নিজস্ব প্রতিনিধি , হুগলী - চার দিনের আনন্দ শেষ! উচ্ছ্বাস শেষে আজ দশমীর সকালে নেমেছে বিষাদের ছায়া। উমার বিদায়ের সুরে ভরে উঠেছে হুগলীর কোন্নগরের ঘোষালবাড়ি। ভোর থেকেই শুরু হয়েছে মাকে বরণ করার আচার। সাদা শাড়ি লাল পাড় পরে, মাথায় ঘোমটা দিয়ে একসঙ্গে দেবীকে বরণ করলেন পরিবারের মহিলারা। ঠাকুরকে সিঁদুর পরিয়ে একে একে সবাই মেতে উঠলেন সিঁদুর খেলায়। আনন্দ আর চোখের জলে মিলেমিশে উঠল আবেগঘন পরিবেশ।

সূত্রের খবর, ৫৭১ বছরের পুরনো এই দুর্গাপুজো জেলার অন্যতম প্রাচীন পূজা। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে চলে আসা রীতিনীতি আজও অপরিবর্তিত। দশমীর সকালে ঘোষালবাড়ির বিশেষ প্রথা অনুযায়ী মহিলারা ইলিশ মাছ আর পান্তা ভাত খেয়ে ঠাকুর বরণ করেন। তারপর নির্দিষ্ট সময়ে মাকে নিয়ে যাওয়া হয় গঙ্গার ঘাটে নিরঞ্জনের জন্য। প্রাচীন এই আচার অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে প্রতিবছরই ভিড় জমে ঘোষালবাড়িতে।

দশমীর সকাল থেকেই ঘোষালবাড়ির আঙিনায় আবেগঘন পরিবেশ। একদিকে সিঁদুর খেলায় উচ্ছ্বাস, অন্যদিকে বিদায়ের বেদনা। মাকে নিরঞ্জন করার পর থেকেই পরিবারের প্রতিটি সদস্যের চোখে জল। তবে মায়ের বিদায় মানেই আবার শুরু আগামী বছরের দিন গোনা।

পরিবারের সদস্যদের কথায়, "এই কয়দিনের আনন্দই আমাদের সারা বছরের শক্তি। একসঙ্গে হাসি, আড্ডা, আনন্দে কেটেছে দিনগুলো। এখন আবার অপেক্ষা এক বছরের।" বাড়ির মহিলারা বলেন, নাড়ু বানানো থেকে শুরু করে পুজোর সমস্ত প্রস্তুতি সবাই মিলে করেন। আর এই পুজোর সময় দূর দূরান্তে থাকা আত্মীয়রা ফিরে আসেন নিজের বাড়িতে। কিন্তু দশমীর পর আবার সকলে নিজেদের কাজে ফিরে যাবেন, থেকে যাবে শুধু দীর্ঘ অপেক্ষা।

শাসক দলের পাশাপাশি বামেদেরকে নিশানা অমিত শাহের
গোর্খাল্যান্ড না হলে উত্তরবঙ্গকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল করার দাবি গোর্খাবাসীদের
ভারত সরকারের দিকে চেয়ে সুলেখার পরিবার
বাঁকুড়ার পুলিশ সুপারের দফতরের সামনে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি বিধায়করা
লালগোলা–বহরমপুর রাজ্যসড়ক অবরোধ করে প্রতিবাদে নামে তৃণমূল কংগ্রেস
ঘটনায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ
মৃতদের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্যের আশ্বাস সরকারের
রাজ্য সরকারকে তীব্র আক্রমণ নাড্ডার
অনুপ্রবেশ সহ একাধিক ইস্যুতে তৃণমূলকে নিশানা নীতিন নবীনের
ছেলের চিন্তায় নাওয়া খাওয়া ভুলেছে গোটা পরিবার
হাসপাতালের বাইরে কান্নায় ফেটে পড়েছে পরিবারের সদস্যরা
প্রায় ৮ বছর আগে ইরানে গেছিল পরিবারের ৫ সদস্য
শুনানিতেও ডাকা হয়েছিল বিধায়ককে
নতুন দলের নাম হচ্ছে আম জনতা পার্টি
অনিশ্চয়তায় দিন গুনছে গোটা পরিবার
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর