নিজস্ব প্রতিনিধি , পূর্ব মেদিনীপুর- এলাকাজুড়ে গোপন দেহব্যবসার জাল।সেই জালেই লুকিয়ে ছিলো অশান্তি। হঠাৎ রাতের নিস্তব্ধতায় পুলিশের অভিযান সেই অন্ধকার জগতের মুখোশ আলোয় টেনে আনে। লজ, হোটেল ও ব্যক্তিগত বাড়িতে বহুদিন ধরে চলে আসা এই অবৈধ চক্র শেষ পর্যন্ত ভাঙচুরের মুখে পড়ল।

সূত্রের খবর, পর্যটনশহর দীঘার তাজপুর এলাকায় দিনের পর দিন বেড়ে চলা গোপন অবৈধ ব্যবসা শেষ পর্যন্ত এলাকায় তীব্র অশান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। দীর্ঘ সময় ধরে স্থানীয় মানুষ দেখছিলেন কীভাবে লজ, হোটেল থেকে শুরু করে ব্যক্তিগত ভাড়াবাড়ি, সব জায়গাতেই একদল দালালচক্র বাইরের রাজ্য থেকে আসা মহিলাদের নিয়ে গোপনে দেহব্যবসা চালাচ্ছে। পথচারীদের চোখের সামনে প্রায় প্রকাশ্যেই চলছিল এই তৎপরতা। ফলে পর্যটনকেন্দ্রের স্বাভাবিক পরিবেশ নষ্ট হচ্ছিল, বাড়ছিল অপরাধের ভয় এবং অস্বস্তি।

অবশেষে একের পর এক অভিযোগ জমা পড়তে থাকে থানায়। স্থানীয়দের ক্ষোভের মাত্রা চরমে পৌঁছাতেই পুলিশের বিশেষ দল গভীর রাতে বড়সড় অভিযান চালায়। একাধিক জায়গায় একযোগে তল্লাশি শুরু হয়। পিছাবনী, চাউলখোলা সহ বিভিন্ন এলাকায় পুলিশ ঘিরে ফেলে লজ ও ভাড়াবাড়ি। অভিযানে ধরা পড়ে ২২ জন মহিলা ও তাদের সহায়তাকারী ৫ জন পুরুষ। ধৃতদের মধ্যে দুইজনকে মূল দালাল ও ভাড়াটিয়া বাড়ির মধ্যস্থতাকারী হিসেবে চিহ্নিত করেছে পুলিশ। সব মিলিয়ে মোট ২৭ জনকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসা হয়। রাতভর জিজ্ঞাসাবাদের পর এদিন সকালের মধ্যেই ধৃতদের কাঁথি মহকুমা আদালতে তোলা হয়েছে।

এই গোটা চক্র বহুদিন ধরে সুপরিকল্পিতভাবে কাজ চালাচ্ছিল। বিভিন্ন রাজ্য থেকে মহিলাদের এনে লজ ও ব্যক্তিগত বাড়িতে ঘর ভাড়া নিয়ে দেহব্যবসা চালানো হচ্ছিল বলে পুলিশ তরফে খবর। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, পর্যটন এলাকাগুলিতে হোটেল ও লজের ওপর নজরদারি আরও বাড়ানো হবে। ইতিমধ্যেই বাড়ির মালিকদেরও সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে, যাতে তারা কোনওভাবেই এ ধরনের অপরাধমূলক কাজে সহায়তা না করেন। ভবিষ্যতে এ ধরনের অবৈধ ব্যবসা রুখতে আরও ধারাবাহিক অভিযান চালানোরও আশ্বাস দিয়েছে পুলিশ।
স্থানীয় বাসিন্দারা পুলিশের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাঁদের বক্তব্য, “আমরা বহুদিন ধরে অভিযোগ জানাচ্ছিলাম, কারণ এই দুষ্কর্মের জন্য আমাদের এলাকার সার্বিক পরিবেশ নষ্ট হচ্ছিল, পর্যটকরা অস্বস্তি বোধ করছিলেন।প্রশাসনের এই পদক্ষেপে অনেকটা স্বস্তি অনুভব করছি।”
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
রায়গঞ্জের মঞ্চে বিস্ফোরক রাহুল গান্ধী
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়