেও ডাকা হয়েছিল বিধায়ককে
নতুন দলের নাম হচ্ছে আম জনতা পার্টি
অনিশ্চয়তায় দিন গুনছে গোটা পরিবার
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর