নিজস্ব প্রতিনিধি , হুগলী - মহালয়ার দিনে তর্পণ করতে গিয়ে একদিকে গঙ্গায় তলিয়ে যাচ্ছিলেন এক তর্পণকারি। অন্যদিকে আরেক তর্পণকারির হারিয়ে গেল প্রায় দু’ভরি সোনার হার। ঘটনাটি ঘটে চুঁচুড়া ময়ূরপঙ্খী ঘাটে।
সূত্রের খবর , চুঁচুড়ার কাপাসডাঙ্গা এলাকার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা বিপাসা সাহা মহালয়ার সকালে স্বামী বিমল সাহার সঙ্গে গঙ্গাস্নানে যান। তর্পণ শেষে , ঘাটের পাশের এক মিষ্টির দোকানে দাঁড়িয়ে ছিলেন তিনি। তখনই তার খেয়াল হয় , গলায় থাকা প্রায় দুই ভরি সোনার হারটি আর নেই। ঘটনার পর দম্পতি দ্রুত ঘাটে ফিরে গিয়ে পুলিশ কর্মীদের বিষয়টি জানান। পুলিশ তাদের থানায় গিয়ে সাধারণ ডায়েরি করার পরামর্শ দেয়। প্রতিবছর মহালয়ায় এই ঘাটেই তর্পণ করেন তিনি।
পুলিশের প্রাথমিক অনুমান , স্নানের সময় হারটি গঙ্গায় পড়ে গিয়েছে। হারটির আনুমানিক মূল্য দুই লক্ষ টাকা। এরপর চুঁচুড়া পুরসভার পক্ষ থেকে মহালয়ার দিন গঙ্গার ঘাটে মাইকিং করে সাধারণ মানুষকে গয়না পরে স্নানে না নামার পরামর্শ দেওয়া হয়। চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেটের ডিসিপি অলকানন্দা ভাওয়াল সহ চুঁচুড়া থানার আইসি রামেশ্বর ওঝা নিজে ঘুরে দেখেন গঙ্গার বিভিন্ন ঘাটের নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

পুলিশ ও পুরসভার তরফে জানানো হয় , গঙ্গার ঘাটে যেকোনও সমস্যা বা হারানো জিনিসপত্র নিয়ে সঙ্গে সঙ্গে ঘাটে উপস্থিত পুলিশ বা সিভিল ডিফেন্স কর্মীদের জানাতে অনুরোধ করা হয়। মহালয়ার পুণ্য তিথিতে গঙ্গাস্নান সহ তর্পণ করতে আসা মানুষের জন্য আরও সচেতনতা বাড়ানোর উপর জোর দিচ্ছে প্রশাসন।
এপ্রসঙ্গে বিপাশা সাহা জানান , ''বাড়ি থেকেই হারটি পরে এসেছিলাম। খুলতে ভুলে গেছিলাম। সেই ভাবেই স্নান করতে নেমে যাই। তারপর হটাৎই দেখি হারটি আর আমার গলায় নেই। পুলিশে অভিযোগ করেছি। তারা তদন্ত করছে ঘটনার।''
শাসক দলের পাশাপাশি বামেদেরকে নিশানা অমিত শাহের
গোর্খাল্যান্ড না হলে উত্তরবঙ্গকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল করার দাবি গোর্খাবাসীদের
ভারত সরকারের দিকে চেয়ে সুলেখার পরিবার
বাঁকুড়ার পুলিশ সুপারের দফতরের সামনে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি বিধায়করা
লালগোলা–বহরমপুর রাজ্যসড়ক অবরোধ করে প্রতিবাদে নামে তৃণমূল কংগ্রেস
ঘটনায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ
মৃতদের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্যের আশ্বাস সরকারের
রাজ্য সরকারকে তীব্র আক্রমণ নাড্ডার
অনুপ্রবেশ সহ একাধিক ইস্যুতে তৃণমূলকে নিশানা নীতিন নবীনের
ছেলের চিন্তায় নাওয়া খাওয়া ভুলেছে গোটা পরিবার
হাসপাতালের বাইরে কান্নায় ফেটে পড়েছে পরিবারের সদস্যরা
প্রায় ৮ বছর আগে ইরানে গেছিল পরিবারের ৫ সদস্য
শুনানিতেও ডাকা হয়েছিল বিধায়ককে
নতুন দলের নাম হচ্ছে আম জনতা পার্টি
অনিশ্চয়তায় দিন গুনছে গোটা পরিবার
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর