নিজস্ব প্রতিনিধি , হুগলী - দোরগোড়ায় বিধানসভা নির্বাচন, তার আগেই বাংলায় ঘাঁটি গাড়াতে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। জানুয়ারি মাসেই রাজ্যে জোড়া জনসভা করার পরিকল্পনা বিজেপির। ১৭ জানুয়ারি মালদহে সভার পর ১৮ জানুয়ারি দ্বিতীয় সভা হওয়ার কথা। তবে সেই দ্বিতীয় সভা ঘিরেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক জল্পনা। হাওড়ার বদলে ঐতিহাসিক সিঙ্গুরেই প্রধানমন্ত্রীর সভা চাইছে গেরুয়া শিবির।
আগামী ১৭ জানুয়ারি মালদহে জনসভা করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তার পরের দিন, অর্থাৎ ১৮ জানুয়ারি দ্বিতীয় সভার পরিকল্পনা রয়েছে। যদিও প্রথমে এই সভা হাওড়ায় হওয়ার কথা থাকলেও, রাজ্যের শীর্ষ বিজেপি নেতৃত্ব চাইছেন সভাস্থল হিসেবে হুগলীর সিঙ্গুরকে বেছে নিতে। বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে শিল্পায়ন ও কর্মসংস্থানকে বড় ইস্যু করতে মরিয়া বিজেপি। সেই কারণেই রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ সিঙ্গুরে প্রধানমন্ত্রীর সভা করতে আগ্রহী গেরুয়া শিবির।
প্রধানমন্ত্রীর সভার প্রস্তুতিতে মঙ্গলবার সিঙ্গুরের গোপালনগর এলাকা-সহ একাধিক জায়গা পরিদর্শন করেন বিজেপির জেলা ও রাজ্য নেতৃত্ব। উপস্থিত ছিলেন জেলা সভাপতি গৌতম চট্টোপাধ্যায়, রাজ্য বিজেপির সম্পাদক দীপাজ্ঞন গুহ-সহ একাধিক নেতা। বিশেষভাবে পরিদর্শন করা হয় টাটাদের ছেড়ে যাওয়া জমি। পাশাপাশি বিকল্প জায়গাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে সভার জন্য।
বিজেপির হুগলী জেলার সভাপতি গৌতম চট্টোপাধ্যায় জানান, ' সিঙ্গুরে শিল্প করার স্বপ্ন নিয়ে টাটা এসেছিল কিন্তু তাদের সেই স্বপ্ন পূরণ করতে দেয়নি এই তৃণমূল সরকার। তাই প্রধানমন্ত্রীকে আমরা এই সিঙ্গুরের মাটিতেই নিয়ে আসার কথা ভাবছি। এর সঙ্গে মানুষের একটা আবেগ জড়িয়ে আছে । এখানের কৃষকরা না তো শিল্প পেল আর না তো কৃষি। ২৬ এ বিজেপি ক্ষমতায় আসলে টাটাকে বাংলায় আবার ফিরিয়ে আনা হবে। এই সিঙ্গুর থেকেই তৃণমূল সরকারের উত্থান হয়েছিল। আর ২৬ এ এই সিঙ্গুর থেকেই তৃণমূল সরকারের পতন হবে।'
তৃণমূলের নির্দেশেই এই বিক্ষোভ বলে অভিযোগ বিজেপির
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়