নিজস্ব প্রতিনিধি , উত্তর ২৪ পরগণা - একদিকে সুপ্রিম কোর্ট যখন দিল্লিতে পথকুকুরদের সরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে, তখন দমদমের এক পদক্ষেপ যেন একেবারে উল্টো ছবি তুলে ধরল। দমদমের রাস্তায় প্রতিদিনই দেখা মেলে দল বেঁধে ঘুরে বেড়ানো পথকুকুরদের। কেউ ভাত নিয়ে আসেন, কেউ বা রুটি। আবার কখনও সেই খাবারকে ঘিরে মানুষের মধ্যে ঝগড়াও বাধে।
সূত্রের খবর, কুকুরদের খাওয়ানো নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই চলছে টানাপোড়েন। কোথাও খাবার ঘিরে অশান্তি, কোথাও আবার নোংরার অভিযোগ। কারও অভিযোগ,”কুকুর খাওয়ানোর জন্য পাড়ায় নোংরা হচ্ছে”, কারও আবার বক্তব্য, “ কুকুরও তো আমাদের মতো প্রাণী, তাদেরও খাবার প্রয়োজন।”এই সমস্যার সমাধান দিতেই দমদম পুরসভা এবার পথে নামল। নতুন নির্দেশিকায় ঠিক করে দেওয়া হল। কখন, কোথায় এবং কীভাবে খাওয়ানো যাবে পথকুকুরদের।

এই টানাপোড়েন থামাতেই দমদম পুরসভা নতুন এক উদ্যোগ নিয়েছে। তারা ঠিক করেছে, এবার থেকে আর যেমন খুশি, তেমন ভাবে কুকুরদের খাওয়ানো যাবে না। সকাল ৭টা আর সন্ধে ৭টা, এই দু’টো সময়ই খাওয়ানো যাবে। আর তার জন্য ৯২টা বিশেষ জায়গা বেছে নেওয়া হয়েছে। যেখানে মানুষের চলাফেরায় অসুবিধা হবে না, বাচ্চাদের খেলায়ও কোনো ব্যাঘাত ঘটবে না।পুরসভা তরফে কুকুরদের জন্য খাবারের তালিকাও বানিয়ে দেওয়া হয়েছে। ভাত, রুটি, আলুসেদ্ধ বা সামান্য মাংস মাছ দিয়ে রান্না করা হালকা খাবার চলবে। তবে মিষ্টি, দুধ, পেঁয়াজ রসুন বা ফল একেবারেই নয়। খাওয়ানোর পর অবশ্যই জায়গাটা পরিষ্কার করতে হবে, নইলে আইনি শাস্তি ও পেতে হতে পারে।
পশুপ্রেমী মালতী চৌধুরী বললেন, “আমি বহুদিন ধরে কুকুর খাওয়াই। এর জন্য পাড়ায় অনেকের সঙ্গে অশান্তিও হয়েছে। পুরসভা নির্দিষ্ট জায়গা করে দেওয়ায় এখন অনেক নিশ্চিন্ত।”
পশুপ্রেমী সুশান্ত দাসের মতে, “এটা আমাদের জন্য সুরক্ষার মতো। এখন অন্তত নির্দ্বিধায় কুকুরদের খাওয়াতে পারব।
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়