নিজস্ব প্রতিনিধি , হুগলী - বেআইনি দখলদারি সরাতে বড়সড় অভিযান চালাল চন্দননগর পুরসভা। সোমবার সকাল থেকে জেসিবি মেশিন নামিয়ে একের পর এক অবৈধ নির্মাণ ভেঙে দেওয়া হয়। আসন্ন জগদ্ধাত্রী পুজোর শোভাযাত্রাকে নির্বিঘ্ন করতে , এমনকি সাধারণ মানুষের পথ চলা স্বাভাবিক করতেই এই দখলদার উচ্ছেদের সিদ্ধান্ত বলে জানিয়েছেন পুরসভার মেয়র।
সূত্রের খবর , চন্দননগর শহরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এলাকা উর্দি বাজারে বেআইনি দখলদার উচ্ছেদে বড় পদক্ষেপ নিল চন্দননগর কর্পোরেশন। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ অনুযায়ী , সরকারি জমি সহ ফুটপাত দখলমুক্ত করতে একাধিক জেলায় চলছে অভিযান। সেই ধারাবাহিকতায় আজ চন্দননগরে নামানো হয় জেসিবি। ভেঙে ফেলা হয় একের পর এক বেআইনি নির্মাণ।
উর্দি বাজার এলাকায় রাস্তার দু’পাশের দখলদারি নিয়ে বহুদিন ধরেই অভিযোগ উঠছিল। শহরের ঐতিহ্যবাহী জগদ্ধাত্রী পূজার শোভাযাত্রার রুট পড়ে এই অংশ দিয়ে। ফলে ওই এলাকার দখলদারি শুধু পুজোর সময়ই নয় , বর্ষব্যাপী সাধারণ মানুষের পথ চলাতেও বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছিল। এই অভিযানের আওতায় তৃণমূল কংগ্রেসের একটি স্থানীয় পার্টি অফিসও ছিল। সেটিও সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

রাস্তার উপর গড়ে ওঠা কিছু দোকান আগেই স্বেচ্ছায় পিছু হটে যায়। যদিও পুরোপুরি দখলমুক্ত এখনো হয়নি। চন্দননগর কর্পোরেশন এপ্রসঙ্গে জানান , শহরের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ এলাকাতেও এই ধরনের উচ্ছেদ অভিযান চলবে। বেআইনি দখলদারি সরিয়ে , ফুটপাথ নির্মাণ সহ জনসাধারণের পথচলাকে আরও স্বচ্ছন্দ করাই প্রশাসনের মূল লক্ষ্য।
চন্দননগরের মেয়র রাম চক্রবর্তী জানান, "বেআইনি দখল সরাতে কর্পোরেশন আগেই ব্যবসায়ীদের সঙ্গে একাধিক বৈঠক করেছে। আজকের অভিযান চলেছে কোনওরকম বাধা ছাড়াই। দখলদাররাও সহযোগিতা করেছেন। শুধু উর্দি বাজারই নয় , মহকুমা শাসকের দফতরের সামনেও দখলদারি সরানো হয়েছে। ওই এলাকাগুলিতে খুব শীঘ্রই নতুন ফুটপাত তৈরি করে রেলিং দিয়ে ঘিরে দেওয়া হবে।"
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়