নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা - স্কুটার চালানো শিখতে গিয়ে নিখোঁজ তরুণী ও তাঁর বন্ধু। সোমবার রাত থেকে তাদের কোনও হদিস পাওয়া যাচ্ছিল না। খালের ধার থেকে মেলে স্কুটার ও মোবাইল ফোন, রাতভর ডুবুরি নামিয়ে তল্লাশি চালানো শুরু হলে অবশেষে সকালে ওই নিখোঁজ যুবকের মৃতদেহ দেহ ভেসে ওঠে। এমন ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় উত্তেজনা তুঙ্গে।
সূত্রের খবর, দক্ষিণ কলকাতার আনন্দপুরে সোমবার গভীর রাতে রহস্যময় ঘটনাটি ঘটে । স্কুটার চালানো শিখতে বেরিয়েছিলেন ২৩ বছরের তরুণী রনিতা বৈদ্য ও তাঁর প্রশিক্ষক বন্ধু রোহিত আগরওয়াল। তারপর থেকেই তাঁদের আর খোঁজ মেলেনি।রাতের অন্ধকারে আচমকাই দেখা যায় খালের ধারে পড়ে রয়েছে একটি স্কুটার ও একটি মোবাইল ফোন। অভিযোগ ওঠে, রোহিত রনিতাকে মারধর করে খালে ফেলে দেন। এরপর থেকেই জোরদার তল্লাশি অভিযান শুরু হয়।
ঘটনার খবর পেয়ে রাত সাড়ে ১২টা থেকে নামানো হয় ডুবুরি দল। ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধরে খালের গভীরে খোঁজ চালানো হয়। অন্ধকার ও জটিল গভীরতার কারণে তল্লাশি চলতে থাকে সারারাত। রনিতার মা বাবার দাবি, “মেয়ে সাধারণত কাউকে না জানিয়ে কখনও বাইরে যায় না। ফলে তাঁদের ভয়, হয়তো বড়সড় কোনো দুর্ঘটনা ঘটে গেছে।”
মঙ্গলবার সকালে খাল থেকে উদ্ধার হয় রোহিত আগরওয়ালের দেহ। পরিবার তা সনাক্ত করে। অবাক করার মতো বিষয়, তাঁর হাতের মুঠোয় শক্ত করে ধরা ছিল স্কুটারের চাবি। এই দৃশ্য নতুন ধোঁয়াশা সৃষ্টি করেছে। রহস্য আরও গভীর হয় যখন মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত তল্লাশি অভিযান চলার পর নিখোঁজ তরুণীরও মৃতদেহ উদ্ধার হয়।
যুবকের মৃতদেহ উদ্ধারের পর তাকে ঘিরে ধোঁয়াশার সৃষ্টি হয়েছে। প্রশ্ন উঠছে, যদি রোহিত সত্যিই রনিতাকে ফেলে দেন, তবে তাঁর নিজের মৃত্যু কীভাবে ঘটল? নাকি ঘটনা অন্যদিকে মোড় নিচ্ছে? ঘটনায় অজানা রহস্যের দানা বেঁধেছে গোটা এলাকায়।
শাসক দলের পাশাপাশি বামেদেরকে নিশানা অমিত শাহের
গোর্খাল্যান্ড না হলে উত্তরবঙ্গকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল করার দাবি গোর্খাবাসীদের
ভারত সরকারের দিকে চেয়ে সুলেখার পরিবার
বাঁকুড়ার পুলিশ সুপারের দফতরের সামনে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি বিধায়করা
লালগোলা–বহরমপুর রাজ্যসড়ক অবরোধ করে প্রতিবাদে নামে তৃণমূল কংগ্রেস
ঘটনায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ
মৃতদের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্যের আশ্বাস সরকারের
রাজ্য সরকারকে তীব্র আক্রমণ নাড্ডার
অনুপ্রবেশ সহ একাধিক ইস্যুতে তৃণমূলকে নিশানা নীতিন নবীনের
ছেলের চিন্তায় নাওয়া খাওয়া ভুলেছে গোটা পরিবার
হাসপাতালের বাইরে কান্নায় ফেটে পড়েছে পরিবারের সদস্যরা
প্রায় ৮ বছর আগে ইরানে গেছিল পরিবারের ৫ সদস্য
শুনানিতেও ডাকা হয়েছিল বিধায়ককে
নতুন দলের নাম হচ্ছে আম জনতা পার্টি
অনিশ্চয়তায় দিন গুনছে গোটা পরিবার
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর