নিজস্ব প্রতিনিধি , নদীয়া - পূজা শেষে বিসর্জন ঘাটে যেখানে সাধারণ মানুষ থাকেন আবেগে আপ্লুত, সেখানে ব্যস্ত সময় কাটে একদল কিশোর সহ যুবকেদের। বিসর্জনের দিনটি যে কারও জন্যই আবেগের। তবে এই যুবকদের কাছে এটাই পেটের ভাত জোগানোর অন্যতম সুযোগ।

সূত্রের খবর , বছরভর কাজ না থাকা অনেকেই এই পুজোর বিসর্জনের কটা দিন নামেন ঘাটে প্রতিমা নিরঞ্জনের জন্য। এদের মধ্যে কেউ পড়ে ক্লাস সিক্স , কেউ ক্লাস ফোর। তবে রোজগারের তাগিদে এদের চোখে শুধুই কাজ। কোভিডের কারণে গত দুই বছরে দুর্গাপূজা সীমিত আকারে পালিত হয়েছে। ফলে কাজ পাননি এরা।

কিন্তু এই বছর পূজো যেমন আড়ম্বরপূর্ণ হয়েছে , তেমনি জোর কদমে ফিরেছে বিসর্জনের কাজও। নদীয়ার বিভিন্ন বিসর্জন ঘাটে দেখা মিলছে এমন বহু কিশোর সহ যুবকের , যারা ঘাটে ঘাটে ঘুরে বেড়াচ্ছে ঠাকুর , কাঠামো , ডাব বা সাজসজ্জার অংশ সংগ্রহ করতে , কিংবা বিসর্জনে সহায়তা করতে।

বারোয়ারি পুজোর সদস্যসংখ্যা কমে যাওয়া , কর্মব্যস্ততা সহ অভিজ্ঞতার অভাবে এখন অনেক পুজো কমিটিই বিসর্জনের পর কাঠামো বা প্রতিমা তোলার কাজে ভরসা রাখছে এই যুবকদের উপর। সরকারি বিধিনিষেধের মধ্যে থেকে এসব কাজ করতে গিয়ে কেউ কেউ জলেও নামে , কেউ কাঠামো কেটে দেয় , কেউ ঠাকুর গাড়িতে তোলে।

এরা জানিয়েছে , প্রতিটি কাজের জন্য আলাদা পারিশ্রমিক মিললেও সেটা নিজেদের মধ্যে সমানভাবে ভাগ করে নেয় তারা। ফলে কিছুটা আর্থিক সুরাহা হয়। আর পুজোর শেষে বাড়ি ফেরা হয় মুখে হাসি নিয়ে। এইভাবে ঘাটে ঘাটে তৈরি হয়েছে এক নতুন ধরনের পেশা - ‘বিসর্জনের সহযোগী’। সমাজের এক প্রান্তের এই যুবকদের হাত ধরেই দুর্গাপুজোর বিসর্জনের দিনগুলিতে তৈরি হচ্ছে এক অন্যরকম চিত্র।
কেউ কেউ এপ্রসঙ্গে জানান , ‘‘সারা বছর ঠিকমতো কাজ পাই না। এই দুটো দিন যা পাই , তাই দিয়েই কিছুটা সময় চলে যায়। তাছাড়া আমরা সরস্বতী পুজো করি। তাতেও এই কাঠামো গুলি কাজে লাগে। সব মিলিয়ে এটি আমাদের উপরি রোজগার। এর দ্বারা আমাদের কিছুটা সময় চালানোর জন্য রোজগার হয়ে যায়।''
ঘটনায় কাঠগড়ায় তৃণমূল নেতা
কেন্দ্রের বিরুদ্ধে কড়া সুর মমতার
তৃণমূলের নির্দেশেই এই বিক্ষোভ বলে অভিযোগ বিজেপির
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়