নিজস্ব প্রতিনিধি , দার্জিলিং - বৃষ্টি থেমে গেলেও উত্তরবঙ্গের পাহাড়ে আতঙ্ক এখনও কাটেনি। মিরিক থেকে দার্জিলিং সর্বত্রই প্রকৃতির তাণ্ডবের দাগ রয়ে গেছে। এর মধ্যেই ফের বড় ধরনের ধস নামল ১০ নম্বর জাতীয় সড়কে, ফলে বাংলা ও সিকিমের যোগাযোগ কার্যত বিপর্যস্ত। ভরা পর্যটন মরশুমে এই ধসে বিপাকে পড়েছেন শতাধিক পর্যটক।
সূত্রের খবর, শনিবার রাতের ভয়াবহ বৃষ্টিতে দার্জিলিংয়ের একাধিক এলাকা বিধ্বস্ত হয়। যদিও এই মুহূর্তে পাহাড় থেকে পর্যটকরা নিরাপদে নেমে আসছেন, তবুও ধস আতঙ্ক এখনও পিছু ছাড়ছে না স্থানীয়দের। বৃহস্পতিবার রাতে ২৯ মাইল ও গেলখোলার মধ্যে ১০ নম্বর জাতীয় সড়কে বড় ধস নেমে কার্যত বন্ধ হয়ে যায় বাংলা-সিকিম লাইফলাইন। এই রাস্তাই দুই রাজ্যের প্রধান সংযোগ মাধ্যম হওয়ায় এর বন্ধ হয়ে যাওয়ায় প্রবল সমস্যায় পড়েছেন পর্যটকরা।
একমুখী করে যানবাহন চলাচলের চেষ্টা হলেও তীব্র যানজটের কারণে সেভক থেকে লাভা, আলগাড়া হয়ে গরুবাথান ঘুরে কালিম্পং ও সিকিমে যেতে হচ্ছে পর্যটকদের। এতে যাত্রাপথে সময় লাগছে প্রায় চার ঘণ্টা বেশি। ধস সরানোর কাজ চলছে যুদ্ধকালীন তৎপরতায়, তবে এখনো স্বাভাবিক হয়নি যান চলাচল।
রাজ্য সরকারকে তীব্র আক্রমণ নাড্ডার
অনুপ্রবেশ সহ একাধিক ইস্যুতে তৃণমূলকে নিশানা নীতিন নবীনের
ছেলের চিন্তায় নাওয়া খাওয়া ভুলেছে গোটা পরিবার
হাসপাতালের বাইরে কান্নায় ফেটে পড়েছে পরিবারের সদস্যরা
প্রায় ৮ বছর আগে ইরানে গেছিল পরিবারের ৫ সদস্য
শুনানিতেও ডাকা হয়েছিল বিধায়ককে
নতুন দলের নাম হচ্ছে আম জনতা পার্টি
অনিশ্চয়তায় দিন গুনছে গোটা পরিবার
কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ বিধায়কের
তালিকা প্রকাশ হতেই ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ
এক কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে
নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিচ্ছে শাসক শিবির
মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েছেন শিবপুরের BLO
আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে আহত
ভুক্তভোগীর চিৎকারে প্রতিবেশীরা জড়ো হলেও ততক্ষণে এলাকা ছেড়ে পালিয়েছে দুষ্কৃতীরা
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর