নিজস্ব প্রতিনিধি , বীরভূম - মাড়গ্রামের চাঁদপাড়া গ্রামে ঠাকুর বিসর্জনের মিছিলে ঘটল মর্মান্তিক ঘটনা। ভিলেজ পুলিশের ছোঁড়া নিষিদ্ধ বাজিতে গুরুতর জখম এক যুবক। ঘটনাটিকে ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়।
সূত্রের খবর, বৃহস্পতিবার রাতে স্ত্রীকে নিয়ে ঠাকুর বিসর্জন দেখতে যায় হেমন্ত বাগদি। সেই সময় ভিলেজ পুলিশ সজল মাঝির সঙ্গে কোনো কারণ বশত তর্কাতর্কি শুরু হয় হেমন্তের। সেই সময় সজল মাঝি তার মুখে জ্বলন্ত বাজি ছুড়ে মারে। যার জেরে গুরুতর আহত হন ওই যুবক। ঘটনার জেরে বিসর্জন মিছিল বন্ধ হয়ে যায়। পাশপাশি, পুলিশের বিরুদ্ধে রীতিমতো ক্ষোভ প্রকাশ করে স্থানীয় বাসিন্দারা।
গুরুতর আহত অবস্থায় জখম যুবককে উদ্ধার করে স্থানীয়রা রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজে নিয়ে যায়। বর্তমানে সেখানেই চিকিৎসাধীন আহত যুবক। বিস্ফোরণের জেরে যুবকের মুখের একাধিক অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ, বাজিটি নিষিদ্ধ আতসবাজি ছিল। যদিও পুলিশের পক্ষ থেকে সেই অভিযোগ অস্বীকার করা হয়।
ঘটনায় অভিযুক্ত ভিলেজ পুলিশকে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এই ঘটনার নেপথ্যে কি কারণ সেই বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে পুলিশের অনুমান, পুরোনো কোনো বিবাদের জেরেই এই ধরনের ঘটেছে। যদিও আহত যুবকের পরিবারের দাবি, ওই পুলিশের সঙ্গে তাদের কোনোরকম কোনো বিবাদ ছিল না।
মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে
মুখ্যমন্ত্রীকে সরাসরি আক্রমণ অর্জুন সিংয়ের
আরও বড় আন্দোলনের হুমকি বিরোধীদের
বৈধ নাগরিক হয়েও ডিটেনশন ক্যাম্পে বীরভূমের ৫ যুবক
স্থানীয়দের আশ্বাস উত্তর মালদহের বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মুর
তদন্তে নেমেছে অশোকনগর থানার পুলিশ
সীমান্ত অনুপ্রবেশে বাড়ছে উদ্বেগ
অতিরিক্ত কাজের চাপে অসুস্থ দাবি পরিবারের
বিশালাকার মিছিল নিয়ে ডেপুটেশন কর্মসূচি পালন
৯ ডিসেম্বর কোচবিহারে মুখ্যমন্ত্রীর সভা
আহত হাতিটিকে হাসপাতালে ভর্তি করেছে বন দফতরের কর্মীরা
সরকারকে ইমেল করা হলেও জবাব পায়নি বলে দাবি পরীক্ষার্থীর
ঘটনার তদন্ত শুরু পুলিশের
শাসক দলের কৰ্মসূচিতে যোগদান না করায় মারধরের অভিযোগ
বিশেষ চেকিংয়ের পরেই কেন্দ্রে প্রবেশাধিকার পেয়েছেন পরীক্ষার্থীরা
হামলার কথা স্বীকার ইজরায়েলের
সতর্কতামূলক পদক্ষেপ এয়ারবাসের
সোশ্যাল মিডিয়ায় মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল ভিডিও
বিবৃতি জারি ট্রাম্প প্রশাসনের
আপাত বন্ধ স্কুল-অফিস