নিজস্ব প্রতিনিধি , বাঁকুড়া - বিষ্ণুপুর জেলা হাসপাতালে রক্তের হাহাকার। একাধিক গ্রুপের রক্ত খুজতে হিমশিম খাচ্ছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। ব্লাড ব্যাংকে অতিরিক্ত রক্ত তো দূরের কথা প্রয়োজনীয় রক্ত পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে চরম ভোগান্তির সম্মুখীন হচ্ছেন রোগীরা। জীবন নিয়ে শুরু হয়েছে টানাটানি। চিন্তায় পড়েছে রোগীদের পরিবারের সদস্যরা।
চিকিৎসকের মতে , প্রত্যেক দিন জেলা হাসপাতালে ৩০ ইউনিট করে রক্ত লাগে। অর্থাৎ , মাসে ৯০০ ইউনিট রক্ত লাগে। সেখানে দাঁড়িয়ে কালেকশন হচ্ছে প্রতিমাসে ৫০০ থেকে ৬০০ ইউনিট। মাসে এই ব্লাড ব্যাংকে কুড়ি থেকে বাইশটি রক্তদান শিবিরের প্রয়োজন হয়। সেখানে নভেম্বর মাসে রক্তদান শিবির পাওয়া গেছে মাত্র ৮টি। ডিসেম্বর মাসের জন্য রয়েছে এখনো পর্যন্ত শুধুমাত্র দুটি। যেহেতু ডিসেম্বরে রক্তদান শিবিরের সংখ্যা কম তাই সমস্ত গ্রুপের রক্তই শুন্যে নেমে আসতে পারে বলে অনুমান চিকিৎসকদের।
প্রতিদিন প্রায় হাজার হাজার মানুষের চিকিৎসা হয় বিষ্ণুপুর হাসপাতালে। বিষ্ণুপুর মূলত কৃষি প্রধান এলাকা। বর্তমান পরিস্থিতিতে কৃষকদের মাঠে আলু লাগানোর কাজ চলছে। অন্যদিকে চলছে ধান কাটার কাজ। স্বাভাবিকভাবেই সাধারণ মানুষ মাঠে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। অন্যদিকে , রাজনৈতিক নেতৃত্বরা SIR এর কাজে ব্যস্ত। স্বাভাবিকভাবেই কেউ রক্তদান শিবিরে আপতত আগ্রহ দেখাচ্ছে না। তাই রক্তের ঘাটতি দেখা দিয়েছে ব্লাড ব্যাংকে।
মৃতদের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্যের আশ্বাস সরকারের
রাজ্য সরকারকে তীব্র আক্রমণ নাড্ডার
অনুপ্রবেশ সহ একাধিক ইস্যুতে তৃণমূলকে নিশানা নীতিন নবীনের
ছেলের চিন্তায় নাওয়া খাওয়া ভুলেছে গোটা পরিবার
হাসপাতালের বাইরে কান্নায় ফেটে পড়েছে পরিবারের সদস্যরা
প্রায় ৮ বছর আগে ইরানে গেছিল পরিবারের ৫ সদস্য
শুনানিতেও ডাকা হয়েছিল বিধায়ককে
নতুন দলের নাম হচ্ছে আম জনতা পার্টি
অনিশ্চয়তায় দিন গুনছে গোটা পরিবার
কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ বিধায়কের
তালিকা প্রকাশ হতেই ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ
এক কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে
নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিচ্ছে শাসক শিবির
মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েছেন শিবপুরের BLO
আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে আহত
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর