নিজস্ব প্রতিনিধি , উত্তর ২৪ পরগণা - বিধানসভা ভোটের আগে শনিবার প্রকাশিত হয়েছে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা। এরপরই উঠে আসছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। যারা এতদিন দেশের নাগরিক ছিলেন তাদের নামের পাশে দেখা যাচ্ছে বিচারাধীন। তেমনই নৈহাটি পুরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সুশান্ত সরকার-সহ তার মা আরতি সরকারের নাম নতুন প্রকাশিত ভোটার তালিকায় ডিলিটেড হিসেবে দেখানো হয়েছে। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই নির্বাচন কমিশনকে তুলোধনা করেছেন তৃণমূল নেতা।
বিজেপির বিরুদ্ধে চক্রান্তের অভিযোগ তুলেছেন সুশান্ত সরকার। এমনকি নির্বাচন কমিশনকে কটাক্ষ করে সোশ্যাল মিডিয়ায় লেখা হয়েছে , "আর কত নিচে নামবে নির্বাচন কমিশন?" বৈধ ভোটারদের নাম বাদ দিয়েছে বিজেপির দালালরা। এমনও অভিযোগ তোলা হয়েছে শাসক শিবিরের পক্ষ থেকে। এমনকি লেখা হয়েছে , "বিজেপির বেঁধে দেওয়া কোটির গণ্ডি পার করতে কি একের পর এক ভোটারের নাম এভাবে বাদ দেবে 'দালাল' কমিশন? নাকি আবারও BLO-দের ঘাড়ে দায় চাপিয়ে হাত ধুয়ে ফেলবে?"
নৌহাটির তৃণমূল কাউন্সিলর সুশান্ত সরকার জানিয়েছেন , "আমি ১৯৯০ সাল থেকে ভোটাধিকার প্রয়োগ করি। কিন্ত মাঝরাতে চূড়ান্ত তালিকা জানতে পারি আমি নাকি ভারতবর্ষের বৈধ নাগরিক নই। এরপর আমি বিধায়ক সাহেকে সবচেয়ে আগে জানাই। তিনি আমায় লিস্ট পাঠাতে বলেন। আমাকে শুনানিতে ডাকা হয়েছিল। আমি তখন সমস্ত নথিপত্র জমা দিয়েছিলাম। শুধু আমার নয় ৮৪ বছর বয়সী আমার মায়ের নাও বাদ চলে গেছে। আসলে এটা একটা চক্রান্ত। এটা বিজেপির দালালদের কাজ। পরিকল্পনা করে ফাঁসানো হয়েছে আমাদের।"
বিধায়ক সনৎ দে জানিয়েছেন , "দিনের পর দিন নির্বাচন কমিশনের এই নাটক আর নেওয়া যাচ্ছে না। নৌহাটি থেকে প্রায় ৬ হাজার ভোটারের নাম বাদ গেছে। সবটাই বিজেপির কারসাজি। পরিকল্পনা করে নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। তবে চিন্তার কোনো বিষয় নেই। সবার নাম তোলা হবে। পুনরায় যেন সকলের নাম তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা যায় সেই বিষয়ে সবরকম।পদক্ষেপ নেওয়া হবে। আসলে এটা নির্বাচন নয় নির্যাতন কমিশন।"
শনিবার বিকেলে প্রকাশিত এই তালিকায় দেখা যাচ্ছে, খসড়া পর্ব থেকে চূড়ান্ত পর্যায় পর্যন্ত রাজ্যে মোট বাদ পড়া ভোটারের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬৩ লক্ষ ৬৬ হাজার ৯৫২। তবে সংশয় পুরোপুরি কাটেনি। কারণ , তালিকায় নাম থাকা সত্ত্বে এখনও ৬০ লক্ষ ৬ হাজার ৬৭৫ জন ভোটারের ভাগ্য ঝুলে রয়েছে ‘বিচারাধীন’ হিসেবে।
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়