নিজস্ব প্রতিনিধি, হুগলী - দুর্গাপুজোর উল্লাসের মাঝেই ছড়াল মৃত্যুর ছায়া। ঠাকুর আনতে গিয়ে এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন তিনজন, গুরুতর আহত আরও তিনজন। শঙ্করবাটি হাই স্কুলের বারোয়ারীর দুর্গাপুজোর প্রতিমা আনতে চন্দননগর পটুয়াপাড়া থেকে ফিরছিলেন তাঁরা। ঘটনা ব্যাপক সাড়া ফেলেছে এলাকায়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গভীর রাতে ফেরার পথে চন্দননগর ব্রীজ থেকে নামার সময় ঘটে এই বিপত্তি। নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি চারচাকা গাড়ি সজোরে ধাক্কা মারে রাস্তার ধারে রাখা ইটের পাঁজায়। ধাক্কার জেরে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় দুজনের। চারজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে আরও একজনের মৃত্যু হয়। একজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাঁকে কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়।

নিহতরা হলেন সুগন্ধার শঙ্করবাটির ভাস্কর দেবধারা (২৯), চন্দননগরের প্রীতম চক্রবর্তী (৩০) এবং স্বপন দে (৪০)। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, গাড়িটি বিপজ্জনক গতিতে ছুটছিল। স্থানীয়দের দাবি, প্রচণ্ড ধাক্কায় ইটের পাঁজা ছিটকে পড়ে যায়। পুলিশ গাড়ির ভেতর থেকে মদের বোতলও উদ্ধার করেছে। প্রাথমিকভাবে অনুমান করা হচ্ছে, গাড়ির যাত্রীরা মদ্যপ অবস্থায় ছিলেন।দুর্ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় চন্দননগর ও পোলবা থানার পুলিশ। মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে চুঁচুড়া ইমামবাড়া হাসপাতালে।

স্থানীয় বাসিন্দা শুকচাঁদ দাস জানান , রাস্তার ধারে লাটগুলি ছিলো। ওই লাটগুলিতে হঠাৎই এক চারচাকা গাড়ি এসে ধাক্কা মারে। গাড়িতে থাকা ৩ জন তখনই মারা যায়। একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। সবাই সঙ্করবাটি এলাকারই ছেলে ছিলো।

ওরা খুব সম্ভবত মদ্যপান করেছিল আর গাড়ির গতিও অস্বাভাবিক বেশি ছিলো। সেই কারণেই এই পরিণতি। কেননা গাড়ির গতি বেশি না থাকলে এমন দুর্ঘটনা ঘটার কোনও কারণ নেই।
প্রশাসনকে বলব এই রাস্তায় গাড়ির গতিগুলি যদি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন এবং রাস্তার দুপাশে সিভিক ভলান্টিয়ার মোতায়েন করার ব্যবস্থা করলে সাধারণ মানুষ একটু সচেতন থাকতে পারবেন। “
ভারত সরকারের দিকে চেয়ে সুলেখার পরিবার
বাঁকুড়ার পুলিশ সুপারের দফতরের সামনে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি বিধায়করা
লালগোলা–বহরমপুর রাজ্যসড়ক অবরোধ করে প্রতিবাদে নামে তৃণমূল কংগ্রেস
ঘটনায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ
মৃতদের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্যের আশ্বাস সরকারের
রাজ্য সরকারকে তীব্র আক্রমণ নাড্ডার
অনুপ্রবেশ সহ একাধিক ইস্যুতে তৃণমূলকে নিশানা নীতিন নবীনের
ছেলের চিন্তায় নাওয়া খাওয়া ভুলেছে গোটা পরিবার
হাসপাতালের বাইরে কান্নায় ফেটে পড়েছে পরিবারের সদস্যরা
প্রায় ৮ বছর আগে ইরানে গেছিল পরিবারের ৫ সদস্য
শুনানিতেও ডাকা হয়েছিল বিধায়ককে
নতুন দলের নাম হচ্ছে আম জনতা পার্টি
অনিশ্চয়তায় দিন গুনছে গোটা পরিবার
কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ বিধায়কের
তালিকা প্রকাশ হতেই ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর