নিজস্ব প্রতিনিধি , মালদহ - সাতসকালে ভয়াবহ দুর্ঘটনা! স্কুটি চালিয়ে বাড়ি যাওয়ার পথে ট্রাক্টরের নীচে চাপা পড়ে মৃত্যু হল এক গৃহবধূর। ইতিমধ্যে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করেছে। তবে ট্রাক্টর চালকের কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি এখনও। ঘটনায় বেশ চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়।
স্থানীয় সূত্রের খবর, সাতমারা গ্রামের বাসিন্দা আমিনা খাতুন (২৫)। ৭ বছরের সাংসারিক জীবন ছিল তার। সোমবার সকাল ৬টা নাগাদ আমিনা তার শ্বশুরবাড়ি থেকে কাশিমপুর বাবুপাড়ায় তার বাপের বাড়ির দিকে রওনা দেয়। রাতুয়া হাসপাতাল মোড়ে পেছন থেকে তাকে ভুটভুটি ধাক্কা মারে। সেই ধাক্কায় তিনি স্কুটি থেকে পড়ে যায়। আর তখনই ট্রাক্টরের চাকায় পিষ্ঠে ঘটনাস্থলে মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে রতুয়া থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠায়।
মৃতার স্বামী রাজেশ আলী জানিয়েছেন, "আমার স্ত্রী খুব শান্ত আর সংসারী মেয়ে ছিল। সকালের দিকেই বের হয়েছিল বাপের বাড়ি যাওয়ার জন্য। স্কুটি নিয়ে যাওয়ার সময় ভুটভুটিটা পিছন থেকে ধাক্কা মেরে ফেলে দেয়। আর তখনই ট্রাক্টরটা ওকে চাপা দিয়ে দেয়। মানুষ একটু সচেতনতা থাকলে আজ আমার স্ত্রী বেঁচে থাকতে পারত। আমি চাই ট্রাক্টর আর ভুটভুটি চালকে খুঁজে বের করে তাদের যথাযথ শাস্তি হোক।"
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়