নিজস্ব প্রতিনিধি, হুগলী - মানবিকতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত গড়ল শ্রীরামপুরের শ্রমজীবী ব্লাড সেন্টার। সম্প্রতি হুগলীর এক প্রত্যন্ত গ্রামে আয়োজিত রক্তদান শিবির থেকে সংগৃহীত রক্তের মধ্যে মেলে বিরল ‘বোম্বে গ্রুপ’-এর রক্ত। যা সাধারণত সারা দেশে লাখে একজনের শরীরেই পাওয়া যায়! এই বিরল রক্তের নমুনা সংগ্রহের পর যখন পরীক্ষায় এর বিশেষত্ব ধরা পড়ে, তখনই তা সংরক্ষণ করে রাখা হয় ব্লাড সেন্টারের তরফে।
ঠিক সেই সময়ে কল্যাণীর জে.এন.এম. হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন বছর তেইশের এক সঙ্কটজনক প্রসূতি, যার শরীরে হিমোগ্লোবিন নেমে গিয়েছিল মাত্র ৫ শতাংশে। চিকিৎসকেরা জানান, তাঁর জীবন বাঁচাতে প্রয়োজন বোম্বে গ্রুপের রক্ত, যা প্রায় অমিল। এই মুহূর্তে সেই বিরল রক্তটি শ্রমজীবী ব্লাড সেন্টার থেকেই সরবরাহ করা হয় হাসপাতালে। ফলত, প্রসূতি ও নবজাতক - দুই প্রাণই রক্ষা পায়।

চিকিৎসা বিশেষজ্ঞদের মতে, ‘বোম্বে গ্রুপ’ আসলে ও গ্রুপেরই এক বিশেষ রূপ, যেখানে রক্তের লোহিত কণিকায় “এ”, “বি” বা “এইচ” অ্যান্টিজেন থাকে না, বরং “অ্যান্টি এ”, “অ্যান্টি বি” ও “অ্যান্টি এইচ” উপস্থিত থাকে। এই বিশেষ গঠনগত পার্থক্যের জন্য বোম্বে গ্রুপের রোগীকে অন্য কোনো গ্রুপের রক্ত দেওয়া বিপজ্জনক, এমনকি প্রাণঘাতী হতে পারে।
শ্রমজীবী ব্লাড সেন্টারের চিকিৎসক শশাঙ্ক ভূষণ গোস্বামী জানান, “এমন বিরল রক্ত পাওয়া সত্যিই সৌভাগ্যের বিষয়। এই রক্ত না পেলে ওই রোগিণীর জীবন রক্ষা সম্ভব ছিল না।”
সংস্থার সহসম্পাদক গৌতম সরকার বলেন, “একটি বিরল গ্রুপের রক্ত দিয়ে আমরা মা ও সন্তানের জীবন বাঁচাতে পেরেছি, এটা আমাদের কাছে গর্বের ও আবেগের মুহূর্ত।” চিকিৎসা মহলে এখন এই ঘটনা নিয়ে ব্যাপক সাড়া পড়েছে। অনেকেই বলছেন, আধুনিক স্বাস্থ্যব্যবস্থায় রক্তদাতাদের এই মানবিক ভূমিকা সমাজে নতুন আশার বার্তা দেয়। শ্রমজীবী ব্লাড সেন্টারের এই উদ্যোগ প্রমাণ করে, নিয়মিত রক্তদানই হতে পারে অনেক জীবনের রক্ষাকবচ।
শাসক দলের পাশাপাশি বামেদেরকে নিশানা অমিত শাহের
গোর্খাল্যান্ড না হলে উত্তরবঙ্গকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল করার দাবি গোর্খাবাসীদের
ভারত সরকারের দিকে চেয়ে সুলেখার পরিবার
বাঁকুড়ার পুলিশ সুপারের দফতরের সামনে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি বিধায়করা
লালগোলা–বহরমপুর রাজ্যসড়ক অবরোধ করে প্রতিবাদে নামে তৃণমূল কংগ্রেস
ঘটনায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ
মৃতদের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্যের আশ্বাস সরকারের
রাজ্য সরকারকে তীব্র আক্রমণ নাড্ডার
অনুপ্রবেশ সহ একাধিক ইস্যুতে তৃণমূলকে নিশানা নীতিন নবীনের
ছেলের চিন্তায় নাওয়া খাওয়া ভুলেছে গোটা পরিবার
হাসপাতালের বাইরে কান্নায় ফেটে পড়েছে পরিবারের সদস্যরা
প্রায় ৮ বছর আগে ইরানে গেছিল পরিবারের ৫ সদস্য
শুনানিতেও ডাকা হয়েছিল বিধায়ককে
নতুন দলের নাম হচ্ছে আম জনতা পার্টি
অনিশ্চয়তায় দিন গুনছে গোটা পরিবার
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর