নিজস্ব প্রতিনিধি, হুগলী - একদিকে যখন গোটা রাজ্যে শিক্ষকদের চাকরি বাতিল নিয়ে তোলপাড়, তখন অন্যদিকে একদল শিক্ষক বিনা বেতনে পড়িয়ে প্রমাণ করছেন আসল শিক্ষক মানেই আদর্শ সমাজের পথপ্রদর্শক। হুগলীর খন্যানের মুল্টি আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায় বেতনবিহীন শিক্ষা কেন্দ্র গত পাঁচ বছর ধরে দরিদ্র ছাত্র ছাত্রীদের জন্য আশার আলো জ্বালিয়ে রেখেছে।
সূত্রের খবর, এই শিক্ষা কেন্দ্রের সূচনা করেছিলেন খন্যান ইটাচুনা শ্রী নারায়ন ইনস্টিটিউশনের প্রাক্তন শিক্ষক বীরেন্দ্রনাথ রায়। বাবার স্বপ্নকে এগিয়ে নিয়ে যেতে তাঁর ছেলে বরেন্দ্রনাথ রায়, প্রাক্তন ব্যাংক কর্মী ২০২০ সালের এপ্রিল মাসে মাত্র কয়েকজন পড়ুয়াকে নিয়ে এই কেন্দ্র শুরু করেন। কোভিডে কিছুদিন বন্ধ থাকলেও আগস্ট ২০২০ থেকে ফের শুরু হয় শিক্ষার এই পথচলা। বর্তমানে প্রায় ৭০ জন ছাত্র ছাত্রী এখানে পড়াশোনা করছে।
এই শিক্ষা কেন্দ্রে রয়েছেন ১৬ জন শিক্ষক-শিক্ষিকা। তাদের মধ্যে ৬ জন প্রাক্তন স্কুল শিক্ষক, ৩ জন সরকারি ও ব্যাংক কর্মচারী
২ জন এই শিক্ষা কেন্দ্রেরই প্রাক্তন ছাত্রী বাকিরা স্থানীয় উদ্যোগী মানুষ। প্রতিদিন সকাল বিকেল ক্লাস হয়। সপ্তম থেকে দ্বাদশ শ্রেণীর পড়ুয়ারা এখানে পড়ে। মাধ্যমিক স্তরে সব বিষয় শেখানো হয়, আর উচ্চমাধ্যমিকে কলা বিভাগের পড়ানো হয়।
এই মুহূর্তে শিক্ষা কেন্দ্রের দায়িত্ব সামলাচ্ছেন প্রধান শিক্ষক আশীষ দত্ত। তিনি বলেন, “অনেক পরিবার আছে যেখানে আর্থিক অসুবিধার কারণে বাচ্চাদের পড়াশোনায় সাহায্য করার মতো কেউ নেই। আমরা সেই পরিবারগুলির পাশে দাঁড়াতে চাই। এখানে প্রত্যেক শিক্ষক আন্তরিকতার সঙ্গে পড়ান। ছাত্ররা যেমন কোনো বেতন দেয় না, শিক্ষকরাও বিনা পারিশ্রমিকে পড়ান।"
তীর্থঙ্কর রায়, যিনি বিকাশ ভবন, নবান্ন ও রাইটার্সে চাকরি করেছেন, জানান, “তিন বছর ধরে এই কেন্দ্রে পড়াচ্ছি। এখানে আর্থিকভাবে পিছিয়ে থাকা পরিবারের মেধাবী ছাত্রদের পেয়েছি। আমরা বেতন নিয়ে ভাবি না। আমাদের উদ্দেশ্য হলো ছাত্রদের মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা।"
৫ই সেপ্টেম্বর শিক্ষক দিবসে এই শিক্ষা কেন্দ্রের প্রতিটি পড়ুয়া নিজেদের সাধ্য মতো শিক্ষকদের সম্মান জানায়। গোলাপ, খাতা কলম কিংবা ছোট্ট কেক, সবই এখানে ভালোবাসার প্রতীক। আর শিক্ষকরাও মনে করিয়ে দেন, "আসল গুরুদক্ষিণা হলো পড়াশোনায় মন দেওয়া আর মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠা।"
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়