নিজস্ব প্রতিনিধি , শিলিগুড়ি - হাসপাতাল চত্বরে ভাষা বিদ্বেষ। রোগীর পরিবারের সঙ্গে রীতিমত অসভ্যতামো করলেন ফার্মাসিস্ট। হিন্দি বুঝতে না পারায় বাংলা বলতে অনুরোধ করে রোগীর পরিবার। উত্তরে তাদের হিন্দি শিখে আসতে বলেন হাসপাতালের ফার্মাসিস্ট। ঘটনায় তুমুল চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে শিলিগুড়ি জেলা হাসপাতালে।
সূত্রের খবর , সন্তানকে নিয়ে শিলিগুড়ি জেলা হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য আসেন এক দম্পতি। ডাক্তার কিছু ওষুধ লিখে দেওয়ায় সেগুলি হাসপাতালের ওষুধের দোকানেই কিনতে যান রোগীর বাবা। ওষুধ নেওয়ার পর কখন কিভাবে খেতে হবে জানতে চাওয়ায় হিন্দিতে উত্তর দিতে শুরু করেন ফার্মাসিস্ট। তখনই , হিন্দি বুঝতে না পারায় অনুরোধ করে বাংলা বলতে বলেন রোগীর বাবা। এরপরই রীতিমত দুর্ব্যবহার শুরু করেন ফার্মাসিস্ট। কোনোমতেই বাংলা বলতে রাজি ছিলেন না ফার্মাসিস্ট।
ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানায় রোগীর পরিবার। ফার্মাসিস্ট বলেন , "আমি বাংলায় কথা বলবই না। দরকার হলে আপনি হিন্দি শিখে আসুন।" একদিকে সন্তান অসুস্থ অন্যদিকে এমন দুর্ব্যবহার। এরপরই শুরু হয় বচসা। ওষুধ নিয়ে চলে আসার পর আরও একটি অভিযোগ তোলে রোগীর পরিবার। ডাক্তারের দেওয়া একটি ওষুধ দেননি ফার্মাসিস্ট। বদলে অন্য একটি ওষুধ দিয়ে দেন। এরপর সেই দোকানে যাওয়ায় বাকি ফার্মাসিস্টরা অভিযোগকারীকে দোকান থেকে বের করে দেন। রোগীর বাবাকে সঠিক ওষুধ দেন দোকানের অন্য এক কর্মচারী। এমনকি তখনও ওই ফার্মাসিস্ট বাংলায় কথা বলেননি। খবর ছড়াতেই রোগীর পরিবারের পক্ষ নিয়ে প্রতিবাদে নেমেছে বাংলা পক্ষ।
হাসপাতাল চত্বরে উপস্থিত থাকা একজন ঘটনা প্রসঙ্গে জানিয়েছেন , "ওষুধের কাউন্টারে যিনি বসে আছেন তিনি একজন হিন্দিভাষী মহিলা। শিলিগুড়ির মত জায়গায় কিভাবে বাংলাকে এড়িয়ে চলছে এটা ভাবতেই পারছিনা। রোগীর পরিবারের সঙ্গে এমন দুর্ব্যবহার কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায়না। আরও বড় বিষয় হল ওষুধ ভুল দেওয়া। অনেকেই চেক করেন না। ভাগ্যিস সেই ভাই বাইরে গিয়ে ওষুধ মিলিয়ে দেখেন নাহলে তো ক্ষতিও হয়ে যেতে পারত। আমার মনে হয় অবিলম্বে এই মহিলার শাস্তি হওয়া উচিত। নাহলে দিনের পর দিন এই ভাষাবিদ্বেষ বাড়তেই থাকবে।"
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়