নিজস্ব প্রতিনিধি , নদীয়া - রাতের নিস্তব্ধতা ভেঙে হঠাৎ চিৎকার। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার জেরে এক যুবককে ঘর থেকে টেনে বের করে বেধড়ক মারধর, তারপর খুনের অভিযোগ। নৃশংস ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়।

স্থানীয় সূত্রে খবর, বুধবার রাত সাড়ে দশটা নাগাদ বিজেপি কর্মী সঞ্জয় ভৌমিক নিজের বাড়িতে ফিরছিলেন। সেই সময় রাস্তার মোড়ে কয়েকজন তৃণমূল সমর্থক তর্কে জড়িয়ে পড়ে।সঞ্জয় আপত্তি করলে উভয়পক্ষের মধ্যে বচসা বাড়ে। ঝামেলা এড়াতে সঞ্জয় বাড়িতে ফিরে গেলেও তাতেই ক্ষান্ত হয়নি দুষ্কৃতীরা। অভিযোগ, রাত প্রায় ১১টার দিকে কয়েকজন যুবক দল বেঁধে সঞ্জয়ের বাড়িতে চড়াও হয়। ঘর থেকে তাকে টেনে এনে বেধড়ক মারধর করা হয়।

পরিবারের সদস্যরা গুরুতর আহত সঞ্জয়কে দ্রুত নবদ্বীপ স্টেট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে রাতভর চিকিৎসার পর বৃহস্পতিবার ভোরে তাঁর মৃত্যু হয়।

মৃতের দিদি, সাথী চক্রবর্তী যিনি নিজেও বিজেপির পরিচিত নেত্রী, সংবাদমাধ্যমের সামনে চোখের জলে ভেসে বলেন, আমার ভাই আগে বিজেপি দল করত, কিন্তু এখন কোনও দলের সাথেই যোগাযোগ ছিলনা। তৃণমূল বিধ্যকের ড্রাইভার তারক দেবনাথ ও জয় রায় নামের দুজনকে তিনি অভিযুক্ত হিসেবে চিহ্নিত করেন। তিনি বলেন ওরাই আমাদের পাড়ার পার্কে ঢুকে ঝামেলা করতে থাকে। আমার ভাই শুধু বলেছিল ঝামেলা না করতে।

এরপর বাড়ি চলে আসার ১ ঘণ্টা পর আমার ভাইকে বাড়ি থেকে টেনে নিয়ে গিয়ে উঠোনে ফেলে বুকে পায়ে লাথি মারে। তাকে পরিকল্পনা করে হত্যা করা হয়েছে। ন্যায়বিচার না পাওয়া পর্যন্ত আমরা চুপ করে থাকব না।” তিনি আরও যোগ করেন, “আজ আমাদের পরিবার শোকে ভেঙে পড়েছে, কিন্তু লড়াই চালিয়ে যাব। যে রাজনীতির জন্য আমার ভাইয়ের জীবন চলে গেল, সেই রাজনীতির বিরুদ্ধে শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত লড়ব।”

খবর পাওয়া মাত্রই এলাকাবাসী ক্ষোভে ফেটে পড়েন। থানায় বিক্ষোভ দেখিয়ে অভিযুক্তদের অবিলম্বে গ্রেফতারের দাবি তোলেন তাঁরা। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দুষ্কৃতীদের খোঁজে তল্লাশি চলছে, রাজনৈতিক রেষারেষির দিকটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

নবদ্বীপের বিজেপি প্রেসিডেন্ট শঙ্খ দেবনাথ জানান , রাত ২টোর সময় আমাদের বিজেপি কর্মকর্তা সঞ্জয়কে টানতে টানতে বাইরে এনে অকথ্য অত্যাচার চালানো হয় ফলে তার ঘরের পেছনে গুরুতর আঘাত লাগে। উদ্দেশ্য প্রণোদিত ভাবে এই কাজ করা হয়েছে। আর করেছে তৃণমূলের আশ্রিত গুন্ডা বাহিনীরাই । তিনি স্পষ্ট বার্তা দেন, প্রত্যেকটি দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না হলে বৃহত্তর আন্দোলন হবে।”

অন্যদিকে তৃণমূলের দাবি, এটি ব্যক্তিগত বিবাদ, রাজনীতির সঙ্গে সম্পর্ক নেই। এলাকাজুড়ে এখনও টানটান উত্তেজনা, পরিস্থিতি সামাল দিতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়